
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময় হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু নেই। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮০ জনে।
২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ১৭০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৩০১ জনের হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।
আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১১৫ জনের। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৪৬ জনে।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩১ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭০ জনের। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৪২ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৯৩ জন।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৬ হাজার ১০০ জন। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ২২ হাজার ৬৫০ জন।

দেশে সংক্রামক রোগ হাম ও এই রোগের উপসর্গে গত দেড় মাসে পৌনে তিন শ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের প্রায় শতভাগই শিশু। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। টিকাদানে ঘাটতিসহ বিভিন্ন কারণে চলতি বছর দেশে হাম খুব দ্রুত এবং বড় আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৮৪ জনের। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৭ জনে।
১ দিন আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী মাসের ৫ তারিখে সারা দেশে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ছিল। আমি সেটা ১৪ দিন এগিয়ে এনেছি। আমরা যখন হামের টিকা হাতে পেয়েছি, নির্ধারিত সময়ের জন্য আর অপেক্ষা করিনি। আমরা ২০ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করে দিয়েছি।’
১ দিন আগে
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হামে ২২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সবচেয়ে বেশি হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৬ হাজার ২৬৩ জন।
২ দিন আগে