নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০২ টাকা এবং প্যাকেটজাত ১০৭ টাকা নির্ধারণ করে গত ১৭ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি দেয় দেশের চিনি উৎপাদনকারী কারখানাগুলো। কিন্তু দেড় মাস পরও বাজারে নির্ধারিত দামে চিনি বিক্রি হচ্ছে না। এদিকে ১৫ ডিসেম্বর ভোজ্যতেলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা কমানো হয়। কিন্তু ১০ দিনেও বাজারে কম দামের তেল সরবরাহ হয়নি।
আন্তর্জাতিক বাজারে চিনি-ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারে প্রভাব পড়ে। তখন অসাধু ব্যবসায়ীরা তাৎক্ষণিক দাম বাড়ান। আর দাম কমলে নানা অজুহাতে কমাতে চান না। আন্তর্জাতিক নিউজপোর্টাল ইনডেক্স মুন্ডি ডটকম সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে গত মে মাসে প্রতি পাউন্ড চিনি বিক্রি হয়েছিল ৪৩ সেন্টে, জুনে ৪২ সেন্ট, জুলাইতে ৪০ সেন্ট, আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ৩৯ সেন্টে বিক্রি হয়। এক টন ভোজ্যতেল মে মাসে বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৯৬৩ ডলারে, জুনে ১ হাজার ৭৫১ ডলার, জুলাইতে ১ হাজার ৫৩৩ ডলার আর সেপ্টেম্বরে বিক্রি হয় ১ হাজার ৫৪৮ মার্কিন ডলারে। আর সর্বশেষ ২৩ ডিসেম্বর বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৪৫৩ মার্কিন ডলারে।
পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারের খুচরা চিনি বিক্রেতারা জানান, দুই দিন ধরে বাজারে চিনির দাম বস্তাপ্রতি ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে প্রতি ৫০ কেজির বস্তা চিনির দাম ছিল ৫ হাজার ৩১০ টাকা। গতকাল রোববার তা বিক্রি হয়েছে ৫ হাজার ৪৬০ টাকায়।
রাজধানীর রামপুরা বাজারের মুদিদোকানি এনায়েত হোসেন দেড় মাস ধরে চিনি বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। তিনি জানান, পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম পড়ে ১০৭ টাকা। পরিবহনভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাদে কেজিপ্রতি ১১০ টাকায় বিক্রি করলে লাভ থাকে না।আর প্যাকেটজাত চিনিও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। এ জন্য চিনি বিক্রি বন্ধ রেখেছেন তিনি।
রাজধানীর বনশ্রী এলাকার মুদিদোকানি আবদুর রহমান জানান, সরকার-নির্ধারিত দামে তাঁরা চিনি ও তেল কিনতে পারছেন না। এ কারণে তাঁরাও নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে পারছেন না। গতকাল তিনি প্রতি কেজি খোলা চিনি ১১৫ টাকায় বিক্রি করেন। ১৫ ডিসেম্বর এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮৭ টাকা, ৫ লিটার ৯০৬ টাকা এবং খোলা সয়াবিন ১৬৭ টাকা করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর থেকে নতুন এই মূল্য কার্যকর হবে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। দেড় মাস আগে চিনির দাম ঘোষণা দেয় উৎপাদনকারী মিলমালিকেরা। কিন্তু নির্ধারিত দামে তেল-চিনি কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় পাইকারি বাজারসংলগ্ন খুচরায় ভোজ্যতেলের দাম কমে বিক্রি হচ্ছে।
নির্ধারিত দামে চিনি বিক্রি না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে দেশবন্ধু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, মিল থেকে প্রতি কেজি চিনি ৯৭ টাকায় তাঁরা বিক্রি করছেন। তাঁদের বাড়তি দামে বিক্রির সুযোগ নেই। তবে হাত বদলে দাম বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি। তিনি আরও জানান, এলসি-সুবিধা পাওয়া না গেলে রমজান মাসে চিনির সংকট তৈরি হবে। এ জন্য দেশে চিনির সংকট এড়াতে সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাব অনুযায়ী, গতকাল রাজধানীর বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ১৬৭-১৭০ টাকা, এক লিটারের বোতল ১৭৮-১৮৭ টাকা, ৫ লিটারের বোতল ৮৮০-৯০৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ১১০-১১৫ টাকায়।

প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০২ টাকা এবং প্যাকেটজাত ১০৭ টাকা নির্ধারণ করে গত ১৭ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি দেয় দেশের চিনি উৎপাদনকারী কারখানাগুলো। কিন্তু দেড় মাস পরও বাজারে নির্ধারিত দামে চিনি বিক্রি হচ্ছে না। এদিকে ১৫ ডিসেম্বর ভোজ্যতেলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা কমানো হয়। কিন্তু ১০ দিনেও বাজারে কম দামের তেল সরবরাহ হয়নি।
আন্তর্জাতিক বাজারে চিনি-ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারে প্রভাব পড়ে। তখন অসাধু ব্যবসায়ীরা তাৎক্ষণিক দাম বাড়ান। আর দাম কমলে নানা অজুহাতে কমাতে চান না। আন্তর্জাতিক নিউজপোর্টাল ইনডেক্স মুন্ডি ডটকম সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে গত মে মাসে প্রতি পাউন্ড চিনি বিক্রি হয়েছিল ৪৩ সেন্টে, জুনে ৪২ সেন্ট, জুলাইতে ৪০ সেন্ট, আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ৩৯ সেন্টে বিক্রি হয়। এক টন ভোজ্যতেল মে মাসে বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৯৬৩ ডলারে, জুনে ১ হাজার ৭৫১ ডলার, জুলাইতে ১ হাজার ৫৩৩ ডলার আর সেপ্টেম্বরে বিক্রি হয় ১ হাজার ৫৪৮ মার্কিন ডলারে। আর সর্বশেষ ২৩ ডিসেম্বর বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৪৫৩ মার্কিন ডলারে।
পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারের খুচরা চিনি বিক্রেতারা জানান, দুই দিন ধরে বাজারে চিনির দাম বস্তাপ্রতি ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে প্রতি ৫০ কেজির বস্তা চিনির দাম ছিল ৫ হাজার ৩১০ টাকা। গতকাল রোববার তা বিক্রি হয়েছে ৫ হাজার ৪৬০ টাকায়।
রাজধানীর রামপুরা বাজারের মুদিদোকানি এনায়েত হোসেন দেড় মাস ধরে চিনি বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। তিনি জানান, পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম পড়ে ১০৭ টাকা। পরিবহনভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাদে কেজিপ্রতি ১১০ টাকায় বিক্রি করলে লাভ থাকে না।আর প্যাকেটজাত চিনিও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। এ জন্য চিনি বিক্রি বন্ধ রেখেছেন তিনি।
রাজধানীর বনশ্রী এলাকার মুদিদোকানি আবদুর রহমান জানান, সরকার-নির্ধারিত দামে তাঁরা চিনি ও তেল কিনতে পারছেন না। এ কারণে তাঁরাও নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে পারছেন না। গতকাল তিনি প্রতি কেজি খোলা চিনি ১১৫ টাকায় বিক্রি করেন। ১৫ ডিসেম্বর এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৮৭ টাকা, ৫ লিটার ৯০৬ টাকা এবং খোলা সয়াবিন ১৬৭ টাকা করা হয়। ১৮ ডিসেম্বর থেকে নতুন এই মূল্য কার্যকর হবে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। দেড় মাস আগে চিনির দাম ঘোষণা দেয় উৎপাদনকারী মিলমালিকেরা। কিন্তু নির্ধারিত দামে তেল-চিনি কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় পাইকারি বাজারসংলগ্ন খুচরায় ভোজ্যতেলের দাম কমে বিক্রি হচ্ছে।
নির্ধারিত দামে চিনি বিক্রি না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে দেশবন্ধু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, মিল থেকে প্রতি কেজি চিনি ৯৭ টাকায় তাঁরা বিক্রি করছেন। তাঁদের বাড়তি দামে বিক্রির সুযোগ নেই। তবে হাত বদলে দাম বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি। তিনি আরও জানান, এলসি-সুবিধা পাওয়া না গেলে রমজান মাসে চিনির সংকট তৈরি হবে। এ জন্য দেশে চিনির সংকট এড়াতে সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাব অনুযায়ী, গতকাল রাজধানীর বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে ১৬৭-১৭০ টাকা, এক লিটারের বোতল ১৭৮-১৮৭ টাকা, ৫ লিটারের বোতল ৮৮০-৯০৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ১১০-১১৫ টাকায়।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫