বাবুল দে,গণতন্ত্রী পার্টির সংগঠক

আহমদুল কবির সরকারি চাকরি করেছেন, ছিলেন ব্যাংকার, ব্যবসায়ী-শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সব ছাপিয়ে বাম ধারার রাজনীতিক এবং দৈনিক সংবাদের প্রধান সম্পাদক—এটাই হয়ে উঠেছিল তাঁর শেষ ও শ্রেষ্ঠ পরিচয়। তাঁর সাংবাদিকতার আদর্শ ছিল সব শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষের জন্য সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ খবর পরিবেশন এবং রাজনৈতিক আদর্শ ছিল দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাওয়া। তিনি বিশ্বাস করতেন সাংবাদিকতা এবং রাজনীতি হওয়া উচিত জনবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী।
বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে আহমদুল কবির ছিলেন একজন প্রবাদপুরুষের মতো। পঞ্চাশের দশকের মধ্যভাগে বাংলাদেশে সাংবাদিকতার মূলধারা গড়ে তুলেছিলেন যে কয়েকজন ক্ষণজন্মা সাংবাদিক ব্যক্তিত্ব, তাঁদের অগ্রগণ্য আহমদুল কবির। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির একজন আদর্শ পুরুষ। বনেদি জমিদার পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের জন্য সাংবাদিকতা ও রাজনীতির আদর্শবাদী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে দাঁড় করিয়েছিলেন।
আহমদুল কবিরকে যাঁরা কাছ থেকে দেখেছেন, তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন সাংবাদিকতা ও রাজনীতির ক্ষেত্রে, তাঁরা বলতে পারবেন কতটা সহজ-সরল ও আদর্শবাদী মানুষ ছিলেন তিনি।
দৈনিক সংবাদ ১৯৫১ সালের ১৭ মে পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আহমদের মালিকানায় ও খায়রুল কবিরের সম্পাদনায় পুরান ঢাকার ২৬৩ বংশাল সড়ক থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। এক বছর পথ চলার পর ১৯৫২ সালে তখনকার ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পত্রিকাটি কিনে নেয়। এরপর দৈনিক সংবাদ হয়ে ওঠে মুসলিম লীগের দলীয় মুখপত্র। কিন্তু মুসলিম লীগের মুখপত্র হিসেবে সংবাদ বেশি দূর এগোতে পারেনি। রাজনৈতিক ভরাডুবির কারণে ১৯৫৪ সালে রণে ভঙ্গ দেয় মুসলিম লীগ। সে বছর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কাছে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের প্রার্থীরা পরাজিত হন। ফলে মুসলিম লীগকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এরপর দৈনিক সংবাদের প্রকাশনা অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তখন সংবাদ কিনে নেন সেই সময়ের তরুণ ব্যবসায়ী ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মী আহমদুল কবির।
আহমদুল কবির ছিলেন মনে-প্রাণে স্বাধীনচেতা, মুক্তিবুদ্ধি চর্চার পালক এবং অত্যাচার-নির্যাত-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আপসহীন প্রতিবাদী। তিনি পাকিস্তানি শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদী অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন। এর পরিণাম কী হতে পারে, সেসব নিয়ে তিনি ভাবেননি। তাঁর নিজের এবং তাঁর মালিকানায় দৈনিক সংবাদ চরম প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকায় পাকিস্তান বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পর পুড়িয়ে দেওয়া হয় বংশালে দৈনিক সংবাদ কার্যালয়। বিধ্বস্ত সংবাদের সঙ্গেই ভস্মীভূত হন তখনকার সংবাদের প্রতিভাবান সাংবাদিক শহীদ সাবের।
বাংলাদেশে সাংবাদিক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আহমদুল কবিরের প্রচেষ্টা ছিল তুলনাহীন। তিনি ‘সংবাদ’কে গড়ে তোলেন শুধু একটি পত্রিকা নয়, একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে। বাংলাদেশের সংবাদপত্রে সাংবাদিকতা ও ব্যবস্থাপনার আধুনিক ধারা তিনিই প্রথম প্রবর্তন করেন। পরবর্তী সময়ে অনেকে সংবাদপত্র প্রকাশ ও সম্পাদনার ক্ষেত্রে আহমদুল কবিরের সৃজনশীল ধারা অনুসরণ করে, নতুন মাত্রার আরও অনেক অনুষঙ্গ যোগ করে সংবাদপত্র প্রকাশের বিষয়টিকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন বলা যায়।
সংবাদপত্রের জন্য পাকিস্তান আমল ছিল অত্যন্ত বৈরী সময়। সেই বৈরী পরিবেশ, প্রতিকূল রাজনৈতিক আবহ উপেক্ষা করে আহমদুল কবির প্রগতিশীল ও আধুনিক একটি নতুন ধারা প্রবর্তনে অপরিমেয় সৃজনশীল অবদান রেখে অনেকটা পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলাদেশে আজ সংবাদপত্র যে চেহারায় আবির্ভূত, বলা যায় তার প্রথম প্রচলন দৈনিক সংবাদের মাধ্যমে এবং সংবাদ সেই আধুনিক ধারা এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রথম থেকেই আন্তরিকতার সঙ্গে সচেষ্ট ছিল।
আহমদুল কবির চিন্তা-চেতনায় প্রগতিশীল ধ্যান-ধারণাসম্পন্ন ছিলেন বলেই সব সময় ভাবতেন সাংবাদিকতাকে কীভাবে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া যায়। রাজনীতিকে কীভাবে আরও গণমুখী-জনবান্ধব করা যায়। সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের নানা অনুষঙ্গ সংবাদে তুলে আনা, ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা যোগ করা, নতুন কিছু প্রবর্তন, সাধারণ ও শিক্ষিত মানুষের চাহিদা পূরণে নানা বিষয় ও তথ্য যুক্ত করা—এই সবকিছুতেই সংবাদ নতুন চিন্তাধারা নিয়ে আবির্ভূত হয়। গণমানুষের উন্নয়ন আদর্শ-চেতনার পথ অনুসরণ করে সংবাদে অনেক বিষয় যুক্ত হয়েছিল তাঁর উদ্যোগে।
আহমদুল কবির রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুধু রাজনৈতিক সম্পর্কই রাখতেন এমন নয়। দলের নেতা-কর্মীদের ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখের খবরও রাখতেন। কর্মীদের দুঃসময়ে তিনি তাঁদের পাশে দাঁড়াতেন। বছরের পর বছর তিনি অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও সাংবাদিকতার অভিভাবকের মতোই ছিলেন।

আহমদুল কবির সরকারি চাকরি করেছেন, ছিলেন ব্যাংকার, ব্যবসায়ী-শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সব ছাপিয়ে বাম ধারার রাজনীতিক এবং দৈনিক সংবাদের প্রধান সম্পাদক—এটাই হয়ে উঠেছিল তাঁর শেষ ও শ্রেষ্ঠ পরিচয়। তাঁর সাংবাদিকতার আদর্শ ছিল সব শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষের জন্য সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ খবর পরিবেশন এবং রাজনৈতিক আদর্শ ছিল দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাওয়া। তিনি বিশ্বাস করতেন সাংবাদিকতা এবং রাজনীতি হওয়া উচিত জনবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী।
বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে আহমদুল কবির ছিলেন একজন প্রবাদপুরুষের মতো। পঞ্চাশের দশকের মধ্যভাগে বাংলাদেশে সাংবাদিকতার মূলধারা গড়ে তুলেছিলেন যে কয়েকজন ক্ষণজন্মা সাংবাদিক ব্যক্তিত্ব, তাঁদের অগ্রগণ্য আহমদুল কবির। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির একজন আদর্শ পুরুষ। বনেদি জমিদার পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের জন্য সাংবাদিকতা ও রাজনীতির আদর্শবাদী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে দাঁড় করিয়েছিলেন।
আহমদুল কবিরকে যাঁরা কাছ থেকে দেখেছেন, তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন সাংবাদিকতা ও রাজনীতির ক্ষেত্রে, তাঁরা বলতে পারবেন কতটা সহজ-সরল ও আদর্শবাদী মানুষ ছিলেন তিনি।
দৈনিক সংবাদ ১৯৫১ সালের ১৭ মে পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আহমদের মালিকানায় ও খায়রুল কবিরের সম্পাদনায় পুরান ঢাকার ২৬৩ বংশাল সড়ক থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। এক বছর পথ চলার পর ১৯৫২ সালে তখনকার ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পত্রিকাটি কিনে নেয়। এরপর দৈনিক সংবাদ হয়ে ওঠে মুসলিম লীগের দলীয় মুখপত্র। কিন্তু মুসলিম লীগের মুখপত্র হিসেবে সংবাদ বেশি দূর এগোতে পারেনি। রাজনৈতিক ভরাডুবির কারণে ১৯৫৪ সালে রণে ভঙ্গ দেয় মুসলিম লীগ। সে বছর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কাছে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের প্রার্থীরা পরাজিত হন। ফলে মুসলিম লীগকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। এরপর দৈনিক সংবাদের প্রকাশনা অব্যাহত রাখা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তখন সংবাদ কিনে নেন সেই সময়ের তরুণ ব্যবসায়ী ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মী আহমদুল কবির।
আহমদুল কবির ছিলেন মনে-প্রাণে স্বাধীনচেতা, মুক্তিবুদ্ধি চর্চার পালক এবং অত্যাচার-নির্যাত-বৈষম্যের বিরুদ্ধে আপসহীন প্রতিবাদী। তিনি পাকিস্তানি শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদী অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন। এর পরিণাম কী হতে পারে, সেসব নিয়ে তিনি ভাবেননি। তাঁর নিজের এবং তাঁর মালিকানায় দৈনিক সংবাদ চরম প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ঢাকায় পাকিস্তান বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পর পুড়িয়ে দেওয়া হয় বংশালে দৈনিক সংবাদ কার্যালয়। বিধ্বস্ত সংবাদের সঙ্গেই ভস্মীভূত হন তখনকার সংবাদের প্রতিভাবান সাংবাদিক শহীদ সাবের।
বাংলাদেশে সাংবাদিক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আহমদুল কবিরের প্রচেষ্টা ছিল তুলনাহীন। তিনি ‘সংবাদ’কে গড়ে তোলেন শুধু একটি পত্রিকা নয়, একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে। বাংলাদেশের সংবাদপত্রে সাংবাদিকতা ও ব্যবস্থাপনার আধুনিক ধারা তিনিই প্রথম প্রবর্তন করেন। পরবর্তী সময়ে অনেকে সংবাদপত্র প্রকাশ ও সম্পাদনার ক্ষেত্রে আহমদুল কবিরের সৃজনশীল ধারা অনুসরণ করে, নতুন মাত্রার আরও অনেক অনুষঙ্গ যোগ করে সংবাদপত্র প্রকাশের বিষয়টিকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন বলা যায়।
সংবাদপত্রের জন্য পাকিস্তান আমল ছিল অত্যন্ত বৈরী সময়। সেই বৈরী পরিবেশ, প্রতিকূল রাজনৈতিক আবহ উপেক্ষা করে আহমদুল কবির প্রগতিশীল ও আধুনিক একটি নতুন ধারা প্রবর্তনে অপরিমেয় সৃজনশীল অবদান রেখে অনেকটা পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছেন। বাংলাদেশে আজ সংবাদপত্র যে চেহারায় আবির্ভূত, বলা যায় তার প্রথম প্রচলন দৈনিক সংবাদের মাধ্যমে এবং সংবাদ সেই আধুনিক ধারা এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রথম থেকেই আন্তরিকতার সঙ্গে সচেষ্ট ছিল।
আহমদুল কবির চিন্তা-চেতনায় প্রগতিশীল ধ্যান-ধারণাসম্পন্ন ছিলেন বলেই সব সময় ভাবতেন সাংবাদিকতাকে কীভাবে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া যায়। রাজনীতিকে কীভাবে আরও গণমুখী-জনবান্ধব করা যায়। সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের নানা অনুষঙ্গ সংবাদে তুলে আনা, ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা যোগ করা, নতুন কিছু প্রবর্তন, সাধারণ ও শিক্ষিত মানুষের চাহিদা পূরণে নানা বিষয় ও তথ্য যুক্ত করা—এই সবকিছুতেই সংবাদ নতুন চিন্তাধারা নিয়ে আবির্ভূত হয়। গণমানুষের উন্নয়ন আদর্শ-চেতনার পথ অনুসরণ করে সংবাদে অনেক বিষয় যুক্ত হয়েছিল তাঁর উদ্যোগে।
আহমদুল কবির রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুধু রাজনৈতিক সম্পর্কই রাখতেন এমন নয়। দলের নেতা-কর্মীদের ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখের খবরও রাখতেন। কর্মীদের দুঃসময়ে তিনি তাঁদের পাশে দাঁড়াতেন। বছরের পর বছর তিনি অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও সাংবাদিকতার অভিভাবকের মতোই ছিলেন।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫