
‘নেপালি মুসলিম নিধনে নেমেছে হিন্দুত্ববাদীরা’—এমন একটি চাঞ্চল্যকর দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে (১, ২ ) পড়েছে।
‘Rx Ruman’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গত ৩ আগস্ট আলোচিত দাবিতে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়। শেয়ার করা ওই ভিডিওটি রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৩টা পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার বার দেখা হয়েছে। এ ছাড়া ভিডিওটিতে ২ হাজার রিয়েকশন, ১৯১ কমেন্ট ও ৫৭২ শেয়ার রয়েছে।
ছড়িয়ে পড়া পোস্টের কমেন্ট পর্যালোচনা করে নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একজন কমেন্টে লেখেন, ‘কট্টর হিন্দুদের উপর আল্লাহর গজব পড়ুক আমীন।’ আরেকজন বলেন, ‘সারা পৃথিবীতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী জাতি যে দেশে আছে সেটি নিরাপদ নয়... নেপাল ও ভারতে সংখ্যালঘু নির্যাতন লেগেই আছে।’ তবে অপর এক ব্যবহারকারী সন্দেহ প্রকাশ করে লেখেন, ‘এটা তো সিনেমার শুটিং হচ্ছে মনে হচ্ছে।’
প্রচারিত দাবির সত্যতা যাচাইয়ে নেপাল ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে অনুসন্ধান করা হলেও এমন কোনো খবরের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
পরবর্তী অনুসন্ধানে ‘Pravin Kumar’ নামের একটি ফেসবুক পেজে চলতি বছরের ১৫ জুন পোস্ট করা একটি ভিডিও পাওয়া যায়, যার সঙ্গে প্রচারিত ভিডিওর মিল রয়েছে। ওই পোস্টের ক্যাপশনে হিন্দিতে লেখা হয়েছে—মণি মিরাজের এই শুটিং ভিডিওটি দেখতে ভুলবেন না! শুটিংয়ের সময় অনেক মজা হয়েছে।

এই সূত্রের ধরে আরও অনুসন্ধানে ‘ওয়েভ মিউজিক’ (Wave Music) নামের একটি ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে গত ১৩ জুলাই প্রকাশিত একটি ভোজপুরি গান খুঁজে পাওয়া যায়। ‘राम जी रहम करि’ (রাম জি রাহাম কারি) শিরোনামের ওই মিউজিক ভিডিওটির একাধিক দৃশ্যের সঙ্গে আলোচিত ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়।
ওই ভিডিও থেকে জানা যায়, ভোজপুরি ঘরানার আরও একটি দুর্দান্ত ও হৃদয়ছোঁয়া গান ‘রাম জি রাহাম কারি’ এখন প্রকাশিত হয়েছে। এই গানে ভোজপুরির জনপ্রিয় কমেডি কিং মণি মেরাজ এবং চাঁদ জি-এর অসাধারণ অভিনয় ও উপস্থাপনা দেখা যাবে।
ভিডিওটির বর্ণনায় আরও বলা হয়েছে, গানটি আবেগ, নাটকীয়তা ও সংগীতের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। দর্শকদের ভিডিওটি 4K কোয়ালিটিতে দেখার পাশাপাশি লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

‘নেপালি মুসলিম নিধনে নেমেছে হিন্দুত্ববাদীরা’ দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটি মূলত ভোজপুরি মিউজিক ভিডিওর দৃশ্য।

সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট আনাক ক্রাকাতাউয়ে একাধিকবার অগ্ন্যুৎপাতে ঘটেছে। এ প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এগুলো সেই আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের দৃশ্য।
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাটোরে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে গাছে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে—এমন দাবিতে একটি ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। প্রচারিত ভিডিওতে এ ঘটনার জন্য বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের দায়ী করা হয়েছে।
৩ দিন আগে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অস্ত্র চালানোর দৃশ্য-সংবলিত একটি ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে এটিকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দাবি করা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
‘Mohammad Asif Uddin’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি শেয়ার করে দাবি করা হয়, ‘অসুস্থ বাবাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে বাবার চোখের সামনেই বিএনপির সন্ত্রাসীদের নির্মম নির্যাতনের শিকার ছাত্রলীগ কর্মী! মনে রেখো বাংলাদেশ।’
৪ দিন আগে