বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএসএমএমইউ) বিভিন্ন ধরনের প্রায় ২০ হাজার কিট দিয়েছে চীন ভিত্তিক সিনোভ্যাক বায়োটেক (বাংলাদেশ) লিমিটেড। রক্ত পরীক্ষার এসব কিটের মধ্যে রয়েছে: এইচবিএসএজি, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, এবিও ব্লাড গ্রুপ টেস্টিং কিট।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিনোভ্যাক বায়োটেক (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চিছাও ঝাং কিটগুলো উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শরফুদ্দিন আহমেদের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ সময় অধ্যাপক ডা. মো. শরফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘রক্ত পরীক্ষার কিট হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে বিএসএমএমইউ ও সিনোভ্যাকের মধ্যে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হলো। এই অনুদানের জন্য সিনোভ্যাক বায়োটেককে আন্তরিক ধন্যবাদ। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে রক্ত পরিসঞ্চালন সম্পর্কিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে তাঁদের সঠিক চিকিৎসাসেবায় সহায়ক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’
অনুষ্ঠানে সিনোভ্যাক বায়োটেক (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চিছাও ঝাং বলেন, ‘সিনোভ্যাকের পক্ষ থেকে গরিব ও দুস্থ রোগীদের রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষায় ১৯ হাজার ৯৭৫টি কিট দেওয়া হয়েছে। পরিমাণে কিট অনেক কম হলেও রক্তের সঠিক পরীক্ষার এগুলো ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’
এ সময় বিএসএমএমইউয়ের রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত লাখ লাখ রোগী ভবিষ্যতে কেমোথেরাপি ছাড়াই নিরাপদে চিকিৎসা নিতে পারবেন বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। নতুন এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় এমন একটি ডিএনএ-ভিত্তিক পরীক্ষা পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা নির্ধারণ করতে পারে—কোন রোগী কেমোথেরাপি থেকে প্রকৃত উপকার পাবেন
১০ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩৩ জন ও নিশ্চিত হাম রোগী ৫৩ জন।
১৫ ঘণ্টা আগে
হামে মৃত্যু যেন থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ৭৩২ জন।
২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রে অনূর্ধ্ব ৫০ বছর বয়সী অর্থাৎ তুলনামূলক তরুণদের মধ্যে কোলন বা মলাশয়ের ক্যানসারের হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। অতি সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এর পেছনে মানুষের পরিপাকতন্ত্রে বা অন্ত্রে থাকা একটি নির্দিষ্ট বিষাক্ত উপাদানকে দায়ী করছেন, যার নাম ‘কলিব্যাকটিন’।
৩ দিন আগে