
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৮৭ জনে।
আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৯৮৬ জন আর নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১০১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৯৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮১৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হলো।
একই সময়ে ল্যাব পরীক্ষায় ৮৪ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত দেশে ২১ হাজার ৯৯ জন হামে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হলো।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপরই রয়েছে সিলেট বিভাগ, যেখানে ১৭৩ জন মারা গেছে। এ ছাড়া অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ৬০, চট্টগ্রামে ৭৯, খুলনায় ৪৪, ময়মনসিংহে ৭৮, রাজশাহীতে ৯৩ ও রংপুর বিভাগে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ১৫৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৭৬ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে মোট ২১৯ জনের মৃত্যু হলো। মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ২, মে মাসে ১, জুনে ১৩, জুলাইয়ে ৩৬ ও আগস্টে ৪৩ জন মারা যায়।
২ ঘণ্টা আগে
জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা—আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে এসব উপসর্গে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। অনেকের ক্ষেত্রে সাধারণ সর্দি-কাশি মনে হলেও এর পেছনে থাকতে পারে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। দেশে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে নিয়মিত নজরদারি চলছে।
৯ ঘণ্টা আগে
রোদ-বৃষ্টির খামখেয়ালি এই শরৎ ঋতুতে সাধারণ উপসর্গ ভেবে কোনো অসুস্থতাকে অবহেলা করা উচিত নয়। স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া, বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা এবং দূষিত পানি এই সময়ে নানা জীবাণুর আদর্শ প্রজননক্ষেত্র হয়ে ওঠে।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ ও আতঙ্ক। এ সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়া নিয়ে স্বজনদের চিন্তার শেষ থাকে না। সোশ্যাল মিডিয়া ও লোকমুখে চলতে থাকে নানান পরামর্শ—ড্রাগন ফল, পেঁপে পাতার রস কিংবা অমুক ভেষজ খেলে নাকি প্লাটিলেট বেড়ে যাবে।
১০ ঘণ্টা আগে