দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি

আবু আহমেদ ছিলেন শিক্ষক। ৯০ বছর বয়সে গত মঙ্গলবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু লাশ দ্রুত দাফনের পরিবর্তে তাঁর সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারিতে লিপ্ত হন সন্তানেরা। শেষ পর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে মৃত্যুর ১৪ ঘণ্টা পর দাফন করা হয় তাঁর লাশ। ফেনীর দাগনভূঞা পৌর এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা।
আবু আহমেদ ছিলেন ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি বসবাস করতেন দাগনভূঞা পৌর শহরের আমান উল্যাহপুর গ্রামের হাসপাতাল সড়কের জননী ম্যানশনে। গ্রামের বাড়ি উপজেলার উদরাজপুর গ্রামে। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।
পরিবার, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবু আহমেদের প্রথম স্ত্রী আরাফাতের নেছা মারা যান ১৯৮৪ সালে। এরপর তিনি বিয়ে করেন ফিরোজা বেগমকে। প্রথম স্ত্রীর গর্ভে চার ছেলে ও দুই মেয়ে এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর গর্ভে তিন ছেলের জন্ম হয়। আবু আহমদের ১৫০ শতক জায়গা রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩০ কোটি টাকা। তাঁর মৃত্যুর পর লাশ দাফনে বাধা দেন প্রথম স্ত্রীর সন্তানেরা। তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা দীর্ঘদিন বিদেশে থাকায় সৎমা ও তাঁর সন্তানেরা বাবার সম্পত্তি লিখে নিয়েছেন। সম্পত্তির ভাগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা বাবার লাশ দাফন করতে দেবেন না। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে দুই স্ত্রীর সন্তানদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তখন ঘটনাস্থল থেকে একজন জাতীয় জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানার ওসি মো. হাসান ইমাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি ও নিহত আবু আহমেদের সন্তানদের নিয়ে বৈঠকে বসে সম্পত্তির বিষয়টি পরবর্তী সময়ে সমাধানের আশ্বাস দেন ওসি। এরপর মৃত্যুর ১৪ ঘণ্টা পরে পারিবারিক কবরস্থানে আবু আহমেদের দাফন হয়।
আবু আহমদের প্রথম স্ত্রীর ছেলে নেছার আহমদের অভিযোগ, ‘বাবার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে আমার সৎমা ও সৎভাইয়েরা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বাবার মূল্যবান জায়গাগুলো রেজিস্ট্রি করে নিয়েছে। আমরা চাই, বাবার সব সম্পত্তি সমানভাবে ভাগ হোক।’
তবে দ্বিতীয় স্ত্রী নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ‘আমার বাবা জীবিত থাকাকালীন অসুস্থ ছিলেন। আমরা তাঁর সেবাযত্ন ও চিকিৎসা চালিয়েছি। সেই অনুপাতে আমার বাবা আমাদের কিছু সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে দেন। তা ছাড়া বাকি সম্পত্তি আমারা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নেব।’
ওসি হাসান ইমাম জানান, লাশ দাফন হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সবাইকে নিয়ে বৈঠকের মাধ্যমে সম্পত্তির বিষয়টি সামাধান করা হবে।

আবু আহমেদ ছিলেন শিক্ষক। ৯০ বছর বয়সে গত মঙ্গলবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু লাশ দ্রুত দাফনের পরিবর্তে তাঁর সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারিতে লিপ্ত হন সন্তানেরা। শেষ পর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে মৃত্যুর ১৪ ঘণ্টা পর দাফন করা হয় তাঁর লাশ। ফেনীর দাগনভূঞা পৌর এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা।
আবু আহমেদ ছিলেন ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি বসবাস করতেন দাগনভূঞা পৌর শহরের আমান উল্যাহপুর গ্রামের হাসপাতাল সড়কের জননী ম্যানশনে। গ্রামের বাড়ি উপজেলার উদরাজপুর গ্রামে। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।
পরিবার, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবু আহমেদের প্রথম স্ত্রী আরাফাতের নেছা মারা যান ১৯৮৪ সালে। এরপর তিনি বিয়ে করেন ফিরোজা বেগমকে। প্রথম স্ত্রীর গর্ভে চার ছেলে ও দুই মেয়ে এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর গর্ভে তিন ছেলের জন্ম হয়। আবু আহমদের ১৫০ শতক জায়গা রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩০ কোটি টাকা। তাঁর মৃত্যুর পর লাশ দাফনে বাধা দেন প্রথম স্ত্রীর সন্তানেরা। তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা দীর্ঘদিন বিদেশে থাকায় সৎমা ও তাঁর সন্তানেরা বাবার সম্পত্তি লিখে নিয়েছেন। সম্পত্তির ভাগ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা বাবার লাশ দাফন করতে দেবেন না। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে দুই স্ত্রীর সন্তানদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তখন ঘটনাস্থল থেকে একজন জাতীয় জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানার ওসি মো. হাসান ইমাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি ও নিহত আবু আহমেদের সন্তানদের নিয়ে বৈঠকে বসে সম্পত্তির বিষয়টি পরবর্তী সময়ে সমাধানের আশ্বাস দেন ওসি। এরপর মৃত্যুর ১৪ ঘণ্টা পরে পারিবারিক কবরস্থানে আবু আহমেদের দাফন হয়।
আবু আহমদের প্রথম স্ত্রীর ছেলে নেছার আহমদের অভিযোগ, ‘বাবার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে আমার সৎমা ও সৎভাইয়েরা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বাবার মূল্যবান জায়গাগুলো রেজিস্ট্রি করে নিয়েছে। আমরা চাই, বাবার সব সম্পত্তি সমানভাবে ভাগ হোক।’
তবে দ্বিতীয় স্ত্রী নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ‘আমার বাবা জীবিত থাকাকালীন অসুস্থ ছিলেন। আমরা তাঁর সেবাযত্ন ও চিকিৎসা চালিয়েছি। সেই অনুপাতে আমার বাবা আমাদের কিছু সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে দেন। তা ছাড়া বাকি সম্পত্তি আমারা ভাগ-বাঁটোয়ারা করে নেব।’
ওসি হাসান ইমাম জানান, লাশ দাফন হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সবাইকে নিয়ে বৈঠকের মাধ্যমে সম্পত্তির বিষয়টি সামাধান করা হবে।

গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫
আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫