আজকের পত্রিকা ডেস্ক

হাড়কাঁপানো কনকনে ঠান্ডা আবহাওয়া হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাপমাত্রা যখন কমে যায়, তখন বেশ কিছু বাহ্যিক কারণ সম্মিলিতভাবে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
শীতকালে শরীর তাপ ধরে রাখার জন্য রক্তনালিকে সংকুচিত করে ফেলে। এই প্রক্রিয়ার ফলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে এবং হার্টকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করতে হয়, যা আগে থেকে হার্টের সমস্যায় ভুগছেন, এমন ব্যক্তিদের জন্য বেশ উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
এ ছাড়া ঠান্ডা বাতাস শরীরে অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পায় এবং হার্টের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। তাই এসব ঝুঁকি কমাতে অনেক ব্যক্তিকে শীতের মাসগুলোতে ব্লাড থিনার বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ভারতের গুরগাঁও শহরের ম্যাক্স হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান রোহিত গোয়েল বলেন, শীতকালে নিম্ন তাপমাত্রা রক্তনালিকে সংকুচিত করে, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং রক্তকে আরও ঘন করে তোলে। এতে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে যাদের হৃদ্রোগ বা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা রয়েছে তাদের। এই ঝুঁকি কমাতে ও হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী ঘটনা প্রতিরোধ করতে ব্লাড থিনার দেওয়া হয়।
এই চিকিৎসক আরও বলেন, ব্লাড থিনার রক্তকণিকাগুলোকে একে অপরের সঙ্গে লেগে গিয়ে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। শীতকালে যখন রক্ত সঞ্চালন ধীর হয়ে যায় এবং রক্তের ঘনত্ব বাড়ে, তখন এই ওষুধগুলো রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এটি হার্টের ওপর চাপ কমায় এবং ধমনি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস করে হৃদ্যন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখে।
এ ছাড়া শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও পানিশূন্যতা হার্টের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। সাধারণত যাদের ব্লাড থিনার সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়—
মনে রাখা জরুরি, ব্লাড থিনার উপকারী হলেও এটি কেবল চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত। পাশাপাশি শীতের দিনগুলোয় হৃদ্যন্ত্রের সার্বিক সুরক্ষায় অন্যান্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

হাড়কাঁপানো কনকনে ঠান্ডা আবহাওয়া হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাপমাত্রা যখন কমে যায়, তখন বেশ কিছু বাহ্যিক কারণ সম্মিলিতভাবে হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
শীতকালে শরীর তাপ ধরে রাখার জন্য রক্তনালিকে সংকুচিত করে ফেলে। এই প্রক্রিয়ার ফলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে এবং হার্টকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করতে হয়, যা আগে থেকে হার্টের সমস্যায় ভুগছেন, এমন ব্যক্তিদের জন্য বেশ উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
এ ছাড়া ঠান্ডা বাতাস শরীরে অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পায় এবং হার্টের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। তাই এসব ঝুঁকি কমাতে অনেক ব্যক্তিকে শীতের মাসগুলোতে ব্লাড থিনার বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ভারতের গুরগাঁও শহরের ম্যাক্স হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান রোহিত গোয়েল বলেন, শীতকালে নিম্ন তাপমাত্রা রক্তনালিকে সংকুচিত করে, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং রক্তকে আরও ঘন করে তোলে। এতে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে যাদের হৃদ্রোগ বা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা রয়েছে তাদের। এই ঝুঁকি কমাতে ও হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী ঘটনা প্রতিরোধ করতে ব্লাড থিনার দেওয়া হয়।
এই চিকিৎসক আরও বলেন, ব্লাড থিনার রক্তকণিকাগুলোকে একে অপরের সঙ্গে লেগে গিয়ে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। শীতকালে যখন রক্ত সঞ্চালন ধীর হয়ে যায় এবং রক্তের ঘনত্ব বাড়ে, তখন এই ওষুধগুলো রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এটি হার্টের ওপর চাপ কমায় এবং ধমনি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হ্রাস করে হৃদ্যন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখে।
এ ছাড়া শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও পানিশূন্যতা হার্টের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। সাধারণত যাদের ব্লাড থিনার সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়—
মনে রাখা জরুরি, ব্লাড থিনার উপকারী হলেও এটি কেবল চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত। পাশাপাশি শীতের দিনগুলোয় হৃদ্যন্ত্রের সার্বিক সুরক্ষায় অন্যান্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

নতুন করে ১৩৫টি ওষুধকে ‘অত্যাবশ্যকীয়’ তালিকায় যুক্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর ফলে এখন এই তালিকায় ওষুধের সংখ্যা দাঁড়াল ২৯৫। অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
২ দিন আগে
তীব্র শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বাড়ছে। রোগীদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু। আক্রান্তদের অধিকাংশই জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, পেটের পীড়া ও নিউমোনিয়ায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
৩ দিন আগে
সুইস খাদ্যপ্রতিষ্ঠান নেসলে ঘোষণা করেছে, তারা ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ইতালি, সুইডেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ থেকে কিছু ব্যাচের শিশুখাদ্য ফর্মুলা প্রত্যাহার করছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
দেশের বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবগুলোর কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ফেরাতে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা মেডিকেল অফিসারকে নিজ হাতে
৪ দিন আগে