একবার সক্রিয় হয়ে গেলে ক্যানসার কোষের ঝিল্লিগুলো ‘বিচ্ছিন্ন’ করার জন্য অণুর একটি বিশেষ রূপ পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অবস্থিত রাইস ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা প্রতিশ্রুতিশীল নতুন গবেষণার মাধ্যমে এমন সাফল্য পেয়েছেন।
অ্যামিনোসায়ানাইন নামে পরিচিত ওই অণু সাধারণত মেডিকেল ইমেজিংয়ে সিন্থেটিক রঞ্জক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাদের পরমাণুগুলো একযোগে কম্পন করতে পারে এবং কাছাকাছি ইনফ্রারেড আলোর সঙ্গে ধাক্কা খেলে একটি ‘প্লাজমন’ গঠন করতে পারে। এর ফলে ক্যানসার কোষের ঝিল্লি ফেটে যায়।
দ্য ইনডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ এই পদ্ধতিকে ‘আণবিক জ্যাক হ্যামার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিজ্ঞানীরা। শুধু তাই নয়, এই পদ্ধতিতে তাঁরা অবিশ্বাস্য ফল পেয়েছেন।
মানুষের ত্বকের ক্যানসার মেলানোমা কোষের বিরুদ্ধে নতুন পদ্ধতিটি ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকর দেখা গেছে। পাশাপাশি এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা চালিয়ে মেলানোমা টিউমারসহ অর্ধেক ইঁদুরকে ক্যানসারমুক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
রাইস ইউনিভার্সিটির গবেষক এবং নতুন গবেষণাটির প্রধান লেখক সিসেরন আয়ালা-ওরোজকো জানিয়েছেন, অ্যামিনোসায়ানাইন অণুগুলো একটি সাধারণ রং, যা দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ব্যবহার করে আসছে। এগুলো জৈব সামঞ্জস্যপূর্ণ, পানিতে স্থিতিশীল এবং কোষের চর্বিযুক্ত বাইরের আস্তরণের সঙ্গে নিজেকে খুব ভালোভাবে সংযুক্ত করতে পারে।
এই পদ্ধতিতে ইনফ্রারেড আলোর ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটির সাহায্যে শরীরের গভীরে যেতে সক্ষম হন বিজ্ঞানীরা। এই পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার ছাড়াই হাড়সহ অন্যান্য অঙ্গের ক্যানসারের চিকিৎসা করা যেতে পারে।
গবেষণাটি গত মাসের (ডিসেম্বর) শুরুতে নেচার কেমিস্ট্রি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল। ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এটিকে আরেকটি যুগান্তকারী আবিষ্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশে কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও সার্বিক কল্যাণ উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করতে সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ এবং পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। সোমবার (১৮ মে) এই স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোয় (ডিআর কঙ্গো) ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। দেশটিতে এই মারাত্মক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১০০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া এ পর্যন্ত ৩৯০ জনের বেশি মানুষ ইবোলায় আক্রান্ত হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইবোলা অত্যন্ত বিরল কিন্তু মারাত্মক এবং প্রাণঘাতী একটি রোগ। এটি ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। মূলত তিন প্রজাতির ইবোলা ভাইরাস মানুষের মধ্যে প্রাদুর্ভাব ঘটায়। ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলার বর্তমান প্রাদুর্ভাব ‘বুন্দিবুগিও’ নামক একটি সুনির্দিষ্ট প্রজাতির ভাইরাসের কারণে হচ্ছে।
২ দিন আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একটি শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছিল আর অন্য পাঁচ শিশু মৃত্যুবরণ করেছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
২ দিন আগে