সারা দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে হামের নিশ্চিত সংক্রমণে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ওই দুইজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে চলতি বছরের গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬৫৪ জন। আর নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯৩ জনের। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪৭ জন।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৮১৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ জন। সর্বশেষ নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্তের সংখ্যা ১২৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১৩ হাজার ১৯৮ জন রোগীর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
সরকারের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯২ হাজার ৩১ জন রোগী। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৮ হাজার ৪১৯ জন রোগী।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে যে দুইজন মারা গেছে, তাদের একজন ঢাকা বিভাগের। আরেকজন সিলেট বিভাগের।

ওষুধের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখাই ওষুধনীতির একমাত্র বা মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। রোগীর সামর্থ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখতে বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণ প্রয়োজন।
১ দিন আগে
দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৯০৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এ নিয়ে মোট ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩৪ জন।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৭৬ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৪২ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৪৯, চট্টগ্রামে ৬৪, খুলনায় ৩৩, ময়মনসিংহে ৭৪, রাজশাহীতে ৯২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
২ দিন আগে
হৃদ্পেশিতে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহকারী কোনো করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণত হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন ঘটে। ফলে হৃৎযন্ত্রের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ ব্যাহত হয়। দীর্ঘ সময় এই অবস্থা চলতে থাকলে হৃদ্পেশির ক্ষতি এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
২ দিন আগে