ঢাকা: শিরোনামে ‘ফিরছেন’ শব্দটা সারিকার মতো খুব কম তারকার ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয়েছে। এই ‘ফিরছেন’ শব্দটা নিয়ে বিপাকে আছেন সারিকাও। নতুন কোনো কাজের খবর প্রকাশ হলেই শব্দটা জুড়ে যায় তাঁর নামে। সেটার কারণও আছে নিশ্চয়ই। অনেকেই অনেক সময় আপত্তি নিয়ে বলেন, সারিকাকে নাকি কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না! তাঁর সহশিল্পী থেকে শুরু করে নির্মাতা, এমনকি সংবাদকর্মীরাও তাঁর হদিস জানেন না।
মডেলিং ও অভিনয়ের মাধ্যমে পর্দায় ও পর্দার বাইরে যে প্রভাব তিনি বিস্তার করেছিলেন, শামুকের মতো সেটাকে নিজেই গুটিয়ে নিয়েছিলেন। ফিরেছেন কি? প্রশ্নটার উত্তর দেওয়ার জন্য যেন মুখিয়ে ছিলেন মডেল-অভিনেত্রী।
বললেন, ‘আমাকে নিয়ে কিছুদিন পরপরই এমন শিরোনাম হয়। কেন হয় জানি না! গত বছর জুলাইয়ে কাজ শুরু করেছি, এর মধ্যে কিন্তু কোনো বিরতি দিইনি। ঈদে খুব সম্ভবত আমার কাজ গিয়েছে ১৮–২০টির মতো আর ৭ পর্বের দুটি ধারাবাহিক নাটক। মাঝখানে তো শুটিংই হয়নি। যখন কাজের ফ্লো আবার বেড়েছে, আমিও কিন্তু তুমুল ব্যস্ত ছিলাম। নাহয় এত কাজের সংখ্যা কীভাবে হয়! আমার ফেরাও কী, আবার হারিয়ে যাওয়ারও–বা কী! ক্যারিয়ারে একবারই ব্রেক নিয়েছিলাম তিন বছরের, আমার মেয়ের জন্মের সময়। ওর বয়স এখন ছয় বছর। এই ছয় বছরে মানুষ আমাকে কম হলেও ২০ বার ফিরিয়েছে। আমি আর কতবার ফিরব? প্রশ্নটা আমারও।’
আমি ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করি না। যে কারণে ক্ষণে ক্ষণে আমার শুটিংয়ের ছবি ফেসবুকে পাওয়া যায় না। এ কারণে অনেকে ভাবেন আমি কাজ করি না বা খুঁজলে পাওয়া যায় না।
সারিকা সাবরিন, অভিনেত্রী
ঈদের কাজগুলো থেকে রেসপন্স কীভাবে পাচ্ছেন? ‘সব কাজ আমার নিজেরও দেখা হয়ে ওঠেনি। তবে ‘জমজ ১৪’ নাটক থেকে অনেক ভালো সাড়া পেয়েছি, মোশাররম করিম ভাইয়ের সঙ্গে। তাহসানের সঙ্গে ‘কম খরচে ভালোবাসা’ এবং চঞ্চল ভাইয়ের সঙ্গে ‘ভাড়ুয়া’; এগুলো থেকে বেশ ভালো সাড়া পেয়েছি। শুধু এই তিনটাই নয়, এবার মোটামুটি অনেক কাজ থেকেই ভালো সাড়া পেয়েছি। আমি অনেক গ্রেটফুল দর্শকেরা এতটা ভালোবাসা প্রকাশ করায়।’
মেয়ে আনায়াহ ছোট ছিল বলে বিরতি নিয়েছিলেন। এখন কাজে নিয়মিত হতে পারছেন, কারণ মেয়ে বড় হয়েছে। আগে শুটিংয়ে যাওয়ার আগে কান্না করত, এখন সেটা করে না। আনায়াহ এখন বোঝে, মা কাজে যাচ্ছে, আবার সময়মতো ফিরবে।
‘আমি নিজস্ব নিয়মে কাজ করি। যাঁরা আমার ক্যারিয়ার গ্রাফ দেখেছেন, তাঁরা জানেন আমি কখনোই সারা মাস, সারা বছর কাজ করিনি। পারিও না। আমার রেস্ট দরকার হয়। মুড বুঝে কাজ করি।’
সারিকা সাবরিন, অভিনেত্রী
অনেক পরিচালকের অভিযোগ, সারিকাকে যখন-তখন পাওয়া যায় না। এর উত্তরও দিলেন সারিকা, ‘আমি ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করি না। যে কারণে ক্ষণে ক্ষণে আমার শুটিংয়ের ছবি ফেসবুকে পাওয়া যায় না। এ কারণে অনেকে ভাবেন আমি কাজ করি না বা খুঁজলে পাওয়া যায় না।’
আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে ফেসবুকে নেই সারিকা। অবশ্য তাঁর নামে শখানেক অ্যাকাউন্ট পাওয়া যাবে ফেসবুকে। তাঁর ছবি দিয়ে নামটা একটু এদিক-ওদিক করে কারা যেন চালায় এসব। সারিকা বলেন, ‘নাটকে আমার সহশিল্পী বা পরিচালকদের ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিতে অনেকে যখন আমাকে দেখেন তখন চমকে ওঠেন, এই বুঝি সারিকা কাজ শুরু করল।’
সারিকাকে না পাওয়ার আরেকটি কারণ তাঁর মুঠোফোন নম্বর। নতুন নম্বরটা অনেকেই জানেন না। ‘যে নম্বরটা অনেক দিন ধরে ব্যবহার করছিলাম (শেষের তিন ডিজিট ৭৭৭), যেটা সবাই জানত। সেখানে হয়তো কল দিয়ে না পেয়ে বলেন আমাকে পাওয়া যায় না। অথচ আমার নতুন নম্বরটা সার্বক্ষণিক খোলা থাকে’—কৈফিয়ত দেওয়ার ভঙিতে বললেন সারিকা।
ঈদের পরও পুরো ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। শুরুটা করেছেন অপূর্বর সঙ্গে ‘হার্ট টু হার্ট’ নাটকের মাধ্যমে। সারিকা বললেন, ‘ অপূর্ব’র সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা অবশ্যই খুব ভালো। ও আমার ক্যারিয়ারের শুরু থেকে ভালো বন্ধু। ওর সঙ্গে তো আজকে থেকে না, অনেক বছর ধরেই কাজ করে এসেছি। এককথায় বলতে গেলে, আমি ওর সঙ্গে কাজ করতে একটু বেশিই পছন্দ করি সব সময়।’

দেশপ্রেমের গল্পে শাকিব খানকে নিয়ে সাকিব ফাহাদ নির্মাণ করছেন ‘সোলজার’ নামের সিনেমা। গত বছর অক্টোবরে শুরু হয়েছিল শুটিং। ডিসেম্বরেই সোলজার মুক্তি দেবেন বলে জানিয়েছিলেন নির্মাতা। এর মাঝে গত দুই ঈদে শাকিব খান অভিনীত দুই সিনেমা মুক্তি পেলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি সোলজার।
১৪ ঘণ্টা আগে
কথাসাহিত্যিক আবুল বাশারের ‘পবিত্র অসুখ’ উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ ধারাবাহিক ‘চাওয়া পাওয়া’। ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য লিখেছেন মনসুর রহমান চঞ্চল। এতে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে অভিনয় করলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ডলি জহুর, আবৃত্তিশিল্পী ও অভিনেত্রী মুনিরা ইউসুফ মেমী ও অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম।
১৪ ঘণ্টা আগে
গত শনিবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে উদ্যাপিত হলো প্রযোজক হিসেবে আমির খানের ২৫ বছর পূর্তি। একই সঙ্গে আয়োজনটি ছিল আমিরের প্রযোজিত প্রথম সিনেমা ‘লগান’-এর ২৫ বছর পূর্তির উৎসব। আমিরের আমন্ত্রণে এ অনুষ্ঠানে হাজির হন বলিউডের জনপ্রিয় তারকারা।
১৪ ঘণ্টা আগে
মা গুলনাহার বেগমের স্বপ্ন ছিল ছেলে আতিক একদিন জনপ্রিয় শিল্পী হবেন। সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই ২০০৩ সালে প্রয়াত হন আতিকের মা। এরপর মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে ঢাকায় ছুটে আসেন আতিক, গার্মেন্টসে চাকরি নেন, পাশাপাশি চালিয়ে চান গানের চর্চা।
১৪ ঘণ্টা আগে