নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়েই সংক্রমণের পাশাপাশি অসংক্রামক রোগের বিস্তার ঘটছে। কিন্তু এটি প্রতিরোধে যে চিকিৎসা দরকার, তাতে এখনো ঘাটতি রয়েছে।’
আজ রোববার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ইউরোলজিক্যালস সার্জনস আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অসংক্রামক রোগে ৬৭ ভাগ মানুষ ভুগছে। কিন্তু প্রতিরোধব্যবস্থা এখনো সেভাবে এগোচ্ছে না। তবে সরকার হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস ও কিডনি চিকিৎসায় উন্নতির চেষ্টা করছে। বৈজ্ঞানিক সেমিনারের মাধ্যমে এসব রোগ নিরাময়ে আধুনিক চিকিৎসার পথ তৈরি হয়। মান বাড়ে, ফলে সেবার গুণগত পরিবর্তন হয়।’
জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে যত কিডনি রোগী রয়েছে, তাদের অধিকাংশই জানে না কীভাবে কিডনি নষ্ট হচ্ছে। আগামীতে স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুরোপুরি আধুনিকায়ন হলে মানুষের সেবা নেওয়ার হার বাড়বে। কিডনি চিকিৎসা আরও উন্নত হওয়া দরকার। আইনও করেছে সরকার। কিন্তু কিডনি প্রতিস্থাপন সেভাবে হচ্ছে না। যেখানে প্রতিবছর ৫ হাজার প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, সেখানে হচ্ছে মাত্র ১ হাজার ২০০-এর মতো।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আটটি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হচ্ছে। প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ১০টি আইসিইউ ও ১০টি ডায়ালাইসিস সেন্টার চালুর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। শিগগিরই এসব হাসপাতাল চালু হতে পারে। এতে করে সেবার মান বাড়বে। তবে স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নতি করতে হলে জনবল ও অনেক স্পেশালিস্টের দরকার, সেটিতে আমাদের ঘাটতি রয়েছে। কোনো বিভাগে কত স্পেশালিস্ট দরকার, সেই তালিকা কখনো ছিল না, এখন করার চেষ্টা চলছে। মন্ত্রণালয় সেই উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে যে জনবল আছে, তা আরও দ্বিগুণ করতে হবে।’ তবে সরকার চাইলেই এক দিনে এটি করতে পারে না বলেও জানান মন্ত্রী।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়েই সংক্রমণের পাশাপাশি অসংক্রামক রোগের বিস্তার ঘটছে। কিন্তু এটি প্রতিরোধে যে চিকিৎসা দরকার, তাতে এখনো ঘাটতি রয়েছে।’
আজ রোববার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ইউরোলজিক্যালস সার্জনস আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অসংক্রামক রোগে ৬৭ ভাগ মানুষ ভুগছে। কিন্তু প্রতিরোধব্যবস্থা এখনো সেভাবে এগোচ্ছে না। তবে সরকার হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস ও কিডনি চিকিৎসায় উন্নতির চেষ্টা করছে। বৈজ্ঞানিক সেমিনারের মাধ্যমে এসব রোগ নিরাময়ে আধুনিক চিকিৎসার পথ তৈরি হয়। মান বাড়ে, ফলে সেবার গুণগত পরিবর্তন হয়।’
জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে যত কিডনি রোগী রয়েছে, তাদের অধিকাংশই জানে না কীভাবে কিডনি নষ্ট হচ্ছে। আগামীতে স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুরোপুরি আধুনিকায়ন হলে মানুষের সেবা নেওয়ার হার বাড়বে। কিডনি চিকিৎসা আরও উন্নত হওয়া দরকার। আইনও করেছে সরকার। কিন্তু কিডনি প্রতিস্থাপন সেভাবে হচ্ছে না। যেখানে প্রতিবছর ৫ হাজার প্রতিস্থাপন প্রয়োজন, সেখানে হচ্ছে মাত্র ১ হাজার ২০০-এর মতো।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আটটি বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হচ্ছে। প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে ১০টি আইসিইউ ও ১০টি ডায়ালাইসিস সেন্টার চালুর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। শিগগিরই এসব হাসপাতাল চালু হতে পারে। এতে করে সেবার মান বাড়বে। তবে স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নতি করতে হলে জনবল ও অনেক স্পেশালিস্টের দরকার, সেটিতে আমাদের ঘাটতি রয়েছে। কোনো বিভাগে কত স্পেশালিস্ট দরকার, সেই তালিকা কখনো ছিল না, এখন করার চেষ্টা চলছে। মন্ত্রণালয় সেই উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে যে জনবল আছে, তা আরও দ্বিগুণ করতে হবে।’ তবে সরকার চাইলেই এক দিনে এটি করতে পারে না বলেও জানান মন্ত্রী।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে