
প্রায় ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের সিকিমে।
ইন্ডিয়ান মিটিওরোলজিকাল ডিপার্টমেন্টের (আইএমডি) বরাত দিয়ে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) ইএমএসসি জানায়, ভূপৃষ্ঠ থেকে ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
জানা গেছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সিকিমে হলেও এর প্রভাবে জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং শিলিগুড়ির বেশ কিছু অংশে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়। তবে তীব্রতা কম থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে গতকাল বুধবার রাত ১০টা ৫১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
ইএমএসসি জানায়, রিখটার স্কেলে ওই ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১। উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাংগাই অঞ্চলের মনিওয়া শহর থেকে প্রায় ১১২ কিলোমিটার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমে এবং মাওলাইক শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০১ কিলোমিটার।
এদিকে বাংলাদেশে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানান, রাত ১০টা ৫১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে মাঝারি মাত্রার এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৪৬২ কিলোমিটার দূরে। এই ভূমিকম্প ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত হয়েছে। তবে কক্সবাজার এবং এর আশপাশের অঞ্চলে এর মাত্রা ছিল তুলনামূলক বেশি।

খুব অসহনীয় গরম না পড়লেও বসন্তের শুরু থেকে সারা দেশে বাড়ছে তাপমাত্রা। গত মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চট্টগ্রাম জেলার আমবাগান অঞ্চলে ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকাল বুধবার ছিল একই জেলার সীতাকুণ্ডে ১৩ দশমিক ৬।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকায় আজ বৃহস্পতিবার ভোরবেলা কিছুটা কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলেও সকালে সূর্যের দেখা মিলেছে। তবে আগের দিন বুধবারের চেয়ে তাপমাত্রা ১৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে আজ হয়েছে ২০ দশমিক ৬। তবে দিনের বেলা তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
৮ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার কম্পন বাংলাদেশেও মৃদুভাবে অনুভূত হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা দুলুনি টের পাওয়ার কথা জানিয়েছেন অনেকে।
১৭ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীর একমাত্র উড়তে না পারা তোতা পাখি ‘কাকাপো’ বিলুপ্তির মুখ থেকে ধীরে ধীরে ফিরে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে আশঙ্কা ছিল—অতিরিক্ত ওজন, ধীর গতি আর শিকারিদের কাছে সহজ শিকার হয়ে পড়ার কারণে এই বিরল পাখিটি হয়তো টিকে থাকতে পারবে না।
১৯ ঘণ্টা আগে