প্রশ্ন: আমার বয়স ৬০ বছর। প্রায় ২১ বছর ধরে ডায়াবেটিস। বর্তমানে দাঁতের ওপরের অংশ (চিবানোর অংশ) কিছুটা ক্ষয় হয়ে গেছে। শক্ত কিছু চিবোতে কষ্ট হয়।খেজুর, চকোলেট কিংবা এজাতীয় কোনো জিনিস খেলে, বিশেষ করে ওপরের মাড়ির দাঁতগুলো প্রচণ্ড ব্যথা করে এবং ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় ধরে এ ব্যথা থাকে।
আবদুর রহীম, ঢাকা
উত্তর: দাঁতে ব্যথা অনেক কারণে হতে পারে। আগে কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিলে আশা করি আপনার সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে। দাঁতের গোড়ায় পাথর জমা অথবা দাঁতে ক্ষয় বা দাঁতে ক্যাভিটি বা গর্ত থাকলে, এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই যত দ্রুত সম্ভব আপনার নিকটস্থ বিডিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নিন। আশা করি আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। এ ছাড়া বাসায় কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি লবণ দিয়ে কুলকুচা করবেন দিনে তিন থেকে চারবার। দাঁতের শিরশির ভাব রোধ করার জন্য কিছু টুথপেস্ট পাওয়া যায়, সেগুলো দাঁতের গোড়ায় ২ মিনিট লাগিয়ে রেখে ব্রাশ করবেন।
প্রশ্ন: আমার বয়স ৩০ বছর। তেল-ঝালযুক্ত খাবার খাই না। বাইরের খাবারও কম খাওয়া হয়। স্য়ুপ ধরনের খাবার ও ভিটামিন সি-জাতীয় ফল বেশি খাওয়া হয়। ওপরের পাটির সামনের দুই দাঁত ক্ষয়ে যাচ্ছে। যেহেতু ক্ষয়ে যাচ্ছে, সে কারণে জোরে কামড়ে খেতে হয় এমন শক্ত খাবার এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। তা ছাড়া, আমার মা ও বোনেরও এই দাঁত ক্ষয়ে যাওয়ার ইতিহাস আছে। কী করলে এই ক্ষয় রোধ হতে পারে? কোনোভাবে কি সামনের দাঁত দুটো ঠিক করার উপায় আছে?
আলেয়া বেগম, গাইবান্ধা
উত্তর: অতিরিক্ত টক খাবার খেলে দাঁত ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ছাড়া যেহেতু আপনার পারিবারিক ইতিহাস আছে, তাই আপনার দাঁতেও ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কা আছে। দাঁতের ক্ষয় যেসব কারণে হচ্ছে, সেগুলো শনাক্ত করে সমাধানের চেষ্টা করুন। দাঁতের ক্ষয় ঠিক করা সম্ভব। কতটুকু ক্ষয় হয়েছে, তার ওপর নির্ভর করবে আপনার দাঁতে কোন ধরনের চিকিৎসা প্রয়োজন। তাই নিকটস্থ বিডিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা শুরু করুন। আর চেষ্টা করবেন বেশি করে চিবোতে হয় এ রকম খাবার খেতে, বিশেষ করে আঁশযুক্ত খাবার। তা ছাড়া ক্যালসিয়াম-জাতীয় খাবারও আপনার খাদ্যতালিকায় রাখার চেষ্টা করবেন।
প্রশ্ন: আমার দাঁতে অনেক দাগ পড়েছে। স্কেলিং করেছি সাত থেকে আট বছর আগে। শুনেছি স্কেলিং করালে দাঁতের গোড়া নরম হয়ে যায়। এটা কি সত্য়? কত দিন পরপর করা যায়?
আরাফাত সাগর, নড়াইল

উত্তর: স্কেলিং করালে দাঁতের গোড়া নরম হয়ে যায়, এটি ভুল ধারণা। আসলে চিকিৎসকের কাছে যখন স্কেলিংয়ের রোগীরা যায়, তত দিনে তাদের দাঁতের গোড়ায় অনেক বেশি পাথর জমে। ফলে স্কেলিং করে সে পাথর সরানোর কারণে মাড়ি অনেক সরে যায়। এই মাড়ি আগের অবস্থায় আসতে কিছু সময় লাগে। এই সময়টুকুতে অনেকে মনে করেন, দাঁতের গোড়া নরম হয়ে গেছে অথবা দাঁত আলগা হয়ে গেছে। স্কেলিং করার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। দাঁতে ক্যালকুলাস বা পাথর জমলেই স্কেলিং করা প্রয়োজন। অনেকের ছয় মাস পরপর করাতে হয় আবার অনেকের পাঁচ থেকে ছয় বছর পর করালেও চলে। বুদ্ধিমানের কাজ হলো, একজন বিডিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসককে দেখিয়ে স্কেলিং করা। আপনার দাঁতের দাগ স্কেলিং করালেই চলে যাবে, কিন্তু দাঁত সাদা করা যাবে না। দাঁত সাদা করার জন্য অন্য চিকিৎসা আছে।
প্রশ্ন: আমার নিচের পাটির দাঁত বলতে গেলে সবই আঁকাবাঁকা। ফলে জিহ্বাও সে রকম কাটা বা বক্রাকারের হয়ে গেছে। এ কারণে কি উচ্চারণে সমস্যা হতে পারে? কোন কারণে দাঁত আঁকাবাঁকা হয়ে গজায়, সেটাও জানাবেন। আমার মেয়ের দাঁতও এমন আঁকাবাঁকা করে গজানো।
শীলা পারভীন, বরগুনা
উত্তর: দাঁত আঁকাবাঁকা হওয়ার অনেক কারণ আছে। শিশুর দুধদাঁত পড়ে আসল দাঁত ওঠার একটা নির্দিষ্ট সময় আছে। সেই সময়ের আগে অথবা পরে দুধদাঁত ফেললে আসল দাঁত আঁকাবাঁকা হয়ে ওঠে। জিহ্বা ভারী অথবা জিহ্বার কোনো অস্বাভাবিকতা থাকলে কথায় একধরনের জড়তা আসে। যদি কথা বলতে কোনো সমস্যা না হয়, তাহলে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। শিশুর দাঁত তোলার ক্ষেত্রে বিডিএস ডিগ্রিধারী একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। যেসব দাঁত নড়ে পড়ে যাবে, সেগুলো নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। কারণ, এসব দাঁতের ক্ষেত্রে বুঝতে হবে, নিচে আসল দাঁত চলে এসেছে বলেই দুধদাঁত নড়েছে। যদি এমন হয়, দুধদাঁত নড়ছে না, কিন্তু আসল দাঁত চলে আসছে, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের কাছে গিয়ে দুধদাঁত ফেলে দিতে হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন— ডা. পূজা সাহা, ডেন্টাল সার্জন, সিকদার ডেন্টাল কেয়ার, মিরপুর, ঢাকা।

দেশে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হচ্ছে দুই দশকের বেশি সময় ধরে। বাদুড় বা পাখির মাধ্যমে ছড়ানো নিপাহ ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকতে বিশেষজ্ঞরা কয়েক বছর ধরে খেজুরের কাঁচা রসপান এবং বাদুড় বা পাখির আধখাওয়া ফল না খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
৪ দিন আগে
দেশে এখনো বছরে নতুন করে ৩ হাজারের বেশি কুষ্ঠ রোগী শনাক্ত হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, এতে ২০৩০ সালের মধ্যে এ রোগের সংক্রমণ শূন্যে নামিয়ে আনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশের ৮২ লাখ মানুষ এক বা একাধিক ধরনের মাদক ব্যবহার করছেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ। মাদক ব্যবহারকারীদের বড় একটি অংশ তরুণ। আর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ ১৮ বছর বয়সের আগেই প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করে।
৬ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসে কোনো হাসপাতালের চিকিৎসকদের পার্কিং লটের দিকে তাকালে মনে হতে পারে যেন কোনো জার্মান বিলাসবহুল গাড়ির শোরুম। বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ থেকে শুরু করে বিশ্বের দামি সব ব্র্যান্ডের ভিড় সেখানে।
৭ দিন আগে