
চিকিৎসা সেবাকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে মানুষকে আর চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে হবে না, বরং ডাক্তাররাই মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেবেন। আমরা চিকিৎসা সেবাকে সর্বজনীন করার মানসিকতা নিয়ে এগোচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের এই লক্ষ্য দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
আজ শুক্রবার দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার হাফিজপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সম্পূর্ণভাবে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটমুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা আমাদের ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি—উভয় পক্ষের প্রতিই আমাদের সমান দায়বদ্ধতা রয়েছে। সব ধরনের প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ ভুলে আমরা মুক্তিযুদ্ধের সব পক্ষের মানুষকে নিয়ে একটি নতুন সমৃদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলব।’
নিজ জেলা নরসিংদীর স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন মন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, ‘নরসিংদীতে একটি নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু নরসিংদী নয়, দেশের যেখানেই প্রয়োজন হবে সেখানেই মেডিকেল কলেজ করা হবে।’
এ ছাড়া নরসিংদীর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালসহ যে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি, সেগুলো দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। জেলায় জরুরি চিকিৎসার মানোন্নয়নে দুটি আধুনিক আইসিইউ (আইসিইউ) ইউনিট স্থাপনের ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।
এর আগে সকালে মন্ত্রী তাঁর নিজ বাড়িতে পৌঁছালে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নরসিংদীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. কলিমুল্লাহসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ওষুধের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখাই ওষুধনীতির একমাত্র বা মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। রোগীর সামর্থ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ টেকসই রাখতে বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণ প্রয়োজন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে গত এক দিনে ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৯০৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এ নিয়ে মোট ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চলতি মাসেই মারা গেছে ৩৪ জন।
৪ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৭৬ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই রয়েছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৪২ জন। এ ছাড়া বরিশালে ৪৯, চট্টগ্রামে ৬৪, খুলনায় ৩৩, ময়মনসিংহে ৭৪, রাজশাহীতে ৯২ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
হৃদ্পেশিতে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহকারী কোনো করোনারি ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণত হার্ট অ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন ঘটে। ফলে হৃৎযন্ত্রের প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ ব্যাহত হয়। দীর্ঘ সময় এই অবস্থা চলতে থাকলে হৃদ্পেশির ক্ষতি এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।
৮ ঘণ্টা আগে