কামরুজ্জামান রাজু, কেশবপুর (যশোর)

যশোরের কেশবপুরে বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ অপসারণের পাশাপাশি ঠিকাদারের লোকজন জীবিত এবং ভালো গাছও কেটে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার পর্যন্ত দুই দিনে উপজেলার সাগরদাঁড়ি সড়কের বাগদা ঈদগাহ থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত ছয়টি গাছ কাটার কথা থাকলেও জীবিতসহ অন্তত ৪০টি গাছ কেটে ফেলা হয়।
এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার লোকজন বাধা দিলে ঠিকাদারের লোকজনের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। দরপত্রবহির্ভূত কেটে ফেলা এসব গাছ সড়কের পাশে ফেলে রাখলেও পরে গোপনে সেগুলো জেলা পরিষদের সাইনবোর্ড লাগানো গাড়িতে করে নিয়ে যান ঠিকাদারের লোকজন।
উপজেলা বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খসড়া তালিকা অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন সড়কে মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ রয়েছে ১৯৫টি। এর মধ্যে উপজেলার কেশবপুর-সাগরদাঁড়ি সড়কে ২১টি, হাসানপুর-বগা সড়কে ৫৭টি, কেশবপুর-কলাগাছি সড়কের দুই পাশে ২১টি, চুকনগর-সন্ন্যাসগাছা ও ভেরচি-কলাগাছি বাজার সড়কে ৮৯টি, সন্ন্যাসগাছা-ভরতভায়না সড়কে ৭টি গাছ মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এসব গাছের মূল্য নির্ধারণ করে দিলে জেলা পরিষদ দরপত্রের মাধ্যমে রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজকে গাছগুলো কাটার আদেশ দেয়।
কেশবপুর-সাগরদাঁড়ি সড়কের দেউলি এলাকায় গেলে দেখা যায়, সড়কের পাশের অসংখ্য মরা গাছের সঙ্গে জীবিত গাছও কেটে রাখা হয়েছে। এ সময় সেখানে উপস্থিত মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মোহাম্মদ আলী বলেন, সড়কের পাশে জেলা পরিষদ ও বন বিভাগের গাছ রয়েছে। বন বিভাগের গাছ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষকদের নিয়ে দল গঠন করা হয়। বন বিভাগ তাদের গাছ বিক্রির পর ৪০ শতাংশ টাকা দলভুক্ত কৃষকদের দিয়ে থাকে। কিন্তু সোম ও মঙ্গলবার বাগদা ঈদগাহ থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত জেলা পরিষদের দরপত্রের ৬টি গাছের পরিবর্তে অন্তত ৪০টি গাছ কেটে ফেলেন।
প্রতাপপুর গ্রামের বাসিন্দা আতিয়ার গাজী বলেন, ‘রেইনট্রি-মেহগনিসহ বিভিন্ন গাছ কাটার সময় সড়কের পাশের খেতে পড়ে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় আমি প্রতিবাদ করলে ইয়াসিন নামে ঠিকাদারের এক ব্যক্তি করাত নিয়ে আমার দিকে তেড়ে আসেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকার লোকজনের ভেতর এ নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে।’
গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা ইয়াসিন পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি জানান, তিনি ঠিকাদারের লোক। যে গাছ তাঁরা কিনেছেন, সেগুলো কাটা হচ্ছে। বাদবাকি কথা থাকলে ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন তিনি।
উপজেলা বন কর্মকর্তা হাবিবুজ্জামান বলেন, ‘খসড়া তালিকা অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন সড়কে জেলা পরিষদের মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ রয়েছে ১৯৫টি। এসব গাছের মূল্য নির্ধারণ করে জেলা পরিষদে পাঠানো হয়েছিল। কেশবপুর-সাগরদাঁড়ির ওই সড়কের পাশের গাছ কাটার সময় অফিস থেকে লোক পাঠিয়েছিলাম, ঠিকাদারের লোকজন কতটি গাছ কাটতে পারবে তার ওয়ার্ক অর্ডার বা সংখ্যা দেখাতে পারে নাই। তাঁরা (ঠিকাদারের লোকজন) বেশি গাছপালা কেটে ফেলছেন।’
যশোর জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আল আমিন বলেন, কেশবপুর-সাগরদাঁড়ি সড়কে মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ ২১টি গাছ কাটার দরপত্র হয়েছে। এ গাছ কাটার দরপত্র পেয়েছে রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজ।
রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজের পক্ষে গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা হারুনার রশিদ বলেন, মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলোই অপসারণ করা হচ্ছে। জেলা পরিষদের হাবিবুর রহমান যে গাছগুলো দেখিয়ে দিচ্ছেন, সেগুলো কাটা হচ্ছে। কোনো জীবিত গাছ কাটা হচ্ছে না।
যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল বলেন, দরপত্রের বাইরে কোনো গাছ কাটা হলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যশোরের কেশবপুরে বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ অপসারণের পাশাপাশি ঠিকাদারের লোকজন জীবিত এবং ভালো গাছও কেটে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার পর্যন্ত দুই দিনে উপজেলার সাগরদাঁড়ি সড়কের বাগদা ঈদগাহ থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত ছয়টি গাছ কাটার কথা থাকলেও জীবিতসহ অন্তত ৪০টি গাছ কেটে ফেলা হয়।
এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার লোকজন বাধা দিলে ঠিকাদারের লোকজনের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। দরপত্রবহির্ভূত কেটে ফেলা এসব গাছ সড়কের পাশে ফেলে রাখলেও পরে গোপনে সেগুলো জেলা পরিষদের সাইনবোর্ড লাগানো গাড়িতে করে নিয়ে যান ঠিকাদারের লোকজন।
উপজেলা বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খসড়া তালিকা অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন সড়কে মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ রয়েছে ১৯৫টি। এর মধ্যে উপজেলার কেশবপুর-সাগরদাঁড়ি সড়কে ২১টি, হাসানপুর-বগা সড়কে ৫৭টি, কেশবপুর-কলাগাছি সড়কের দুই পাশে ২১টি, চুকনগর-সন্ন্যাসগাছা ও ভেরচি-কলাগাছি বাজার সড়কে ৮৯টি, সন্ন্যাসগাছা-ভরতভায়না সড়কে ৭টি গাছ মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এসব গাছের মূল্য নির্ধারণ করে দিলে জেলা পরিষদ দরপত্রের মাধ্যমে রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজকে গাছগুলো কাটার আদেশ দেয়।
কেশবপুর-সাগরদাঁড়ি সড়কের দেউলি এলাকায় গেলে দেখা যায়, সড়কের পাশের অসংখ্য মরা গাছের সঙ্গে জীবিত গাছও কেটে রাখা হয়েছে। এ সময় সেখানে উপস্থিত মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মোহাম্মদ আলী বলেন, সড়কের পাশে জেলা পরিষদ ও বন বিভাগের গাছ রয়েছে। বন বিভাগের গাছ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষকদের নিয়ে দল গঠন করা হয়। বন বিভাগ তাদের গাছ বিক্রির পর ৪০ শতাংশ টাকা দলভুক্ত কৃষকদের দিয়ে থাকে। কিন্তু সোম ও মঙ্গলবার বাগদা ঈদগাহ থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত জেলা পরিষদের দরপত্রের ৬টি গাছের পরিবর্তে অন্তত ৪০টি গাছ কেটে ফেলেন।
প্রতাপপুর গ্রামের বাসিন্দা আতিয়ার গাজী বলেন, ‘রেইনট্রি-মেহগনিসহ বিভিন্ন গাছ কাটার সময় সড়কের পাশের খেতে পড়ে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় আমি প্রতিবাদ করলে ইয়াসিন নামে ঠিকাদারের এক ব্যক্তি করাত নিয়ে আমার দিকে তেড়ে আসেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকার লোকজনের ভেতর এ নিয়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে।’
গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা ইয়াসিন পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি জানান, তিনি ঠিকাদারের লোক। যে গাছ তাঁরা কিনেছেন, সেগুলো কাটা হচ্ছে। বাদবাকি কথা থাকলে ঠিকাদারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন তিনি।
উপজেলা বন কর্মকর্তা হাবিবুজ্জামান বলেন, ‘খসড়া তালিকা অনুযায়ী উপজেলার বিভিন্ন সড়কে জেলা পরিষদের মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ রয়েছে ১৯৫টি। এসব গাছের মূল্য নির্ধারণ করে জেলা পরিষদে পাঠানো হয়েছিল। কেশবপুর-সাগরদাঁড়ির ওই সড়কের পাশের গাছ কাটার সময় অফিস থেকে লোক পাঠিয়েছিলাম, ঠিকাদারের লোকজন কতটি গাছ কাটতে পারবে তার ওয়ার্ক অর্ডার বা সংখ্যা দেখাতে পারে নাই। তাঁরা (ঠিকাদারের লোকজন) বেশি গাছপালা কেটে ফেলছেন।’
যশোর জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আল আমিন বলেন, কেশবপুর-সাগরদাঁড়ি সড়কে মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ ২১টি গাছ কাটার দরপত্র হয়েছে। এ গাছ কাটার দরপত্র পেয়েছে রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজ।
রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজের পক্ষে গাছ কাটার দায়িত্বে থাকা হারুনার রশিদ বলেন, মরা ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলোই অপসারণ করা হচ্ছে। জেলা পরিষদের হাবিবুর রহমান যে গাছগুলো দেখিয়ে দিচ্ছেন, সেগুলো কাটা হচ্ছে। কোনো জীবিত গাছ কাটা হচ্ছে না।
যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল বলেন, দরপত্রের বাইরে কোনো গাছ কাটা হলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫