ফ্যাক্টচেক ডেস্ক

নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর নবুওয়াতের বয়স নিয়ে কদিন আগেই দ্বন্দ্বে জড়ান সময়ের আলোচিত দুই ইসলামি বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। এই দ্বন্দ্ব সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তাঁদের ভক্তসহ পুরো সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে পড়ে দুই ভাগে বিভক্ত।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তাঁরা দুজন ক্রিকেট খেলছেন। বল করছেন গিয়াস উদ্দিন তাহেরী, ব্যাটিংয়ে আছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। ভিডিওটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘শায়েখদ্বয় খেলে আর পাবলিক একে অপরকে গালি দিয়ে নিজেদের আমলনামা ভারী করে!’
মুহাম্মদ শাহ পরান নামের ফেসবুক পেজে গত মঙ্গলবার (২১ মে) এমন ক্যাপশনে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি আজ শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দেখা হয়েছে ৮৭ লাখ বার, রিয়েকশন পড়েছে ৪৪ হাজারের বেশি। একই ভিডিও ইউটিউব, টিকটকেও ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাল ভিডিওটি নিয়ে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগের অনুসন্ধানে দেখা যায়, আহমাদুল্লাহ–তাহেরীর ক্রিকেট খেলার ভিডিওটি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ধারণ করা দুটি আলাদা ভিডিও যোগ করে তৈরি করা হয়েছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিডিও যাচাই
রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে শায়খ আহমাদুল্লাহর ব্যাটিং করার ভিডিওটি পাওয়া যায় ২০২২ সালে। ওই বছর আকরাম নামের একটি ফেসবুক পেজে ৪৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ভিডিওতে শায়খ আহমাদুল্লাহকে ব্যাটিং করতে দেখা যাচ্ছে।
ভিডিওটিতে বোলিং প্রান্তে কে ছিলেন তা দেখা না গেলেও, শায়খ আহমাদুল্লাহর পরিহিত পোশাক, তাঁর পেছনে থাকা স্ট্যাম্প, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি ও ব্যক্তির সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়।
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর ভিডিও যাচাই
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বোলিং করার ভিডিওটি ফেসবুকে কি–ওয়ার্ড অনুসন্ধানে মেহেদী হাসান তাহেরি নামের একটি পেজে পাওয়া যায়। ৩ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই পেজটিতে পোস্ট করা হয়। ভিডিওটিতে থাকা তাহেরীর পোশাক, বোলিংয়ের ধরন ও ভিডিওতে দৃশ্যমান অবকাঠামোর সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়।
এতে দেখা যায়, গিয়াস উদ্দিন তাহেরী একদল কিশোর ও তরুণের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের বিভিন্ন উপদেশ দিচ্ছেন। পরে তিনি ওই কিশোরদের একজনকে টাকা দেন বল ও টেপ আনার জন্য। বল আনা হলে একপর্যায়ে তিনি নিজেই বলটিতে টেপ লাগাতে শুরু করেন এবং পরে বোলিং করেন। তাঁর বোলিংয়ের সময় ব্যাটিং প্রান্তে শায়খ আহমাদুল্লাহকে দেখা যায়নি। বরং সেখানে ব্যাট হাতে এক তরুণকে দেখা যায়।
অর্থাৎ, দুটি ভিন্ন সময় ও ভিন্ন স্থানে ধারণ করা আহমাদুল্লাহ ও তাহেরীর ক্রিকেট খেলার ভিডিও জোড়া দিয়ে ভাইরাল ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।

নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর নবুওয়াতের বয়স নিয়ে কদিন আগেই দ্বন্দ্বে জড়ান সময়ের আলোচিত দুই ইসলামি বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ ও মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। এই দ্বন্দ্ব সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তাঁদের ভক্তসহ পুরো সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে পড়ে দুই ভাগে বিভক্ত।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তাঁরা দুজন ক্রিকেট খেলছেন। বল করছেন গিয়াস উদ্দিন তাহেরী, ব্যাটিংয়ে আছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। ভিডিওটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘শায়েখদ্বয় খেলে আর পাবলিক একে অপরকে গালি দিয়ে নিজেদের আমলনামা ভারী করে!’
মুহাম্মদ শাহ পরান নামের ফেসবুক পেজে গত মঙ্গলবার (২১ মে) এমন ক্যাপশনে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি আজ শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দেখা হয়েছে ৮৭ লাখ বার, রিয়েকশন পড়েছে ৪৪ হাজারের বেশি। একই ভিডিও ইউটিউব, টিকটকেও ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাল ভিডিওটি নিয়ে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগের অনুসন্ধানে দেখা যায়, আহমাদুল্লাহ–তাহেরীর ক্রিকেট খেলার ভিডিওটি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ধারণ করা দুটি আলাদা ভিডিও যোগ করে তৈরি করা হয়েছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহর ভিডিও যাচাই
রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে শায়খ আহমাদুল্লাহর ব্যাটিং করার ভিডিওটি পাওয়া যায় ২০২২ সালে। ওই বছর আকরাম নামের একটি ফেসবুক পেজে ৪৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ভিডিওতে শায়খ আহমাদুল্লাহকে ব্যাটিং করতে দেখা যাচ্ছে।
ভিডিওটিতে বোলিং প্রান্তে কে ছিলেন তা দেখা না গেলেও, শায়খ আহমাদুল্লাহর পরিহিত পোশাক, তাঁর পেছনে থাকা স্ট্যাম্প, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ি ও ব্যক্তির সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়।
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর ভিডিও যাচাই
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর বোলিং করার ভিডিওটি ফেসবুকে কি–ওয়ার্ড অনুসন্ধানে মেহেদী হাসান তাহেরি নামের একটি পেজে পাওয়া যায়। ৩ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১৬ জুলাই পেজটিতে পোস্ট করা হয়। ভিডিওটিতে থাকা তাহেরীর পোশাক, বোলিংয়ের ধরন ও ভিডিওতে দৃশ্যমান অবকাঠামোর সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওটির মিল পাওয়া যায়।
এতে দেখা যায়, গিয়াস উদ্দিন তাহেরী একদল কিশোর ও তরুণের সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের বিভিন্ন উপদেশ দিচ্ছেন। পরে তিনি ওই কিশোরদের একজনকে টাকা দেন বল ও টেপ আনার জন্য। বল আনা হলে একপর্যায়ে তিনি নিজেই বলটিতে টেপ লাগাতে শুরু করেন এবং পরে বোলিং করেন। তাঁর বোলিংয়ের সময় ব্যাটিং প্রান্তে শায়খ আহমাদুল্লাহকে দেখা যায়নি। বরং সেখানে ব্যাট হাতে এক তরুণকে দেখা যায়।
অর্থাৎ, দুটি ভিন্ন সময় ও ভিন্ন স্থানে ধারণ করা আহমাদুল্লাহ ও তাহেরীর ক্রিকেট খেলার ভিডিও জোড়া দিয়ে ভাইরাল ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫