নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগ দিয়ে বিএনপিসহ বিরোধীদের আন্দোলনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল সরকার। কঠোরতা বজায় রেখে বিরোধীদের লাগাতার কর্মসূচির মধ্যে নির্বাচন করে ফেলেছে সরকার। এরপর সরকার গঠন ও নতুন সংসদের অধিবেশনও বসেছে গত মঙ্গলবার।
ধারণা করা হচ্ছিল, নির্বাচনের পর বিরোধীদের প্রতি নমনীয় হবে ক্ষমতাসীনেরা। কিন্তু বিএনপির কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি ঘিরে সরকারি দল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় স্পষ্ট হয়েছে, বিরোধীরা এখনই ছাড় পাচ্ছে না। তাদের প্রতি সরকারের কঠোর মনোভাব বোঝা যাচ্ছে ক্ষমতাসীনদের মুখের কথাতেও।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপির কালো পতাকা মিছিলকে ‘অবৈধ’ আখ্যায়িত করেছেন। ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির কার্যালয়ে গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘পুলিশ অনুমতি দেয়নি। ফ্রিস্টাইলে কর্মসূচি দেওয়ার সুযোগ নেই। অনুমতি নেবে না, রাস্তায় ফ্রিস্টাইল কর্মসূচি করবে আর আমরা সেটা মেনে নেব, তা মনে করার কোনো কারণ নেই।’
তবে নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণে রেখেছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকেরাও। সে অনুযায়ী সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী করণীয় ঠিক করার কথা বলছেন তাঁরা। তাঁরা বলছেন, শুধু সরকারের আচরণ নয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে চিন্তাভাবনা চলছে। নিজেদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন। সময়মতো এসব চিন্তা ও আলোচনার ফসল মাঠে গড়াবে বলে জানান তাঁরা।
গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর সারা দেশে দুই দফায় কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দেয় বিএনপি। প্রথম দফায় গত ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চড়া দামের প্রতিবাদে, কারাবন্দী নেতা-কর্মীদের মুক্তি এবং সংসদ বাতিলের দাবিতে জেলা ও মহানগরে এই কর্মসূচি পালন করে দলটি। কোনো রকম বাধা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে দুই দিনই দেশব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়। এরপর ৩০ জানুয়ারি মঙ্গলবার সংসদ বাতিল ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আবারও কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দেয় বিএনপিসহ বিরোধীরা। সংসদ বসার দিনে এই কর্মসূচি সফল করা দূরে থাক, রাস্তায়ই দাঁড়াতে পারেননি বিএনপির নেতা-কর্মীরা। কর্মসূচি ঘিরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানসহ অনেক নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। যদিও মঈন খানকে পরবর্তী সময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এই কর্মসূচি ঘিরে নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের চিত্র তুলে ধরেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রাজধানীতে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মঙ্গলবার কালো পতাকা মিছিল ঘিরে রাজধানীসহ সারা দেশে বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৬টি মামলায় সাড়ে চার শর বেশি নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৭০ জন।
বিএনপির নেতারা বলছেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে রাজপথে থেকে দাবি আদায় করতে চায় বিএনপি। কিন্তু সরকার চায়, বিএনপি সহিংসতায় জড়াক; যাতে করে বিএনপিকে রাজপথ থেকে সরানোর পাশাপাশি চূড়ান্তভাবে বেকায়দায় ফেলা সম্ভব হয়। এর অংশ হিসেবে নেতা-কর্মীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করতেও নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ২৮ অক্টোবর থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা, যা এখনো অব্যাহত আছে। তবে দলের হাইকমান্ড এ ব্যাপারে সজাগ রয়েছে। কোনোভাবেই যাতে নেতা-কর্মীদের মনোবল না ভাঙে, সে ব্যাপারে সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নেতা-কর্মীদের মনোবল অটুট আছে। শান্তিপূর্ণভাবে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই আমরা আমাদের আন্দোলনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখব।’ আন্দোলনের সফলতা পেতেও খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না বলে মনে করছেন বিএনপির এই নেতা।
নির্বাচন-পরবর্তী বিএনপির প্রতি সরকারের আচরণ নিয়ে অবশ্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। কারও মতে, কর্মসূচির ধরনের ওপর নির্ভর করে বিএনপির প্রতি একেক সময় একেক আচরণ করছে সরকার। আবার কেউ বলছেন, একধরনের ভীতি থেকেই বিএনপির কর্মসূচিকে ভালোভাবে নিচ্ছে না তারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংসদের প্রথম অধিবেশনের দিন কালো পতাকা প্রদর্শন করা মানে সংসদকে অবৈধ দাবি করা। আমার ধারণা, এই বিষয়টাকে সহজভাবে নেয়নি ক্ষমতাসীনেরা; যে কারণে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্য কর্মসূচি হলে হয়তো বাধা আসত না।’
তবে এই বক্তব্যের সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামসুল আলম। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিএনপিসহ বিরোধীদের আন্দোলনের বিষয়ে এখনো সরকারের মধ্যে ভীতি আছে। সেই ভীতি থেকেই তারা কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে। তবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি করা উচিত নয় বলে মত দিয়েছেন এই অধ্যাপক। তাঁর মতে, এতে আওয়ামী লীগেরই লাভ হবে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগ দিয়ে বিএনপিসহ বিরোধীদের আন্দোলনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল সরকার। কঠোরতা বজায় রেখে বিরোধীদের লাগাতার কর্মসূচির মধ্যে নির্বাচন করে ফেলেছে সরকার। এরপর সরকার গঠন ও নতুন সংসদের অধিবেশনও বসেছে গত মঙ্গলবার।
ধারণা করা হচ্ছিল, নির্বাচনের পর বিরোধীদের প্রতি নমনীয় হবে ক্ষমতাসীনেরা। কিন্তু বিএনপির কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি ঘিরে সরকারি দল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় স্পষ্ট হয়েছে, বিরোধীরা এখনই ছাড় পাচ্ছে না। তাদের প্রতি সরকারের কঠোর মনোভাব বোঝা যাচ্ছে ক্ষমতাসীনদের মুখের কথাতেও।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপির কালো পতাকা মিছিলকে ‘অবৈধ’ আখ্যায়িত করেছেন। ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির কার্যালয়ে গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘পুলিশ অনুমতি দেয়নি। ফ্রিস্টাইলে কর্মসূচি দেওয়ার সুযোগ নেই। অনুমতি নেবে না, রাস্তায় ফ্রিস্টাইল কর্মসূচি করবে আর আমরা সেটা মেনে নেব, তা মনে করার কোনো কারণ নেই।’
তবে নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের আচরণ পর্যবেক্ষণে রেখেছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকেরাও। সে অনুযায়ী সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী করণীয় ঠিক করার কথা বলছেন তাঁরা। তাঁরা বলছেন, শুধু সরকারের আচরণ নয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে চিন্তাভাবনা চলছে। নিজেদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন। সময়মতো এসব চিন্তা ও আলোচনার ফসল মাঠে গড়াবে বলে জানান তাঁরা।
গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর সারা দেশে দুই দফায় কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দেয় বিএনপি। প্রথম দফায় গত ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চড়া দামের প্রতিবাদে, কারাবন্দী নেতা-কর্মীদের মুক্তি এবং সংসদ বাতিলের দাবিতে জেলা ও মহানগরে এই কর্মসূচি পালন করে দলটি। কোনো রকম বাধা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে দুই দিনই দেশব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়। এরপর ৩০ জানুয়ারি মঙ্গলবার সংসদ বাতিল ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আবারও কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দেয় বিএনপিসহ বিরোধীরা। সংসদ বসার দিনে এই কর্মসূচি সফল করা দূরে থাক, রাস্তায়ই দাঁড়াতে পারেননি বিএনপির নেতা-কর্মীরা। কর্মসূচি ঘিরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানসহ অনেক নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। যদিও মঈন খানকে পরবর্তী সময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এই কর্মসূচি ঘিরে নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের চিত্র তুলে ধরেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রাজধানীতে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মঙ্গলবার কালো পতাকা মিছিল ঘিরে রাজধানীসহ সারা দেশে বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৬টি মামলায় সাড়ে চার শর বেশি নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৭০ জন।
বিএনপির নেতারা বলছেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে রাজপথে থেকে দাবি আদায় করতে চায় বিএনপি। কিন্তু সরকার চায়, বিএনপি সহিংসতায় জড়াক; যাতে করে বিএনপিকে রাজপথ থেকে সরানোর পাশাপাশি চূড়ান্তভাবে বেকায়দায় ফেলা সম্ভব হয়। এর অংশ হিসেবে নেতা-কর্মীদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করতেও নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ২৮ অক্টোবর থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা, যা এখনো অব্যাহত আছে। তবে দলের হাইকমান্ড এ ব্যাপারে সজাগ রয়েছে। কোনোভাবেই যাতে নেতা-কর্মীদের মনোবল না ভাঙে, সে ব্যাপারে সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নেতা-কর্মীদের মনোবল অটুট আছে। শান্তিপূর্ণভাবে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই আমরা আমাদের আন্দোলনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখব।’ আন্দোলনের সফলতা পেতেও খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না বলে মনে করছেন বিএনপির এই নেতা।
নির্বাচন-পরবর্তী বিএনপির প্রতি সরকারের আচরণ নিয়ে অবশ্য মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। কারও মতে, কর্মসূচির ধরনের ওপর নির্ভর করে বিএনপির প্রতি একেক সময় একেক আচরণ করছে সরকার। আবার কেউ বলছেন, একধরনের ভীতি থেকেই বিএনপির কর্মসূচিকে ভালোভাবে নিচ্ছে না তারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংসদের প্রথম অধিবেশনের দিন কালো পতাকা প্রদর্শন করা মানে সংসদকে অবৈধ দাবি করা। আমার ধারণা, এই বিষয়টাকে সহজভাবে নেয়নি ক্ষমতাসীনেরা; যে কারণে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্য কর্মসূচি হলে হয়তো বাধা আসত না।’
তবে এই বক্তব্যের সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামসুল আলম। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিএনপিসহ বিরোধীদের আন্দোলনের বিষয়ে এখনো সরকারের মধ্যে ভীতি আছে। সেই ভীতি থেকেই তারা কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে। তবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা সৃষ্টি করা উচিত নয় বলে মত দিয়েছেন এই অধ্যাপক। তাঁর মতে, এতে আওয়ামী লীগেরই লাভ হবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫