কাজল সরকার, হবিগঞ্জ

বিএনপিসহ অন্যান্য দল সরাসরি ভোটে অংশ না নেওয়ায় অনেকটাই ফাঁকা মাঠ পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে ফাঁকা মাঠেও হোঁচট খাচ্ছে দলটি। বিদ্রোহী হয়েছেন খোদ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের আপন ভাই, পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সদস্যের ভাগনে।
দলের নেতা কর্মীরা বলছেন, প্রার্থী নির্বাচনে ব্যর্থতার কারণে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন অনেকে। যে কারণে অনেক জায়গায় নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ ইউপিতে আগামী ২৮ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে নবীগঞ্জের উপজেলাতে বিদ্রোহের আগুনে পুড়ছে আওয়ামী লীগ। আর সেই আগুনে ঘি ঢালছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপি। উপজেলার ১৩টি ইউপির মধ্যে ৮ টিতেই আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ দলের নেতা–কর্মীরা। শুধু তাই নয়, খোদ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নিজেই হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী। এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদকের আপন ছোট ভাইও বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গজনাইপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সাবের আহমেদকে। তবে নৌকা ডুবোতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. ইমদাদুর রহমান মুকুল।
অন্যদিকে, নবীগঞ্জ সদর ইউপিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই ইউপি আওয়ামী লীগের সদস্য সাজু আহমেদ চৌধুরী বিদ্রোহী হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এখানে নৌকার প্রার্থী মো. হাবীবুর রহমান।
বিদ্রোহী হয়েছেন নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু দাস রানাও। করগাঁও ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বজলুর রহমানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন তিনি।
এদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুশফিক হোসেন চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরাও। বাউসা ইউপিতে আবু সিদ্দিকের নৌকা ডুবোতে মরিয়া মুশফিক চৌধুরীর ভাগনে জুনেদ হোসেন চৌধুরী।
পূর্ব বড়ভাকৈর ইউপিতে নৌকার প্রার্থী মো. আক্তার মিয়ার বিপক্ষে বিদ্রোহী হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা মো. খালেদ মোশারফ ও সাবেক চেয়ারম্যান মেহের আলী মালদার এবং ইনাতগঞ্জ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী আছাবুর রহমান জীবনকে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা মো. সায়েদ উদ্দিন ও যুবলীগ নেতা মো. নোমান হোসেন।
কুর্শী ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলী আহমেদ মুসাকে বিদ্রোহী ঘোষণা করেছেন কৃষক লীগ নেতা ও লন্ডনপ্রবাসী মো. আব্দুল মুকিত।
এ ছাড়া কালিয়ারভাঙ্গা ইউপিতে নৌকার প্রার্থী ফরহাদ আহমেদের বিপক্ষে নির্বাচন করছেন আওয়ামী লীগ নেতা ইমদাদুল হক চৌধুরী। বিদ্রোহী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মা. ইমদাদুর রহমান মুকুল বলেন, ‘এখানে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে খুবই দুর্বল প্রার্থীকে। আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তারা আমার কথা শুনেননি। আমি নির্বাচন না করলে এই ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়ে যাবে। তাই আমি স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করছি।’
নিজের আপ ভাই কেন বিদ্রোহী হলো, জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী বলেন, ‘দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভাব রয়েছে। যে কারণে সব ইউনিয়নেই বিদ্রোহী হচ্ছে। আমি আমার ভাইকে বিদ্রোহী না হওয়ার জন্য নিষেধ করেছি। কিন্তু সে আমার কথা শোনেননি।’

বিএনপিসহ অন্যান্য দল সরাসরি ভোটে অংশ না নেওয়ায় অনেকটাই ফাঁকা মাঠ পেয়েছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে ফাঁকা মাঠেও হোঁচট খাচ্ছে দলটি। বিদ্রোহী হয়েছেন খোদ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের আপন ভাই, পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সদস্যের ভাগনে।
দলের নেতা কর্মীরা বলছেন, প্রার্থী নির্বাচনে ব্যর্থতার কারণে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন অনেকে। যে কারণে অনেক জায়গায় নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ ইউপিতে আগামী ২৮ নভেম্বর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে নবীগঞ্জের উপজেলাতে বিদ্রোহের আগুনে পুড়ছে আওয়ামী লীগ। আর সেই আগুনে ঘি ঢালছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপি। উপজেলার ১৩টি ইউপির মধ্যে ৮ টিতেই আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ দলের নেতা–কর্মীরা। শুধু তাই নয়, খোদ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নিজেই হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী। এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদকের আপন ছোট ভাইও বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গজনাইপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সাবের আহমেদকে। তবে নৌকা ডুবোতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. ইমদাদুর রহমান মুকুল।
অন্যদিকে, নবীগঞ্জ সদর ইউপিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই ইউপি আওয়ামী লীগের সদস্য সাজু আহমেদ চৌধুরী বিদ্রোহী হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এখানে নৌকার প্রার্থী মো. হাবীবুর রহমান।
বিদ্রোহী হয়েছেন নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু দাস রানাও। করগাঁও ইউপিতে নৌকার প্রার্থী বজলুর রহমানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন তিনি।
এদিকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুশফিক হোসেন চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরাও। বাউসা ইউপিতে আবু সিদ্দিকের নৌকা ডুবোতে মরিয়া মুশফিক চৌধুরীর ভাগনে জুনেদ হোসেন চৌধুরী।
পূর্ব বড়ভাকৈর ইউপিতে নৌকার প্রার্থী মো. আক্তার মিয়ার বিপক্ষে বিদ্রোহী হয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতা মো. খালেদ মোশারফ ও সাবেক চেয়ারম্যান মেহের আলী মালদার এবং ইনাতগঞ্জ ইউপিতে নৌকার প্রার্থী আছাবুর রহমান জীবনকে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা মো. সায়েদ উদ্দিন ও যুবলীগ নেতা মো. নোমান হোসেন।
কুর্শী ইউপিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলী আহমেদ মুসাকে বিদ্রোহী ঘোষণা করেছেন কৃষক লীগ নেতা ও লন্ডনপ্রবাসী মো. আব্দুল মুকিত।
এ ছাড়া কালিয়ারভাঙ্গা ইউপিতে নৌকার প্রার্থী ফরহাদ আহমেদের বিপক্ষে নির্বাচন করছেন আওয়ামী লীগ নেতা ইমদাদুল হক চৌধুরী। বিদ্রোহী হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মা. ইমদাদুর রহমান মুকুল বলেন, ‘এখানে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে খুবই দুর্বল প্রার্থীকে। আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তারা আমার কথা শুনেননি। আমি নির্বাচন না করলে এই ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়ে যাবে। তাই আমি স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করছি।’
নিজের আপ ভাই কেন বিদ্রোহী হলো, জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল জাহান চৌধুরী বলেন, ‘দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভাব রয়েছে। যে কারণে সব ইউনিয়নেই বিদ্রোহী হচ্ছে। আমি আমার ভাইকে বিদ্রোহী না হওয়ার জন্য নিষেধ করেছি। কিন্তু সে আমার কথা শোনেননি।’

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫