
ঈদের টানা ছুটির প্রথম দিন ১৭ মার্চ থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে কালবৈশাখী। এর সঙ্গে ছিল বজ্রবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি। তাই আনন্দের ঈদযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায় আবহাওয়ার বৈরী আচরণ। ঈদের দিনটিও ছিল মেঘাচ্ছন্ন। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ছিল কমবেশি বৃষ্টির কবলে। গতকাল সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ২৬ মিলিমিটার।
তবে ঈদের পর সারা দেশে বৃষ্টির মাত্রা আরও বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফলে ঈদের ছুটি শেষে ফিরতি পথের যাত্রীদেরও দুর্ভোগে পড়তে হতে পারে।
আজ সকাল ৯টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগামী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ দেশের তিনটি বিভাগ ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চল আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
পরদিন ২৩ মার্চ চট্টগ্রামে বৃষ্টির মাত্রা কমলেও রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
২৪ মার্চ থেকে ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা বাড়বে জানিয়ে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ওই দিন রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। ২৬ মার্চ বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে।

টানা ভারী বৃষ্টিতে রাজধানী ঢাকার জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। আজ রোববার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টায় ঢাকায় ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আজ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
পরিবেশমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কা নয়, এটি আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা। অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তীব্র তাপপ্রবাহ এবং উপকূলীয় লবণাক্ততা আমাদের জীবন-জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
১ দিন আগে
১২ ডিসেম্বর ২০১২। নেপালের চিতবন জাতীয় উদ্যানের বাউন্ডারি ঘেঁষা মাদি এলাকার বারুয়া বাজারে নিথর হয়ে বসে ছিলেন শনিচরা বোটে। পাশে পড়ে ছিল তাঁর বাবা বুধিরাম এবং মা ঝরালির রক্তাক্ত মরদেহ। ‘ধুর্বে’ নামের একটি কুখ্যাত বুনো হাতি তাঁদের পিষে মেরে ফেলেছিল।
১ দিন আগে