রোদ-বৃষ্টির খামখেয়ালি এই শরৎ ঋতুতে সাধারণ উপসর্গ ভেবে কোনো অসুস্থতাকে অবহেলা করা উচিত নয়। স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া, বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা এবং দূষিত পানি এই সময়ে নানা জীবাণুর আদর্শ প্রজননক্ষেত্র হয়ে ওঠে।
আন্ত্রিক রোগ ও টাইফয়েড: সামান্য পেটের সমস্যা বা হালকা জ্বর ভেবে অবহেলা করবেন না। দূষিত পানি ও খাবার থেকে টাইফয়েড, গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস ও কলেরা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
হেপাটাইটিস এ ও ই: বমি ভাব, দুর্বলতা বা খাবারে অরুচি থাকলে সতর্ক হোন। হেপাটাইটিসের লক্ষণগুলো শুরুতে সাধারণ মনে হলেও সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। জন্ডিস ফুটে ওঠার আগেই পরীক্ষা করানো জরুরি।
ছত্রাক বা ফাঙ্গাসের সংক্রমণ: ভেজা কাপড় বা জুতা দীর্ঘক্ষণ পরে থাকা এবং অতিরিক্ত ঘামের কারণে দাদ বা অ্যাথলেটস ফুটের মতো ত্বকের সংক্রমণ হতে পারে। এ জন্য সব সময় ত্বক শুষ্ক রাখা জরুরি।
চোখের সংক্রমণ: কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা খুব দ্রুত ছড়ায়। চোখে লালচে ভাব বা পানি পড়াকে সাধারণ অ্যালার্জি মনে করে অবহেলা করলে, এটি পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
লক্ষণ দেখা দিলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে সময়মতো রক্ত ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করান। ফোটানো পানি পান করা, বাইরের খোলা খাবার এড়িয়ে চলা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এই মৌসুমে সুস্থ থাকার সেরা উপায়।
সূত্র: হেলথ লাইন

জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, শরীর ব্যথা ও দুর্বলতা—আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে এসব উপসর্গে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। অনেকের ক্ষেত্রে সাধারণ সর্দি-কাশি মনে হলেও এর পেছনে থাকতে পারে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। দেশে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে নিয়মিত নজরদারি চলছে।
৩৬ মিনিট আগে
দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি ঘরে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ ও আতঙ্ক। এ সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর রক্তে প্লাটিলেট কমে যাওয়া নিয়ে স্বজনদের চিন্তার শেষ থাকে না। সোশ্যাল মিডিয়া ও লোকমুখে চলতে থাকে নানান পরামর্শ—ড্রাগন ফল, পেঁপে পাতার রস কিংবা অমুক ভেষজ খেলে নাকি প্লাটিলেট বেড়ে যাবে।
২ ঘণ্টা আগে
গোলমরিচ শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ানোর মসলা নয়। এটি এর স্বাস্থ্যগুণ ও ঔষধি বৈশিষ্ট্যের জন্য প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী উপাদান পাইপারিন শরীর সুস্থ রাখতে নানাভাবে সাহায্য করে।
২ ঘণ্টা আগে
জন্মগত ছানি হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে শিশুর জন্মের সময় অথবা জন্মের পর প্রথম কয়েক মাসের মধ্যে চোখের স্বচ্ছ লেন্স ঘোলা হয়ে যায়। স্বাভাবিক অবস্থায় চোখের লেন্স স্বচ্ছ থাকে এবং আলোকে রেটিনায় সঠিকভাবে ফোকাস করতে সাহায্য করে। কিন্তু ছানি হলে আলো চোখের ভেতরে বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে শিশুর দৃষ্টিশক্তির স্বাভাবি
২ ঘণ্টা আগে