নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুমোদিত করোনারি স্টেন্টের (হার্টের রিং) দাম আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন পরিচালক ডা. মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জীবন রক্ষাকারী এই গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল ডিভাইসের দাম সহনীয় ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার স্টেন্ট, পেসমেকার, বেলুন, ক্যাথেটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রের মূল্য নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত ১৩ এপ্রিল স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় দেশের বরেণ্য কার্ডিয়াক, ভাসকুলার ও নিউরো সার্জনদের নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটি গঠন করে। তিন দফা সভার পর কমিটি বাজারে প্রচলিত আমেরিকান তিনটি কোম্পানির স্টেন্টের মূল্য পর্যালোচনা করে। প্রতিবেশী দেশের দাম, ট্যাক্স, ভ্যাট ও অন্যান্য চার্জ বিবেচনায় এনে গত ৮ জুলাইয়ের সভার সুপারিশের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ৩ আগস্ট স্টেন্টের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে।
ঔষধ প্রশাসন বলছে, নতুন দামে স্টেন্ট কেনা হলে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। কিছু আমদানিকারকের হাতে পুরোনো দামের পণ্য মজুত থাকায় তারা কার্যকর করতে সময় চেয়েছিল। কিন্তু জনস্বার্থে এবং গণমাধ্যমে দাম কমার খবর প্রকাশিত হওয়ায় হাসপাতালগুলোতে নতুন দামের পণ্যের জন্য রোগীদের চাপ তৈরি হয়েছে। নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির পরামর্শে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর পর্যায়ক্রমে হার্টের চিকিৎসায় ব্যবহৃত সব মেডিকেল ডিভাইসের দাম যৌক্তিকভাবে পুনর্নির্ধারণ বা নতুনভাবে নির্ধারণের কাজ চালিয়ে যাবে।
গত ৩ আগস্ট সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের সই করা এক আদেশে তিন কোম্পানির ১০ ধরনের স্টেন্টের দাম কমিয়ে নতুন করে নির্ধারণ করা হয়। তবে একটি স্টেন্টের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। স্টেন্ট আমদানি প্রতিষ্ঠানভেদে খুচরা মূল্য সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে স্টেন্টভেদে দাম কমানো হয়েছে ৩ হাজার থেকে ৮৮ হাজার টাকা। এতে স্টেন্টের দাম সর্বোচ্চ ৪৬ শতাংশ কমেছে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছেন, ৩ কোম্পানির ১০ ধরনের হার্টের রিংয়ের দাম কমানো হয়েছে। এসব রিংয়ের মূল্য অনেক বেশি ছিল। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের আরও কয়েকটি রিংয়ের দাম কমানো হতে পারে।
চিকিৎসকেরা বলছেন, হার্টে রিং পরানোর পদ্ধতিকে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি বলা হয়। এই পদ্ধতিতে, একটি সরু ক্যাথেটার ব্যবহার করে ধমনিতে একটি ছোট, জাল আকৃতির নল (স্টেন্ট) স্থাপন করা হয়। এটি রক্তনালিকে খোলা রাখতে সাহায্য করে এবং হৃৎপিণ্ডে রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।
ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে হার্টের রিং আমদানি করা হয়। সাধারণত ইউরোপ-আমেরিকা থেকে এগুলো আমদানি করেন ব্যবসায়ীরা। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও জার্মানি, পোল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও আয়ারল্যান্ড থেকে রিং আসে বাংলাদেশে। এ ছাড়া জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত থেকেও রিং আমদানি করা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অনুমোদিত করোনারি স্টেন্টের (হার্টের রিং) দাম আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালীতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানিয়েছেন পরিচালক ডা. মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জীবন রক্ষাকারী এই গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল ডিভাইসের দাম সহনীয় ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার স্টেন্ট, পেসমেকার, বেলুন, ক্যাথেটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রের মূল্য নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত ১৩ এপ্রিল স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় দেশের বরেণ্য কার্ডিয়াক, ভাসকুলার ও নিউরো সার্জনদের নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটি গঠন করে। তিন দফা সভার পর কমিটি বাজারে প্রচলিত আমেরিকান তিনটি কোম্পানির স্টেন্টের মূল্য পর্যালোচনা করে। প্রতিবেশী দেশের দাম, ট্যাক্স, ভ্যাট ও অন্যান্য চার্জ বিবেচনায় এনে গত ৮ জুলাইয়ের সভার সুপারিশের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ৩ আগস্ট স্টেন্টের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে।
ঔষধ প্রশাসন বলছে, নতুন দামে স্টেন্ট কেনা হলে রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। কিছু আমদানিকারকের হাতে পুরোনো দামের পণ্য মজুত থাকায় তারা কার্যকর করতে সময় চেয়েছিল। কিন্তু জনস্বার্থে এবং গণমাধ্যমে দাম কমার খবর প্রকাশিত হওয়ায় হাসপাতালগুলোতে নতুন দামের পণ্যের জন্য রোগীদের চাপ তৈরি হয়েছে। নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির পরামর্শে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর পর্যায়ক্রমে হার্টের চিকিৎসায় ব্যবহৃত সব মেডিকেল ডিভাইসের দাম যৌক্তিকভাবে পুনর্নির্ধারণ বা নতুনভাবে নির্ধারণের কাজ চালিয়ে যাবে।
গত ৩ আগস্ট সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের সই করা এক আদেশে তিন কোম্পানির ১০ ধরনের স্টেন্টের দাম কমিয়ে নতুন করে নির্ধারণ করা হয়। তবে একটি স্টেন্টের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। স্টেন্ট আমদানি প্রতিষ্ঠানভেদে খুচরা মূল্য সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে স্টেন্টভেদে দাম কমানো হয়েছে ৩ হাজার থেকে ৮৮ হাজার টাকা। এতে স্টেন্টের দাম সর্বোচ্চ ৪৬ শতাংশ কমেছে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জানিয়েছেন, ৩ কোম্পানির ১০ ধরনের হার্টের রিংয়ের দাম কমানো হয়েছে। এসব রিংয়ের মূল্য অনেক বেশি ছিল। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের আরও কয়েকটি রিংয়ের দাম কমানো হতে পারে।
চিকিৎসকেরা বলছেন, হার্টে রিং পরানোর পদ্ধতিকে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি বলা হয়। এই পদ্ধতিতে, একটি সরু ক্যাথেটার ব্যবহার করে ধমনিতে একটি ছোট, জাল আকৃতির নল (স্টেন্ট) স্থাপন করা হয়। এটি রক্তনালিকে খোলা রাখতে সাহায্য করে এবং হৃৎপিণ্ডে রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।
ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে হার্টের রিং আমদানি করা হয়। সাধারণত ইউরোপ-আমেরিকা থেকে এগুলো আমদানি করেন ব্যবসায়ীরা। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও জার্মানি, পোল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও আয়ারল্যান্ড থেকে রিং আসে বাংলাদেশে। এ ছাড়া জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত থেকেও রিং আমদানি করা হয়।

ভারতের গুরগাঁও শহরের ম্যাক্স হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান রোহিত গোয়েল বলেন, শীতকালে নিম্ন তাপমাত্রা রক্তনালিকে সংকুচিত করে, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং রক্তকে আরও ঘন করে তোলে। এতে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে যাদের হৃদ্রোগ বা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা রয়েছে তাদের।
৯ ঘণ্টা আগে
নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে ‘অত্যাবশ্যকীয়’ তালিকায় যুক্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে এখন এই তালিকায় ওষুধের সংখ্যা দাঁড়াল ২৯৫। অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
১ দিন আগে
তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
৩ দিন আগে
সুইস খাদ্যপ্রতিষ্ঠান নেসলে ঘোষণা করেছে, তারা ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ইতালি, সুইডেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ থেকে কিছু ব্যাচের শিশুখাদ্য ফর্মুলা প্রত্যাহার করছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে