প্রসব-পরবর্তীকালে সন্তানকে স্তন্যদানকারী অনেক মা-ই প্রশ্ন করেন, সন্তান বুকের দুধ পান করলে মা রোজা রাখতে পারবেন কি না। এর উত্তর, অবশ্যই পারবেন, যদি প্রয়োজনীয় পুষ্টি তিনি গ্রহণ করেন। এ ধরনের মায়েদের খেয়াল রাখতে হবে, সন্তান যাতে যথেষ্ট পরিমাণে দুধ ও পুষ্টি পায় এবং সন্তান যেন পানিশূন্যতায় না ভোগে। যাঁরা এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করান, সেই মায়েদের খাদ্যতালিকায় বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।
রোজা রাখার ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয় বলে ইফতারের পর থেকে সাহ্রি পর্যন্ত কমপক্ষে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। সম্ভব হলে ভাজাপোড়া খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে। এসব খাবার শরীরকে ডিহাইড্রেট করে তোলে। মা ডিহাইড্রেশনে ভুগলে সন্তানও বুকের দুধ পাবে না।
মায়েদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলো, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারগুলো প্রতি মিলে ভাগ করে নিতে হবে। অনেকে ভারী ইফতার করেন এবং রাতে আর খান না। এটা না করে ইফতার থেকে সাহ্রি পর্যন্ত অল্প অল্প করে খাবার খাওয়া ভালো। তাতে শরীর সঠিকভাবে পুষ্টি পাবে। এতে দিনে রোজা রাখা অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানোর ক্ষেত্রেও সমস্য়ার সম্মুখীন হতে হবে না।
স্তন্যদায়ী মায়েদের খাবার মেনুতে সহজে হজম হয় এমন খাবার রাখতে হবে। মাছ ও মাংসের সঙ্গে অবশ্যই সবজিজাতীয় খাবার রাখতে হবে। খাবারগুলো কম ঝাল ও মসলায় ঝোল করে রাঁধতে হবে। এতে শরীরে পানির অভাব পূরণ হবে। খাওয়ার পর সালাদ খাওয়ার অভ্যাস করলে হজম-প্রক্রিয়া ভালোভাবে সম্পন্ন হবে। যতটা সম্ভব পানি, তাজা ফলের রস ও পানিসমৃদ্ধ ফল খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে। এতে মায়েদের শরীরও হাইড্রেট থাকবে এবং সন্তানও পর্যাপ্ত
দুধ পাবে।
স্তন্যদায়ী মায়েরা কোমল পানীয়, অতিরিক্ত ঝাল খাবার ও কফি, ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং বীজজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এগুলো খেলে সন্তানের পেটে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।
জেনে রাখা ভালো
ডা. রেজওয়ানা আফরিন, গাইনি অ্যান্ড অবস্, প্রভাষক, স্মার্ট লিভিং নার্সিং কলেজ, রংপুর

ইবোলা অত্যন্ত বিরল কিন্তু মারাত্মক এবং প্রাণঘাতী একটি রোগ। এটি ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। মূলত তিন প্রজাতির ইবোলা ভাইরাস মানুষের মধ্যে প্রাদুর্ভাব ঘটায়। ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলার বর্তমান প্রাদুর্ভাব ‘বুন্দিবুগিও’ নামক একটি সুনির্দিষ্ট প্রজাতির ভাইরাসের কারণে হচ্ছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একটি শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল আর অন্য পাঁচ শিশু মৃত্যুবরণ করেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
১ দিন আগে
গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে ইবোলার প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ হিসেবে ‘জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
১ দিন আগে
মাত্র ৬২ দিনে সংক্রামক রোগ হাম ও এর উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা সাড়ে চার শ ছাড়িয়ে গেছে। গত কয়েক দশকে এত অল্প সময়ে সংক্রামক কোনো রোগে এত বেশি শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। বিশ্বেই সম্পূর্ণ নতুন রোগ করোনা সংক্রমণের শুরুর প্রথম নয় সপ্তাহে (৬৩ দিন) দেশে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় সোয়া তিন শ মানুষের।
২ দিন আগে