
সম্প্রতি সাভারে সাভার আওয়ামী লীগ নেতা তুষারকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করেছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
‘Mohammad Ayaan’ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে গত ১০ আগস্ট একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়, যা আলোচিত দাবিতে সম্ভাব্য সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে। প্রচারিত ওই ভিডিওটি ১৫ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৫ হাজার বারের বেশি দেখা হয়েছে। এ ছাড়া পোস্টটিতে ২ হাজার ৮০০ রিয়েকশন, ১৯৭ কমেন্ট ও ১ হাজার ৬০০ শেয়ার রয়েছে।
একই ক্যাপশনে ‘Tofazzel Hossen’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্টেও ভিডিওটি শেয়ার করা হয়।
আলোচিত দাবিতে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে ধারালো অস্ত্র নিয়ে এক ব্যক্তির ওপর হামলা চালাচ্ছেন এবং একপর্যায়ে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কি-ওয়ার্ড নিয়ে অনুসন্ধান চালানো হলেও সাভারে সম্প্রতি এমন কোনো হত্যাকাণ্ডের খবর জাতীয় গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।
পরে ভিডিওটির কয়েকটি কি-ফ্রেম নিয়ে অনুসন্ধানে ‘Habeeb.reporter’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে হুবহু একই ভিডিও পাওয়া যায়। গত ১০ আগস্ট পোস্ট করা ওই ভিডিওর তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি বাংলাদেশের কোনো এলাকার নয়। ভিডিওটি ভারতের গুজরাটের সুরাট শহরের ভেস্তান এলাকায় গত ৫ আগস্ট ঘটে যাওয়া একটি হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য। ওই ঘটনায় ‘গ্যাংস্টার’ সাতিশ ধাগড়ে ওরফে সতীশ মারাঠা নিহত হন। ভিডিওটি মূলত সেই ঘটনার।

আরও অনুসন্ধানে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘Free Press Journal’-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ওই প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবির সঙ্গে আলোচিত দাবিতে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির দৃশ্যগত হুবহু মিল রয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভারতের গুজরাটের সুরাটের ভেস্তান এলাকায় ৩২ বছর বয়সী সতীশ ধাগড়ে ওরফে সতীশ মারাঠা নামের এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। প্রতিবেদনে পুলিশের বরাতে বলা হয়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় গ্যাংগুলোর অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ নয়জনকে আটক করেছে।
এ ছাড়া ভারতীয় মূলধারার গণমাধ্যম এনডিটিভি ও দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস- এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও একই তথ্য পাওয়া যায়।

ভারতের গুজরাটের সুরাটের ভেস্তান এলাকায় সতীশ ধাগড়ে ওরফে সতীশ মারাঠাকে হত্যার ভিডিওকে সাভারে আওয়ামী লীগ নেতা তুষারকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের কুপিয়ে হত্যার দাবিতে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।

‘আমার এখানে বিদ্যুৎ আছে। গ্যাসও আছে। গাড়িতে তেল আছে। বাসায় নিয়মিত বাজার আছে। যারা বলছেন, এই নাই, সেই নাই— তারা ফ্যাসিস্টদের দোসর। আমি সজাগ আছি। আপনাকেও সজাগ থাকতে হবে’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্ধৃতি দাবিতে এমন ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
‘দেশে ফিরলেন ছাত্র আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী’—এমন একটি দাবি গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়েই তিনি দেশে ফিরলেন।
১ দিন আগে
‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরবেন, আই এম ভেরি ভেরি কনফিডেন্ট’—এটি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর উদ্ধৃতি দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে।
৩ দিন আগে
‘যে শিক্ষার্থী ১১ সাবজেক্টে এ প্লাস পায় সে এক সাবজেক্টে কীভাবে ফেইল করে? এই সরকার পরিকল্পিতভাবে জাতিকে মেধাশূন্য করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে শিক্ষার্থীদের সাথে এমন অবিচার করছে’—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
৩ দিন আগে