
চোখ আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এর মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর রং, আকার এবং সবকিছুকে স্বচ্ছভাবে দেখতে পারি। কিন্তু অনেক সময় চোখের স্বাস্থ্যের প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দিই না। চোখের সমস্যাগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত খুব স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায় না। তাই নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অনেক সময় চোখের রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন কোনো লক্ষণ দেখা দেয় না। যেমন গ্লুকোমা। এটি ধীরে ধীরে দৃষ্টি নষ্ট করে এবং প্রাথমিক অবস্থায় সাধারণত কোনো ব্যথা বা অসুবিধা প্রকাশ পায় না। নিয়মিত পরীক্ষা করালে চিকিৎসক সময়মতো রোগ শনাক্ত করে সঠিক চিকিৎসা শুরু করতে পারেন।
চশমার প্রয়োজনীয়তা বা দৃষ্টি পরিবর্তন ছোটবেলা থেকে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত ঘটতে পারে। নিয়মিত পরীক্ষা না করলে ছোট দৃষ্টি সমস্যা বড় হয়ে উঠতে পারে। সময়মতো চশমা বা লেন্স ব্যবহারে চোখের ক্লান্তি এবং মাথাব্যথা কমানো সম্ভব।
শিশুদের চোখের পরীক্ষা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনার সময় ছোট দৃষ্টির সমস্যা শিশুর শিক্ষাজীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করে শিশুদের সঠিক দৃষ্টি নিশ্চিত করা যায়।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের বিভিন্ন সমস্যা; যেমন ক্যাটার্যাক্ট বা ছানি, মাকুলার ডিজেনারেশন এবং গ্লুকোমা দেখা দেয়। নিয়মিত পরীক্ষা করলে এসব রোগ প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা সম্ভব এবং উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া যায়।
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগে চোখ প্রভাবিত হতে পারে। নিয়মিত পরীক্ষা করালে ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি বা রক্তচাপের সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব।
শিশুদের জন্য জন্মের পর প্রথম পরীক্ষা: জন্মের ৬ থেকে ১২ মাসেছোট বয়স: ৩ থেকে ৫ বছর বয়সে পুনঃপরীক্ষা
স্কুলজীবন: প্রতিবছর চোখ পরীক্ষা
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য
২০ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে: প্রতি ২ থেকে ৩ বছরে একবার
৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যে: প্রতি ১ থেকে ২ বছরে একবার
৬০ বছরের ওপরে: প্রতিবছর
দৃষ্টি উন্নয়ন ও বজায় রাখা: সময়মতো সমস্যা চিহ্নিত হলে দৃষ্টি সংরক্ষণ করা সহজ।
প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও চশমা: চোখের সমস্যা অনুযায়ী সঠিক চিকিৎসা বা চশমা ব্যবহার নিশ্চিত হয়।
জটিলতা এড়ানো: চোখের গুরুতর সমস্যা; যেমন গ্লুকোমা বা মাকুলার ডিজেনারেশন প্রাথমিক পর্যায়ে থামানো সম্ভব।
সচেতনতা বৃদ্ধি: নিজের চোখের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং সুস্থ অভ্যাস গড়ে তোলা।

আষাঢ়-শ্রাবণের রিমঝিম বৃষ্টি যেমন আমাদের মন ছুঁয়ে যায়, তেমনই আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে তৈরি হয় নানান স্বাস্থ্যঝুঁকি। বর্ষাকালে আবহাওয়া থাকে ভেজা স্যাঁতসেঁতে, বাতাস ও তাপমাত্রা ঘন ঘন ওঠানামা করে এবং আর্দ্রতা থাকে অতিরিক্ত। সব মিলিয়ে এই ঋতুতে হঠাৎ ঘরে ঘরে শুরু হয় হাঁচি, কাশি, জ্বর কিংবা সর্দির উপদ্রব।
১ ঘণ্টা আগে
শারীরিক ফিটনেস বজায় রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম বা ওয়ার্কআউট করার বিকল্প নেই। তবে একটি কার্যকর ও সফল ওয়ার্কআউটের পেছনে জ্বালানি হিসেবে কাজ করে সঠিক সময়ে সঠিক পুষ্টি গ্রহণ বা প্রি-ওয়ার্কআউট নিউট্রিশন।
২ ঘণ্টা আগে
রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা বা আরপি হলো চোখের বংশগত ও ধীরে ধীরে অগ্রসরমাণ একটি রোগ। এতে চোখের পেছনে থাকা আলোক সংবেদনশীল পর্দা বা রেটিনা ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রেটিনা আলো গ্রহণ করে এবং তা স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠায়। এর ফলে আমরা দেখতে পাই। এই রোগে রেটিনার আলো গ্রহণকারী বিশেষ কোষ—
৩ ঘণ্টা আগে
ওজন কমাতে কিংবা কম খেতে খাবারের আগে ও মাঝে একটু বেশি পানি পানের পরামর্শ বেশ পুরোনো। সাধারণত অনেকে মনে করেন, পানি পাকস্থলীকে প্রসারিত করে দ্রুত পেট ভরানোর অনুভূতি দেয়। কিন্তু পুষ্টিবিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ‘অ্যাপেটাইট’-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা এই ধারণা ভুল প্রমাণ করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে