নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে প্রস্তাবিত বাজেটে যে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তা সমর্থন করেন না অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘বিনা প্রশ্নে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে সেটা অনৈতিক। এটা কোনা কাজে আসবে না। এর ফলে খুব যে বেশি টাকা ফেরত আসে তাও না। এটা দেশের জন্যও ভালো হবে না। বিষয়টা সমর্থন করি না।’
জাতীয় সংসদে গতকাল বৃহস্পতিবার আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ হওয়ার পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় আজকের পত্রিকাকে এ কথা বলেন মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, এতে টাকা পাচারের প্রবণতা আরও বেড়ে যায়। যারা সৎ উপার্জন করবেন তারা বঞ্চিত হবেন। আর যারা অসৎভাবে অর্থ উপার্জন করবে তারা সুবিধা পাবেন। বিদেশে অর্থ পাঠিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়বে। সৎ উপার্জনকারীরা ২৫ শতাংশ কর দেবে, আর পাচারকারীরা ৭ শতাংশ কর দিয়ে আয় বৈধ করবে। এটা হওয়া উচিত নয়।
বাজেটের বিশাল আকার বা বিশাল রাজস্ব আয়ের দিকে নজর না দিয়ে বাস্তবায়ন সক্ষমতার দিকে নজর দেওয়া উচিত বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, বাজেটের টার্গেট নিয়ে আমার খুব একটা আপত্তি নেই। সেটা বাজেটের আকার হোক বা অন্য খাতেই হোক। তবে, গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে আমার মনে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। আবার যে পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে তা অর্জন করা অনেক চ্যালেঞ্জ হবে।
আজিজুল ইসলাম বলেন, করপোরেট কর কমিয়ে বা এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর কোনো নিশ্চয়তা নেই। যদি আমাদের ব্যবসার পরিবেশ সহজ না হয়, ব্যবস্থাপনা অবকাঠামো ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি না হয় তাহলে কর কমিয়ে বা কোনো পদক্ষেপেই বিনিয়োগ বাড়বে না। বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের অতীত অভিজ্ঞতায় এর প্রমাণ আছে।
আজিজুল ইসলাম আরও বলেন, আগামী বাজেটে সরকার ব্যাংক ঋণ নির্ভরশীলতার মাত্রাটা একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে। সরকারে উচিত এ নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎসে নজর দেওয়া। কারণ ব্যাংক থেকে বেশে ঋণ নিলে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছ, এতে বিনিয়োগ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় ব্যাংক ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে আবার বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে প্রস্তাবিত বাজেটে যে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তা সমর্থন করেন না অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘বিনা প্রশ্নে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে সেটা অনৈতিক। এটা কোনা কাজে আসবে না। এর ফলে খুব যে বেশি টাকা ফেরত আসে তাও না। এটা দেশের জন্যও ভালো হবে না। বিষয়টা সমর্থন করি না।’
জাতীয় সংসদে গতকাল বৃহস্পতিবার আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ হওয়ার পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় আজকের পত্রিকাকে এ কথা বলেন মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, এতে টাকা পাচারের প্রবণতা আরও বেড়ে যায়। যারা সৎ উপার্জন করবেন তারা বঞ্চিত হবেন। আর যারা অসৎভাবে অর্থ উপার্জন করবে তারা সুবিধা পাবেন। বিদেশে অর্থ পাঠিয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়বে। সৎ উপার্জনকারীরা ২৫ শতাংশ কর দেবে, আর পাচারকারীরা ৭ শতাংশ কর দিয়ে আয় বৈধ করবে। এটা হওয়া উচিত নয়।
বাজেটের বিশাল আকার বা বিশাল রাজস্ব আয়ের দিকে নজর না দিয়ে বাস্তবায়ন সক্ষমতার দিকে নজর দেওয়া উচিত বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি বলেন, বাজেটের টার্গেট নিয়ে আমার খুব একটা আপত্তি নেই। সেটা বাজেটের আকার হোক বা অন্য খাতেই হোক। তবে, গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে আমার মনে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। আবার যে পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে তা অর্জন করা অনেক চ্যালেঞ্জ হবে।
আজিজুল ইসলাম বলেন, করপোরেট কর কমিয়ে বা এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর কোনো নিশ্চয়তা নেই। যদি আমাদের ব্যবসার পরিবেশ সহজ না হয়, ব্যবস্থাপনা অবকাঠামো ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি না হয় তাহলে কর কমিয়ে বা কোনো পদক্ষেপেই বিনিয়োগ বাড়বে না। বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের অতীত অভিজ্ঞতায় এর প্রমাণ আছে।
আজিজুল ইসলাম আরও বলেন, আগামী বাজেটে সরকার ব্যাংক ঋণ নির্ভরশীলতার মাত্রাটা একটু বেশি বলে মনে হচ্ছে। সরকারে উচিত এ নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎসে নজর দেওয়া। কারণ ব্যাংক থেকে বেশে ঋণ নিলে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছ, এতে বিনিয়োগ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় ব্যাংক ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে আবার বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫