দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে ৮০৩ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৭০৮ জন এবং নিশ্চিত হামে ৯৫ জন মারা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) ৯০৪ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছে। তাদের মধ্যে ভর্তি হয়েছে ৮৩৪ জন। এই সময়ে নমুনা পরীক্ষায় ১৩৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
সারা দেশে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার ৩৫২ জন চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসেছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৩ হাজার ৭৮ জনকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩০৭ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেট বিভাগে ১০৫, রাজশাহীতে ৯০, চট্টগ্রামে ৫৬, বরিশালে ৪৩, ময়মনসিংহে ৬৭, খুলনায় ৩১ ও রংপুর বিভাগে ৯ জন মারা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত যারা হাসপাতালে গেছে, তাদের মধ্যে ১৪ হাজার ৮৪১ জনের ক্ষেত্রে নমুনা পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গের রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৪৮ আর নিশ্চিত হামের রোগী ১৪ হাজার ৭০৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ২৪৪ জন, যাদের মধ্যে ৯৮ হাজার ৪১১ জন ছাড়পত্র পেয়েছে।
১ দিন আগে
গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাম উপসর্গের রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৭০ আর নিশ্চিত হামের ১৪ হাজার ৫৭৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ২৬ জন, যাদের মধ্যে ৯৭ হাজার ৫৩২ জন ছাড়পত্র পেয়েছে।
২ দিন আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের। এর মধ্যে চলতি মাসে ১৯ জন মারা গেছে। আর জানুয়ারিতে দুই, ফেব্রুয়ারিতে দুই, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২ দিন আগে
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর সরকার এমআর (মিজেলস-রুবেলা) টিকাদানের বিশেষ কর্মসূচি শুরু করে। দেড় মাস ধরে কয়েক ধাপে পরিচালিত এই কর্মসূচির শেষ দফার টিকা প্রয়োগেরও দুই মাস পেরিয়ে গেছে। তবে অতিসংক্রামক এই রোগের সংক্রমণ ও মৃত্যু এখনো আশানুরূপভাবে কমেনি। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষ এই টিকাদান...
৩ দিন আগে