ডা. মো. সফিউল ইসলাম প্রধান

‘স্ট্রোক’ শব্দটি শুনলে প্রথমে মস্তিষ্কের কথা মনে হয়। আবার স্ট্রোকের সঙ্গে যোগ রয়েছে হার্টেরও। গরম, আপেক্ষিক আর্দ্রতাজনিত কষ্ট সহ্য করতে না পেরে বহু মানুষ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন এবার। এমনকি মারাও গেছেন! এসব খবর সাধারণ মানুষের মনে বেশ ভয় ধরিয়েছে। গরমের দাপটে কিংবা কোনোভাবে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে একইভাবে স্ট্রোক যে চোখেও হতে পারে, সে সম্পর্কে হয়তো অনেকের ধারণা নেই।
চোখ হলো শরীরের স্পর্শকাতর ইন্দ্রিয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। ঘুমের সময়টুকু বাদ দিলে দিনের বেশির ভাগ সময় চোখ খোলা থাকে।বাতাসে মিশে থাকা ধুলা, ময়লা, জীবাণুর সঙ্গে গরম হাওয়ার আঁচ সরাসরি চোখে এসে লাগে। সেখান থেকেই শুরু হয় ইনফ্লামেশন, অর্থাৎ প্রদাহ। স্বাভাবিক রক্ত চলাচল ব্যাহত হলে চোখের চাপ বেড়ে যায়। রেটিনা রক্তবর্ণ হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় চিকিৎসায় হেলাফেলা করলে দুটি চোখেরই দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হতে পারে। তা ছাড়া চোখের সঙ্গে মস্তিষ্কের সরাসরি যোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রক্তচাপ বা শর্করা অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকলেও এর প্রভাব চোখের ওপর পড়ার আশঙ্কা থাকে। সে কারণেও চোখে স্ট্রোক হয়।
চোখে স্ট্রোকের লক্ষণ
চোখে স্ট্রোক বোঝার উপায়
ফ্লোটারস
সাদা দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকলেও মনে হতে পারে, এর গায়ে যেন ধূসর ধূলিকণা ঘুরে বেড়াচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘ফ্লোটারস’ বলা হয়।
ঝাপসা দৃষ্টি
চোখে স্ট্রোক হলে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে চোখের নির্দিষ্ট একটি অংশ ঝাপসা হয়ে যেতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে পুরো দৃষ্টিশক্তিই ঝাপসা হয়ে যায়। পরিস্থিতি জটিল হলে দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কাও থাকে।
চোখের অতিরিক্ত চাপ
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চোখে স্ট্রোক হলে রোগী তা বুঝতে পারে না। কারণ, চোখে বিশেষ কোনো কষ্ট বা যন্ত্রণা হয় না। তবে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। একটু সচেতন থাকলে সেই অস্বস্তি টের পাওয়া যায়। অনেক সময় রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে রেটিনার ওপর তা ছড়িয়ে পড়ে। তাই চোখ রক্তবর্ণ হয়ে যায়।
চোখের স্ট্রোক প্রতিরোধের উপায়
পরামর্শ দিয়েছেন: সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ আই হসপিটাল মিরপুর লিমিটেড মিরপুর-২, ঢাকা

‘স্ট্রোক’ শব্দটি শুনলে প্রথমে মস্তিষ্কের কথা মনে হয়। আবার স্ট্রোকের সঙ্গে যোগ রয়েছে হার্টেরও। গরম, আপেক্ষিক আর্দ্রতাজনিত কষ্ট সহ্য করতে না পেরে বহু মানুষ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন এবার। এমনকি মারাও গেছেন! এসব খবর সাধারণ মানুষের মনে বেশ ভয় ধরিয়েছে। গরমের দাপটে কিংবা কোনোভাবে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে একইভাবে স্ট্রোক যে চোখেও হতে পারে, সে সম্পর্কে হয়তো অনেকের ধারণা নেই।
চোখ হলো শরীরের স্পর্শকাতর ইন্দ্রিয়গুলোর মধ্যে অন্যতম। ঘুমের সময়টুকু বাদ দিলে দিনের বেশির ভাগ সময় চোখ খোলা থাকে।বাতাসে মিশে থাকা ধুলা, ময়লা, জীবাণুর সঙ্গে গরম হাওয়ার আঁচ সরাসরি চোখে এসে লাগে। সেখান থেকেই শুরু হয় ইনফ্লামেশন, অর্থাৎ প্রদাহ। স্বাভাবিক রক্ত চলাচল ব্যাহত হলে চোখের চাপ বেড়ে যায়। রেটিনা রক্তবর্ণ হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় চিকিৎসায় হেলাফেলা করলে দুটি চোখেরই দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হতে পারে। তা ছাড়া চোখের সঙ্গে মস্তিষ্কের সরাসরি যোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রক্তচাপ বা শর্করা অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকলেও এর প্রভাব চোখের ওপর পড়ার আশঙ্কা থাকে। সে কারণেও চোখে স্ট্রোক হয়।
চোখে স্ট্রোকের লক্ষণ
চোখে স্ট্রোক বোঝার উপায়
ফ্লোটারস
সাদা দেয়ালের দিকে তাকিয়ে থাকলেও মনে হতে পারে, এর গায়ে যেন ধূসর ধূলিকণা ঘুরে বেড়াচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘ফ্লোটারস’ বলা হয়।
ঝাপসা দৃষ্টি
চোখে স্ট্রোক হলে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে চোখের নির্দিষ্ট একটি অংশ ঝাপসা হয়ে যেতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে পুরো দৃষ্টিশক্তিই ঝাপসা হয়ে যায়। পরিস্থিতি জটিল হলে দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কাও থাকে।
চোখের অতিরিক্ত চাপ
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চোখে স্ট্রোক হলে রোগী তা বুঝতে পারে না। কারণ, চোখে বিশেষ কোনো কষ্ট বা যন্ত্রণা হয় না। তবে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। একটু সচেতন থাকলে সেই অস্বস্তি টের পাওয়া যায়। অনেক সময় রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে রেটিনার ওপর তা ছড়িয়ে পড়ে। তাই চোখ রক্তবর্ণ হয়ে যায়।
চোখের স্ট্রোক প্রতিরোধের উপায়
পরামর্শ দিয়েছেন: সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ আই হসপিটাল মিরপুর লিমিটেড মিরপুর-২, ঢাকা

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
২ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৩ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৩ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
৩ দিন আগে