ফ্যাক্টচেক ডেস্ক

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ দেশে ফেরার কথা রয়েছে তাঁর। গত মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের প্রতিষ্ঠান ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভে’র আয়োজনে অংশ নিয়ে সম্প্রতি ছাত্র–জনতার তীব্র আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ আন্দোলন খুব পরিকল্পিতভাবে চালিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিছুই হঠাৎ হয়নি। এবিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি উচ্চারণ করেন ‘মেটিকিউলাসলি’ শব্দটি। তাঁর এই বক্তব্য ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর মায়ের বক্তব্য দাবিতে একটি উদ্ধৃতি ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ধৃতিটিতে দাবি করা হচ্ছে, মুগ্ধর মা বলেছেন, ‘মেটিকিউলাস ডিজাইনের অংশ হিশেবে আমার ছেলের লাশটি তাদের প্রয়োজন ছিল।’গত বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টায় ‘সুষুপ্ত পাঠক’ নামের একটি ফেসবুক পেজে মুগ্ধের মাকে উদ্ধৃত করে এমন একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়। পোস্টটির ক্যাপশনে লেখা, ‘এত এত মানুষ পঙ্গু হলো, অন্ধ হলো, মারা গেল সব তাদের পরিকল্পনার অংশ ছিল! যারা বেঁচে আছে সারা জীবন আফসোস করবে তাদের ব্যবহার করা হয়েছে। এই সব কিছু না ঘটলে সরকার ফেলে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হবে না। তাই তাদেরই সবচেয়ে দরকার ছিল মুগ্ধর লাশ!’ সুষুপ্ত পাঠকের পোস্টটি অর্ধশতাধিক শেয়ার হয়েছে। রিয়েকশন পড়েছে প্রায় দেড় হাজার। ‘সাপোর্টার্স অব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপেও গতকাল শুক্রবার এমন একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকেও মুগ্ধর মায়ের কথিত মন্তব্যটি পোস্ট করা হয়েছে।
দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড অনুসন্ধানে মূলধারার কোনো সংবাদমাধ্যমে মুগ্ধর মৃত্যু নিয়ে তাঁর মায়ের এমন কোনো বক্তব্যের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। স্বভাবতই নিহত মুগ্ধর মা তাঁর সন্তানের মৃত্যু নিয়ে এমন অভিযোগ করলে তা সংবাদমাধ্যমে পাওয়া যেত।
পরে কথিত মন্তব্যটি সম্পর্কে জানতে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ মুগ্ধর যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে। তিনি বলেন, ‘বিষয়টা সম্পূর্ণ ফেইক। আমার মা এখন পর্যন্ত মিডিয়ার সামনে আসেননি এবং এমন কোনো বক্তব্য দেননি।’
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী ছিলেন। মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। আন্দোলনের সময় গত ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের মধ্যে খাবার পানি ও বিস্কুট বিতরণ করছিলেন তিনি।
তাঁর মৃত্যুর পর ওই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় মুগ্ধর একটি স্ট্যাটাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। মুগ্ধ ওই স্ট্যাটাসে লিখেছিলেন, ‘জামাত-শিবির, ছাত্রদলের উদ্দেশ্য কিছু কথা: ছাত্র আন্দোলনে ঢুকে ছাত্র আন্দোলনটাকে রাজনৈতিক দলের আন্দোলন বানাবেন না। হ্যাডম থাকলে আগেই আসতেন আপনারা, সুযোগসন্ধানী আচরণ করে এই আন্দোলনের উদ্দেশ্যটা নষ্ট করবেন না, জাত চেনাবেন না। আপনি যদি ছাত্র হোন তবে ছাত্র হয়েই আসুন। আমাদের আন্দোলনে ছাত্র প্রয়োজন, কোনো উদ্দেশ্য হাসিলকারী নেতা নয়।’

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ দেশে ফেরার কথা রয়েছে তাঁর। গত মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের প্রতিষ্ঠান ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভে’র আয়োজনে অংশ নিয়ে সম্প্রতি ছাত্র–জনতার তীব্র আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ আন্দোলন খুব পরিকল্পিতভাবে চালিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিছুই হঠাৎ হয়নি। এবিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি উচ্চারণ করেন ‘মেটিকিউলাসলি’ শব্দটি। তাঁর এই বক্তব্য ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধর মায়ের বক্তব্য দাবিতে একটি উদ্ধৃতি ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ধৃতিটিতে দাবি করা হচ্ছে, মুগ্ধর মা বলেছেন, ‘মেটিকিউলাস ডিজাইনের অংশ হিশেবে আমার ছেলের লাশটি তাদের প্রয়োজন ছিল।’গত বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টায় ‘সুষুপ্ত পাঠক’ নামের একটি ফেসবুক পেজে মুগ্ধের মাকে উদ্ধৃত করে এমন একটি ফটোকার্ড পোস্ট করা হয়। পোস্টটির ক্যাপশনে লেখা, ‘এত এত মানুষ পঙ্গু হলো, অন্ধ হলো, মারা গেল সব তাদের পরিকল্পনার অংশ ছিল! যারা বেঁচে আছে সারা জীবন আফসোস করবে তাদের ব্যবহার করা হয়েছে। এই সব কিছু না ঘটলে সরকার ফেলে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হবে না। তাই তাদেরই সবচেয়ে দরকার ছিল মুগ্ধর লাশ!’ সুষুপ্ত পাঠকের পোস্টটি অর্ধশতাধিক শেয়ার হয়েছে। রিয়েকশন পড়েছে প্রায় দেড় হাজার। ‘সাপোর্টার্স অব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপেও গতকাল শুক্রবার এমন একটি পোস্ট দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকেও মুগ্ধর মায়ের কথিত মন্তব্যটি পোস্ট করা হয়েছে।
দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড অনুসন্ধানে মূলধারার কোনো সংবাদমাধ্যমে মুগ্ধর মৃত্যু নিয়ে তাঁর মায়ের এমন কোনো বক্তব্যের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। স্বভাবতই নিহত মুগ্ধর মা তাঁর সন্তানের মৃত্যু নিয়ে এমন অভিযোগ করলে তা সংবাদমাধ্যমে পাওয়া যেত।
পরে কথিত মন্তব্যটি সম্পর্কে জানতে আজকের পত্রিকার ফ্যাক্টচেক বিভাগ মুগ্ধর যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে। তিনি বলেন, ‘বিষয়টা সম্পূর্ণ ফেইক। আমার মা এখন পর্যন্ত মিডিয়ার সামনে আসেননি এবং এমন কোনো বক্তব্য দেননি।’
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী ছিলেন। মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। আন্দোলনের সময় গত ১৮ জুলাই রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের মধ্যে খাবার পানি ও বিস্কুট বিতরণ করছিলেন তিনি।
তাঁর মৃত্যুর পর ওই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় মুগ্ধর একটি স্ট্যাটাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। মুগ্ধ ওই স্ট্যাটাসে লিখেছিলেন, ‘জামাত-শিবির, ছাত্রদলের উদ্দেশ্য কিছু কথা: ছাত্র আন্দোলনে ঢুকে ছাত্র আন্দোলনটাকে রাজনৈতিক দলের আন্দোলন বানাবেন না। হ্যাডম থাকলে আগেই আসতেন আপনারা, সুযোগসন্ধানী আচরণ করে এই আন্দোলনের উদ্দেশ্যটা নষ্ট করবেন না, জাত চেনাবেন না। আপনি যদি ছাত্র হোন তবে ছাত্র হয়েই আসুন। আমাদের আন্দোলনে ছাত্র প্রয়োজন, কোনো উদ্দেশ্য হাসিলকারী নেতা নয়।’

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫