
শীতকে বিদায় জানিয়ে চলে এসেছে ঋতুরাজ বসন্ত। প্রকৃতিতে ছড়াচ্ছে উষ্ণতা। এই অবস্থায় ঋতু পরিবর্তনজনিত কারণে অনেকেই এখন সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় অনুসরণ করলেই রোগীর কষ্ট কিছুটা কমানো সম্ভব।
সর্দি-জ্বরে প্রচুর পানি পান করা অত্যাবশ্যক। এতে পানিশূন্যতা রোধ হয়। এ ছাড়া উষ্ণ পানীয়ও পান করতে পারেন। উষ্ণ পানীয় বন্ধ নাক খুলতে সহায়ক। পাশাপাশি পানিশূন্যতাও কমায়। কাজেই, সর্দি-জ্বরে গরম পানি, চা-কফি খুব সহায়ক। এ ছাড়া মধু খেতে পারেন।
সর্দি-জ্বর মানেই শরীর ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। শরীর তখন রোগপ্রতিরোধ-ব্যবস্থাকে শক্তির জোগান দিতে ব্যস্ত থাকে। কাজেই, এই অবস্থায় রোগী যদি বিশ্রাম না নেন, তাহলে রোগের বিরুদ্ধে এ লড়াই ব্যাহত হয়। সর্দি-জ্বরে বিশ্রাম হলো প্রথম চিকিৎসা। ঘুমানোর সময় অতিরিক্ত একটি বালিশ মাথার নিচে রাখুন। এই পদ্ধতি ঘুমের মধ্যে নাক বন্ধ হওয়া ঠেকাবে।
গলাব্যথায় গড়গড়া কুলি খুব কাজে দেয়। হালকা গরম পানিতে এক টেবিল চামচ পরিমাণ লবণ মিশিয়ে দিনে চারবার গড়গড়া করুন। দেখবেন, গলাব্যথা অনেকটা কমে গেছে। দুই কাপ পরিমাণ হালকা গরম পানিতে এক টেবিল চামচ পরিমাণ লেবুর রস ও এক চা-চামচ পরিমাণ মধু মিশিয়েও গড়গড়া করতে পারেন। তবে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের কিছুতেই মধু দেওয়া উচিত নয়।
সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হলে উষ্ণ পানি দিয়ে গোসল করলে আরাম পাওয়া যায়।
সর্দি-কাশিতে নাকে শ্লেষ্মা জমবেই। কাজেই নিয়মিত নাক ঝেড়ে সেই শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে হবে। তবে অনেক জোর দিয়ে নাক পরিষ্কার করা যাবে না। এতে কানে ব্যথা হতে পারে। নাক ঝাড়ার সঠিক উপায় হলো আঙুল দিয়ে নাকের এক পাশ বন্ধ করে অপর পাশ দিয়ে হালকা জোরে শ্বাস ছাড়া। এক পাশ পরিষ্কার করার পর অপর পাশেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
তথ্যসূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েবএমডি।

প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ নটর ডেম অ্যালামনাই অব নর্থ আমেরিকার উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য প্যালিয়েটিভ কেয়ার সেনসিটাইজেশন অনুষ্ঠান হয়ে গেল। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি, নটর ডেম ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সার্বিক সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়টির ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়...
১ দিন আগে
দরজায় কড়া নাড়ছে মাহে রমজান, মুসলিম জাতির জন্য শ্রেষ্ঠ মাস। সুন্দরভাবে সিয়াম সাধনা করতে আগে থেকে মাসটি নিয়ে থাকে অনেক পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনার একটা বড় অংশ হচ্ছে মাহে রমজানের খাওয়াদাওয়া। কীভাবে খাবার খেলে কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই রোজা রাখা যাবে, সেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
৩ দিন আগে
রমজান এলে বড়দের মতো অনেক কিশোর-কিশোরী রোজা রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, পুষ্টির ঘাটতি ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের খাবার ব্যবস্থাপনা করা এ সময় বেশ কঠিন। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে অল্প পরিমাণে খাবার খেয়ে সহজে পুষ্টির চাহিদা পূরণের পথ খুঁজতে হয়।
৩ দিন আগে
পবিত্র রমজান মাসে মুসলমানরা সংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির চর্চা করেন। এ সময় অনেকে দৈনন্দিন জীবনযাপনে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেন, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসংক্রান্ত বিষয়ে। নাক-কান-গলার (ইএনটি) কোনো সমস্যা দেখা দিলে রোজা রেখে চিকিৎসা গ্রহণ করা যাবে কি না—এ প্রশ্ন প্রায়ই রোগীদের মনে সংশয় তৈরি করে।
৩ দিন আগে