নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসায় বিদেশে নেওয়ার অনুমতির দাবিতে রাজপথে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে দলটি। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাঁর মুক্তির জন্য রাজপথে কার্যকর ও অর্থবহ কোনো মিছিল করতে পারেনি বিএনপি। এখন তাঁর চিকিৎসা নিয়ে দলটি রাজনৈতিক চালবাজি করছে। এসব না করে দায় স্বীকার করে খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ারও পরামর্শ দেন আওয়ামী লীগ নেতারা। গতকাল শুক্রবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বেগম জিয়ার জন্য এখন এত মায়াকান্না কাঁদেন (ফখরুল)। তাঁর জন্য দেখবার মতো কার্যকর ও অর্থবহ একটা মিছিল রাজপথে করার দুঃসাহস আপনাদের ছিল না। এটা দেখাতে পারেননি। কোন মুখে মায়াকান্না কাঁদছেন।
রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হলেও আইনের চোখে তিনি একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তাই দণ্ড মওকুফের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। গতকাল প্রেসক্লাবে এক কর্মসূচিতে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইলে বিদেশে যেতে পারবেন খালেদা জিয়া। তাঁর অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি না করে ক্ষমা চেয়ে স্বাধীনভাবে যেকোনো জায়গায় যেতে পারেন তিনি।
স্লো পয়জনিং বিএনপিই করতে পারে
খালেদা জিয়াকে কারাগারে স্লো পয়জনিং করা হয়েছে কি না—এ প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর এই বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ফখরুল সাহেব বলেছেন, বেগম জিয়াকে নাকি স্লো পয়জনিং করা হচ্ছে। তাঁর পাশে থাকেন আপনারা, ফখরুল সাহেবরা। তাঁকে যে খাওয়ায় সে পরিবারেই লোক। তাঁর আশপাশে সর্বক্ষণ ঘোরাফেরা করে বিএনপির লোকেরা। আওয়ামী লীগ কিংবা সরকারের কেউ তাঁর পাশে থাকে না। তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দের চিকিৎসকেরাই চিকিৎসা দিচ্ছেন।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আশপাশের লোকেরা সব বিএনপির, পরিবারের, আপনারা। স্লো পয়জনিং যদি করে থাকে তাহলে পাশের লোকেরাই করতে পারে। হুকুমের আসামি শেখ হাসিনা হবে না, হলে ফখরুল সাহেব আপনি হবেন।’
ওবায়দুল কাদেরের পাল্টা প্রশ্ন, ‘বেগম জিয়াকে আপনারা মাইনাস করার জন্য স্লো পয়জনিং করছেন কি না, সেই রকম কিছু করবেন বলেই কি উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে আওয়ামী লীগের ওপর, শেখ হাসিনার ওপর দোষ চাপিয়ে যাচ্ছেন।’
এদিকে, মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘উনি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে কারাগারে ওনার সেবার জন্য একজন নিরপরাধ মানুষকে নিয়োজিত করা হয়েছিল। পৃথিবীতে এমন ঘটনার কোনো নজির নেই। খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে কাজে লাগিয়ে, মাঠ গরম না করে তাঁর সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।’
আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য করলে ব্যবস্থা
ওবায়দুল কাদের বলেন, কারও চিকিৎসার নামে জনগণকে জিম্মি করা যাবে না। কোনো ইস্যু সৃষ্টি করে শান্তি-শৃঙ্খলাভঙ্গ, নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করলে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে জনগণকে সঙ্গে আওয়ামী লীগ তা প্রতিহত করবে। এ জন্য দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেন তিনি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসায় বিদেশে নেওয়ার অনুমতির দাবিতে রাজপথে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে দলটি। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাঁর মুক্তির জন্য রাজপথে কার্যকর ও অর্থবহ কোনো মিছিল করতে পারেনি বিএনপি। এখন তাঁর চিকিৎসা নিয়ে দলটি রাজনৈতিক চালবাজি করছে। এসব না করে দায় স্বীকার করে খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ারও পরামর্শ দেন আওয়ামী লীগ নেতারা। গতকাল শুক্রবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বেগম জিয়ার জন্য এখন এত মায়াকান্না কাঁদেন (ফখরুল)। তাঁর জন্য দেখবার মতো কার্যকর ও অর্থবহ একটা মিছিল রাজপথে করার দুঃসাহস আপনাদের ছিল না। এটা দেখাতে পারেননি। কোন মুখে মায়াকান্না কাঁদছেন।
রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হলেও আইনের চোখে তিনি একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তাই দণ্ড মওকুফের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। গতকাল প্রেসক্লাবে এক কর্মসূচিতে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইলে বিদেশে যেতে পারবেন খালেদা জিয়া। তাঁর অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি না করে ক্ষমা চেয়ে স্বাধীনভাবে যেকোনো জায়গায় যেতে পারেন তিনি।
স্লো পয়জনিং বিএনপিই করতে পারে
খালেদা জিয়াকে কারাগারে স্লো পয়জনিং করা হয়েছে কি না—এ প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর এই বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ফখরুল সাহেব বলেছেন, বেগম জিয়াকে নাকি স্লো পয়জনিং করা হচ্ছে। তাঁর পাশে থাকেন আপনারা, ফখরুল সাহেবরা। তাঁকে যে খাওয়ায় সে পরিবারেই লোক। তাঁর আশপাশে সর্বক্ষণ ঘোরাফেরা করে বিএনপির লোকেরা। আওয়ামী লীগ কিংবা সরকারের কেউ তাঁর পাশে থাকে না। তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দের চিকিৎসকেরাই চিকিৎসা দিচ্ছেন।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আশপাশের লোকেরা সব বিএনপির, পরিবারের, আপনারা। স্লো পয়জনিং যদি করে থাকে তাহলে পাশের লোকেরাই করতে পারে। হুকুমের আসামি শেখ হাসিনা হবে না, হলে ফখরুল সাহেব আপনি হবেন।’
ওবায়দুল কাদেরের পাল্টা প্রশ্ন, ‘বেগম জিয়াকে আপনারা মাইনাস করার জন্য স্লো পয়জনিং করছেন কি না, সেই রকম কিছু করবেন বলেই কি উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে আওয়ামী লীগের ওপর, শেখ হাসিনার ওপর দোষ চাপিয়ে যাচ্ছেন।’
এদিকে, মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘উনি অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে কারাগারে ওনার সেবার জন্য একজন নিরপরাধ মানুষকে নিয়োজিত করা হয়েছিল। পৃথিবীতে এমন ঘটনার কোনো নজির নেই। খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে কাজে লাগিয়ে, মাঠ গরম না করে তাঁর সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।’
আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য করলে ব্যবস্থা
ওবায়দুল কাদের বলেন, কারও চিকিৎসার নামে জনগণকে জিম্মি করা যাবে না। কোনো ইস্যু সৃষ্টি করে শান্তি-শৃঙ্খলাভঙ্গ, নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করলে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে জনগণকে সঙ্গে আওয়ামী লীগ তা প্রতিহত করবে। এ জন্য দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেন তিনি।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫