
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত প্রায় চার মাসে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৭৫০ জনে।
আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশে ১২৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ৯০১ জনের। সর্বশেষ মারা যাওয়া তিনজন ঢাকা, সিলেট ও বরিশালের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
সরকারের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ জনের। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ৬৫৭ জন মারা গেছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ৭৫০।
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৮৫ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই আছে রাজশাহী বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ৮৯ জন। এ ছাড়া সিলেটে ৮৮, চট্টগ্রামে ৫৩, বরিশালে ৪২, ময়মনসিংহে ৬২, খুলনায় ২৯ ও রংপুর বিভাগে ৯ জন মারা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা বিভাগের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩১১ জন। আর রাজশাহীতে ১৭, সিলেটে ৬৫, চট্টগ্রামে ১৯০, বরিশালে ১১০, ময়মনসিংহে ৫২, খুলনায় ৪৬ ও রংপুরে ৯ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ নিয়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৯২ হাজার ৮৩১ জনে; যার মধ্যে ৮৯ হাজার ২৩৪ জন হাসপাতাল ছেড়েছে।
আর দেশে হাম উপসর্গের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৮৯৯ জনে এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৩২৬।

ওষুধের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখাই ওষুধনীতির একমাত্র বা মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। রোগীর সামর্থ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখতে বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণ প্রয়োজন।
১ দিন আগে
দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৯০৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এ নিয়ে মোট ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩৪ জন।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৭৬ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৪২ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৪৯, চট্টগ্রামে ৬৪, খুলনায় ৩৩, ময়মনসিংহে ৭৪, রাজশাহীতে ৯২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
২ দিন আগে
হৃদ্পেশিতে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহকারী কোনো করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণত হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন ঘটে। ফলে হৃৎযন্ত্রের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ ব্যাহত হয়। দীর্ঘ সময় এই অবস্থা চলতে থাকলে হৃদ্পেশির ক্ষতি এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
২ দিন আগে