
শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পরিবারের ভূমিকা অপরিসীম। পরিবার থেকেই প্রথম ভালোবাসা, নিরাপত্তা এবং যত্ন পায় তারা। তবে, প্রতিটি পরিবার একরকম নয়। অনেক পরিবারে মা–বাবার সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং এই বিচ্ছেদের প্রভাব শিশুদের ওপর দীর্ঘকাল ধরে পড়তে পারে। শৈশবকালে মা–বাবার বিচ্ছেদের ফলে পরবর্তীকালে সন্তানের স্ট্রোকের ঝুঁকি ৬১ শতাংশ বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন গবেষণায় এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা যায়।
এই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করেছেন ইউনিভার্সিটির অব টরন্টো ও অন্য প্রতিষ্ঠানের গবেষকেরা। গবেষণায় ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ১৩ হাজার ২০৫ জন ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যগত তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিচ্ছিন্ন পরিবারের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রতি ৯ জনে ১ জন স্ট্রোকের শিকার হয়েছেন। অপর দিকে যাদের মা–বাবা সব সময় একসঙ্গে থাকতেন, তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক কম। এই ধরনের প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি ১৫ জনে ১ জন স্ট্রোকের শিকার হয়েছেন।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—অন্যান্য পরিচিত স্ট্রোকের কারণ, যেমন—ধূমপান, ডায়াবেটিস ও বিষণ্নতা ধরে এই বাড়তি ঝুঁকি হিসেব করলেও তা কমে যায়নি।
ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আরলিংটনের সহযোগী অধ্যাপক ফিলিপ বেইডেন বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে যে শৈশবকালে নির্যাতনের শিকার না হলেও এবং একজন অভিভাবক (বাবা বা মা) থাকলেও পিতামাতার বিচ্ছেদের ফলে সন্তানদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, বিচ্ছিন্ন পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুরা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপের শিকার হয়, যা তাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও খারাপ প্রভাব ফেলে।
গবেষণার সিনিয়র লেখক এস্মে ফুলার-থমসন জানান, মা–বাবার বিচ্ছেদ শিশুদের শরীরে স্থায়ীভাবে উচ্চ স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে, যা মস্তিষ্কের উন্নয়ন এবং স্ট্রেস রেসপন্স সিস্টেমকে প্রভাবিত করতে পারে। এর ফলে দীর্ঘ মেয়াদে শারীরিক অসুস্থতা সৃষ্টি হয়। এই শারীরিক সমস্যা যেমন উচ্চ রক্তচাপ এবং অনিদ্রা, তা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।
তবে শৈশবকালীন প্রতিকূল পরিস্থিতির (যেমন—মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন বা মা–বাবার কলহ) সঙ্গে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কোনো উল্লেখযোগ্য প্রমাণ গবেষণায় পাওয়া যায়নি। এই বিশেষত্বই বিচ্ছেদ এবং স্ট্রোকের মধ্যে সম্পর্ককে আরও বেশি চমকপ্রদ করে তোলে।
গবেষণাটি প্লস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত হয়। এটি এক দশক আগের আরেক গবেষণার ফলাফল পুনরায় নতুনভাবে উপস্থাপন করেছে। এই ধরনের ধারাবাহিক ফলাফল শিশুদের ওপর পারিবারিক অভিজ্ঞতার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবকে স্পষ্ট করে।
গবেষণার প্রথম লেখক মেরি কেট শিলকে বলেন, এই ফলাফলগুলো নিশ্চিত হলে পারিবারিক ইতিহাস থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহার করে স্ট্রোক প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক শিক্ষা উন্নত করতে পারবেন চিকিৎসকেরা।
এই গবেষণা শিশুদের পারিবারিক অভিজ্ঞতা এবং প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাস্থ্যের মধ্যে জটিল সম্পর্ককে তুলে ধরে। শৈশবের অভিজ্ঞতাগুলো নীরবে ভবিষ্যতের সুস্থতা গড়ে তোলে তা এই গবেষণা থেকে জানা যায়।

শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে পরিবারের ভূমিকা অপরিসীম। পরিবার থেকেই প্রথম ভালোবাসা, নিরাপত্তা এবং যত্ন পায় তারা। তবে, প্রতিটি পরিবার একরকম নয়। অনেক পরিবারে মা–বাবার সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং এই বিচ্ছেদের প্রভাব শিশুদের ওপর দীর্ঘকাল ধরে পড়তে পারে। শৈশবকালে মা–বাবার বিচ্ছেদের ফলে পরবর্তীকালে সন্তানের স্ট্রোকের ঝুঁকি ৬১ শতাংশ বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন গবেষণায় এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা যায়।
এই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করেছেন ইউনিভার্সিটির অব টরন্টো ও অন্য প্রতিষ্ঠানের গবেষকেরা। গবেষণায় ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ১৩ হাজার ২০৫ জন ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যগত তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিচ্ছিন্ন পরিবারের প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রতি ৯ জনে ১ জন স্ট্রোকের শিকার হয়েছেন। অপর দিকে যাদের মা–বাবা সব সময় একসঙ্গে থাকতেন, তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক কম। এই ধরনের প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি ১৫ জনে ১ জন স্ট্রোকের শিকার হয়েছেন।
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—অন্যান্য পরিচিত স্ট্রোকের কারণ, যেমন—ধূমপান, ডায়াবেটিস ও বিষণ্নতা ধরে এই বাড়তি ঝুঁকি হিসেব করলেও তা কমে যায়নি।
ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আরলিংটনের সহযোগী অধ্যাপক ফিলিপ বেইডেন বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে যে শৈশবকালে নির্যাতনের শিকার না হলেও এবং একজন অভিভাবক (বাবা বা মা) থাকলেও পিতামাতার বিচ্ছেদের ফলে সন্তানদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, বিচ্ছিন্ন পরিবারে বেড়ে ওঠা শিশুরা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপের শিকার হয়, যা তাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও খারাপ প্রভাব ফেলে।
গবেষণার সিনিয়র লেখক এস্মে ফুলার-থমসন জানান, মা–বাবার বিচ্ছেদ শিশুদের শরীরে স্থায়ীভাবে উচ্চ স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে, যা মস্তিষ্কের উন্নয়ন এবং স্ট্রেস রেসপন্স সিস্টেমকে প্রভাবিত করতে পারে। এর ফলে দীর্ঘ মেয়াদে শারীরিক অসুস্থতা সৃষ্টি হয়। এই শারীরিক সমস্যা যেমন উচ্চ রক্তচাপ এবং অনিদ্রা, তা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।
তবে শৈশবকালীন প্রতিকূল পরিস্থিতির (যেমন—মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন বা মা–বাবার কলহ) সঙ্গে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কোনো উল্লেখযোগ্য প্রমাণ গবেষণায় পাওয়া যায়নি। এই বিশেষত্বই বিচ্ছেদ এবং স্ট্রোকের মধ্যে সম্পর্ককে আরও বেশি চমকপ্রদ করে তোলে।
গবেষণাটি প্লস ওয়ান জার্নালে প্রকাশিত হয়। এটি এক দশক আগের আরেক গবেষণার ফলাফল পুনরায় নতুনভাবে উপস্থাপন করেছে। এই ধরনের ধারাবাহিক ফলাফল শিশুদের ওপর পারিবারিক অভিজ্ঞতার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবকে স্পষ্ট করে।
গবেষণার প্রথম লেখক মেরি কেট শিলকে বলেন, এই ফলাফলগুলো নিশ্চিত হলে পারিবারিক ইতিহাস থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহার করে স্ট্রোক প্রতিরোধ এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক শিক্ষা উন্নত করতে পারবেন চিকিৎসকেরা।
এই গবেষণা শিশুদের পারিবারিক অভিজ্ঞতা এবং প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাস্থ্যের মধ্যে জটিল সম্পর্ককে তুলে ধরে। শৈশবের অভিজ্ঞতাগুলো নীরবে ভবিষ্যতের সুস্থতা গড়ে তোলে তা এই গবেষণা থেকে জানা যায়।

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
৪ দিন আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
৪ দিন আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
৪ দিন আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
৪ দিন আগে