মো. ইকবাল হোসেন

যা খেলে পেট ভরে, তাই-ই খাবার হিসেবে বিবেচিত হলেও খাবার খাওয়ার কিছু উদ্দেশ্য আছে। প্রধান উদ্দেশ্য, শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা। আর সুষম খাবার হিসেবে বিবেচিত হতে গেলে তাতে থাকতে হবে প্রধান ৬টি খাদ্য উপাদান। আমাদের সারা দিনের শক্তির জোগান আসে খাবার থেকে।
কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চলমান করোনা মহামারির কারণে অনেকের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। এ অবস্থায় কীভাবে খুব সহজে খাবার সুষম করা যেতে পারে, জেনে নিন।
সকালের খাবার
সকালের নাশতায় আটার রুটি, পরোটা কিংবা ভাতের সঙ্গে সবজি রাখুন। সঙ্গে মাঝারি ঘন ডাল। তাহলে পুষ্টির চাহিদা অনেকখানি মিটে যাবে। ডিম, মাংস বা মাছের মতোই ডালও প্রোটিনজাতীয় খাবার।
দুপুরের আগে
সকাল আর দুপুরের মাঝামাঝি সময়ে মুড়ি, খই, পপকর্ন, চিড়া ভাজা, সবজি, নুডলস, বিস্কুট, পাউরুটি এমন যেকোনো একটি খাবার খাওয়া যেতে পারে। সঙ্গে যেকোনো একটি মিষ্টি ফল খেতে পারেন। কলা, মিষ্টি বরই, আম, কাঁঠাল, পাকা পেয়ারা, আনারস, তরমুজ, আপেল, কমলা, মাল্টা বা যেকোনো মৌসুমি ফল, যেটা আপনার সাধ্যের মধ্যে থাকে।
দুপুরের খাবার
দুপুরের খাবারে আপনি ভাতের সঙ্গে শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডাল এগুলো খাবেন। তবে মাছ-মাংস খেতে না পারলে এমন কিছু সবজি রাখুন দুপুরের খাবারের তালিকায়, যেগুলো সবজির পাশাপাশি আপনার প্রোটিনের চাহিদাও পূরণ করবে। যেমন বিচিসহ শিম রান্না করে খেলে শিমের বিচি থেকে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হবে আর খোসা থেকে সবজির পুষ্টিগুণ পাবেন। সঙ্গে একটু পাতলা ডাল থাকলেই হবে। অথবা আপনি অন্য যে সবজি খাবেন তার মধ্যে একটু শিমের বিচি বা মটরশুঁটি দিয়ে রান্না করুন। যদি এটাও সম্ভব না হয়, তাহলে যেকোনো শাকসবজির সঙ্গে আপনি ডাল ঘন খেতে পারেন। এতেও আপনার খাবার মোটামুটি সুষম খাবার বা ব্যালান্স ডায়েট হবে।
বিকেলের খাবার
বিকেলে দুধ বা দুধের তৈরি খাবার খাওয়া যাবে। সেটা সম্ভব না হলে বাদাম বা বুট ভাজা বা শিমের বিচি ভাজা বা মটরশুঁটি খেতে পারেন।
রাতের খাবার
রাতের খাবার আপনি সকালের নাশতা বা দুপুরের খাবারের মতো করে সাজাতে পারেন। এভাবে খেলেই আপনি আপনার শরীরের সারা দিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারবেন।
সতর্কতা ও পরামর্শ
লেখক: পুষ্টি কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

যা খেলে পেট ভরে, তাই-ই খাবার হিসেবে বিবেচিত হলেও খাবার খাওয়ার কিছু উদ্দেশ্য আছে। প্রধান উদ্দেশ্য, শরীরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা। আর সুষম খাবার হিসেবে বিবেচিত হতে গেলে তাতে থাকতে হবে প্রধান ৬টি খাদ্য উপাদান। আমাদের সারা দিনের শক্তির জোগান আসে খাবার থেকে।
কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চলমান করোনা মহামারির কারণে অনেকের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। এ অবস্থায় কীভাবে খুব সহজে খাবার সুষম করা যেতে পারে, জেনে নিন।
সকালের খাবার
সকালের নাশতায় আটার রুটি, পরোটা কিংবা ভাতের সঙ্গে সবজি রাখুন। সঙ্গে মাঝারি ঘন ডাল। তাহলে পুষ্টির চাহিদা অনেকখানি মিটে যাবে। ডিম, মাংস বা মাছের মতোই ডালও প্রোটিনজাতীয় খাবার।
দুপুরের আগে
সকাল আর দুপুরের মাঝামাঝি সময়ে মুড়ি, খই, পপকর্ন, চিড়া ভাজা, সবজি, নুডলস, বিস্কুট, পাউরুটি এমন যেকোনো একটি খাবার খাওয়া যেতে পারে। সঙ্গে যেকোনো একটি মিষ্টি ফল খেতে পারেন। কলা, মিষ্টি বরই, আম, কাঁঠাল, পাকা পেয়ারা, আনারস, তরমুজ, আপেল, কমলা, মাল্টা বা যেকোনো মৌসুমি ফল, যেটা আপনার সাধ্যের মধ্যে থাকে।
দুপুরের খাবার
দুপুরের খাবারে আপনি ভাতের সঙ্গে শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডাল এগুলো খাবেন। তবে মাছ-মাংস খেতে না পারলে এমন কিছু সবজি রাখুন দুপুরের খাবারের তালিকায়, যেগুলো সবজির পাশাপাশি আপনার প্রোটিনের চাহিদাও পূরণ করবে। যেমন বিচিসহ শিম রান্না করে খেলে শিমের বিচি থেকে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হবে আর খোসা থেকে সবজির পুষ্টিগুণ পাবেন। সঙ্গে একটু পাতলা ডাল থাকলেই হবে। অথবা আপনি অন্য যে সবজি খাবেন তার মধ্যে একটু শিমের বিচি বা মটরশুঁটি দিয়ে রান্না করুন। যদি এটাও সম্ভব না হয়, তাহলে যেকোনো শাকসবজির সঙ্গে আপনি ডাল ঘন খেতে পারেন। এতেও আপনার খাবার মোটামুটি সুষম খাবার বা ব্যালান্স ডায়েট হবে।
বিকেলের খাবার
বিকেলে দুধ বা দুধের তৈরি খাবার খাওয়া যাবে। সেটা সম্ভব না হলে বাদাম বা বুট ভাজা বা শিমের বিচি ভাজা বা মটরশুঁটি খেতে পারেন।
রাতের খাবার
রাতের খাবার আপনি সকালের নাশতা বা দুপুরের খাবারের মতো করে সাজাতে পারেন। এভাবে খেলেই আপনি আপনার শরীরের সারা দিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারবেন।
সতর্কতা ও পরামর্শ
লেখক: পুষ্টি কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে