কুহেলী রহমান

সর্বশেষ পরিসংখ্যান ও তথ্য জানাচ্ছে, ২০২১ সালে ৫৩ দশমিক ৭ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন পৃথিবীতে। ২০৩০ সালের মধ্যে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৪ দশমিক ৩ কোটিতে এবং ২০৪৫ সালে ৭৮ দশমিক ৩ কোটিতে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন ডায়াবেটিস রোগীর মৃত্যু হয় এবং দুজন নতুন ডায়াবেটিস রোগী শনাক্ত হন! বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছেন। পুরো বিশ্বে এ রোগে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। আগামী চার বছরে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সে হিসাবে দেশের চারটি অসংক্রামক রোগের অন্যতম এই ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা ২০২৫ সালের মধ্যে দেড় কোটি ছাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অথচ কোনো ধরনের উপসর্গ নেই দেশের ৬০ শতাংশ মানুষের মধ্যে। আর আক্রান্ত মানুষের মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে, বাকি ৮০ শতাংশের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণহীন।
আজকাল প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। প্রায় প্রতি বাড়িতেই ডায়াবেটিস পরীক্ষার ডিজিটাল কিট দেখা যায়। তবে এবার তার থেকেও সহজতর উপায় বের করেছে মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থা মায়ো ক্লিনিক। প্রতিষ্ঠানটি এ জন্য একটি এআই অ্যাপ তৈরি করেছে। রোগীদের রেকর্ড করা কণ্ঠ শুনে সে অ্যাপ বলে দিতে পারে, কার ডায়াবেটিস আছে, কার নেই। এমনকি ডায়াবেটিসের মাত্রা কত, সে সম্পর্কেও ধারণা দিতে পারে এটি। অ্যাপটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে এটি সম্পূর্ণ সফল হলে ডায়াবেটিস নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণ আরও সহজ হবে।
সম্প্রতি মায়ো ক্লিনিকের পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতের ২৬৭ জন রোগীকে নিয়ে গবেষণা চালানো হয়। তাদের কণ্ঠ রেকর্ড করা হয় এই স্মার্টফোন অ্যাপের সাহায্যে। এ জন্য নির্দিষ্ট একটি বাক্য দিনে ছয়বার করে রেকর্ড করা হয় দুই সপ্তাহ ধরে। এতে ১৮ হাজার ৪৬৪টি রেকর্ড জমা পড়ে। সেই রেকর্ডগুলো বিশ্লেষণ করে অ্যাপটি কণ্ঠের মালিকের টাইপ-২ ডায়াবেটিস আছে কি নেই, তা নির্ণয় করতে পারে। এ পরীক্ষায় খুব সফলভাবে ডায়াবেটিক ও নন-ডায়াবেটিক কণ্ঠ চিহ্নিত করা হয়েছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট, ডেইলি মেইল

সর্বশেষ পরিসংখ্যান ও তথ্য জানাচ্ছে, ২০২১ সালে ৫৩ দশমিক ৭ কোটি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন পৃথিবীতে। ২০৩০ সালের মধ্যে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৪ দশমিক ৩ কোটিতে এবং ২০৪৫ সালে ৭৮ দশমিক ৩ কোটিতে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন ডায়াবেটিস রোগীর মৃত্যু হয় এবং দুজন নতুন ডায়াবেটিস রোগী শনাক্ত হন! বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছেন। পুরো বিশ্বে এ রোগে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। আগামী চার বছরে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হবে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সে হিসাবে দেশের চারটি অসংক্রামক রোগের অন্যতম এই ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা ২০২৫ সালের মধ্যে দেড় কোটি ছাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অথচ কোনো ধরনের উপসর্গ নেই দেশের ৬০ শতাংশ মানুষের মধ্যে। আর আক্রান্ত মানুষের মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আছে, বাকি ৮০ শতাংশের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণহীন।
আজকাল প্রায় প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে। প্রায় প্রতি বাড়িতেই ডায়াবেটিস পরীক্ষার ডিজিটাল কিট দেখা যায়। তবে এবার তার থেকেও সহজতর উপায় বের করেছে মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থা মায়ো ক্লিনিক। প্রতিষ্ঠানটি এ জন্য একটি এআই অ্যাপ তৈরি করেছে। রোগীদের রেকর্ড করা কণ্ঠ শুনে সে অ্যাপ বলে দিতে পারে, কার ডায়াবেটিস আছে, কার নেই। এমনকি ডায়াবেটিসের মাত্রা কত, সে সম্পর্কেও ধারণা দিতে পারে এটি। অ্যাপটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে এটি সম্পূর্ণ সফল হলে ডায়াবেটিস নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণ আরও সহজ হবে।
সম্প্রতি মায়ো ক্লিনিকের পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতের ২৬৭ জন রোগীকে নিয়ে গবেষণা চালানো হয়। তাদের কণ্ঠ রেকর্ড করা হয় এই স্মার্টফোন অ্যাপের সাহায্যে। এ জন্য নির্দিষ্ট একটি বাক্য দিনে ছয়বার করে রেকর্ড করা হয় দুই সপ্তাহ ধরে। এতে ১৮ হাজার ৪৬৪টি রেকর্ড জমা পড়ে। সেই রেকর্ডগুলো বিশ্লেষণ করে অ্যাপটি কণ্ঠের মালিকের টাইপ-২ ডায়াবেটিস আছে কি নেই, তা নির্ণয় করতে পারে। এ পরীক্ষায় খুব সফলভাবে ডায়াবেটিক ও নন-ডায়াবেটিক কণ্ঠ চিহ্নিত করা হয়েছে।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট, ডেইলি মেইল

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগে