মামুনুর রশীদ

আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে যাত্রা শুরু হয় স্বাধীন বাংলাদেশের। ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাদের বর্বরোচিত হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। ভয়াবহ সেই দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেছেন মামুনুর রশীদ। অনুলিখনে মীর রাকিব হাসান
২৫ মার্চ কালরাতে আমি গ্রিন রোডে ছিলাম। প্রয়াত চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক ফরহাদ সাহেবের বাসায়। আমরা সন্ধ্যা থেকেই টের পাচ্ছিলাম কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে ঢাকায়। একটা ছমছমে পরিবেশ। ফরহাদ সাহেবের বাসায় বসে আমি একটা চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্ট লিখছিলাম। উনি বললেন, ‘বাইরের অবস্থা তো ভালো নয়, তুমি বরং থেকেই যাও। আর রাস্তাঘাটেও নাকি ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে।’
ওই রাতে আমি ফারহাদ সাহেবের বাসায় থেকে গেলাম। রাত যখন গভীর হচ্ছিল, সারা শহরে গুলির আওয়াজ বাড়ছিল। টের পাচ্ছিলাম, গ্রিন রোডের ওই বাড়ির সামনে দিয়ে ট্যাংক যাচ্ছে। একটা সময় ট্যাংক দিয়ে বেশ কিছু ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো। আমরা ধরেই নিয়েছিলাম, যেকোনো সময় যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। হয়তো মৃত্যুও হতে পারে। অন্ধকার আকাশ তখন আলোকিত হয়ে গেছে পাকিস্তানি সেনাদের গুলির ঝলকানিতে। আকাশে তখন হাওয়াই বাতির মতো গুলি ছুড়ছিল ওরা। জানতে পারলাম, ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ওরা হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। সারা রাত ধরেই গুলির শব্দ। কখন থামবে তার কোনো ইয়াত্তা পেলাম না।
আমরা ধরে নিয়েছিলাম হয়তো ফজরের আজানের সময় গুলি করবে না, বা তারপর থামবে। কিন্তু কিসের কী! তখনো চলছিল ধ্বংসযজ্ঞ। পরের দিনও বের হতে পারলাম না। সারা শহরে কারফিউ ছিল। ২৭ তারিখ বের হয়ে দেখি লাশ আর লাশ। মানুষ ছুটছে এলোমেলোভাবে। আমার বোনের বাসা ছিল গুলিস্তানের পাশে। তার বাসায় যেতে এসব দৃশ্য সহ্য করতে পারছিলাম না। একটা কসাইখানায় দেখি গরুও মেরে ফেলেছে। সেই রাতের কথা ভাবলে আজও গা শিউরে ওঠে।

আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে যাত্রা শুরু হয় স্বাধীন বাংলাদেশের। ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাদের বর্বরোচিত হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। ভয়াবহ সেই দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেছেন মামুনুর রশীদ। অনুলিখনে মীর রাকিব হাসান
২৫ মার্চ কালরাতে আমি গ্রিন রোডে ছিলাম। প্রয়াত চিত্রগ্রাহক ও পরিচালক ফরহাদ সাহেবের বাসায়। আমরা সন্ধ্যা থেকেই টের পাচ্ছিলাম কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে ঢাকায়। একটা ছমছমে পরিবেশ। ফরহাদ সাহেবের বাসায় বসে আমি একটা চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্ট লিখছিলাম। উনি বললেন, ‘বাইরের অবস্থা তো ভালো নয়, তুমি বরং থেকেই যাও। আর রাস্তাঘাটেও নাকি ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে।’
ওই রাতে আমি ফারহাদ সাহেবের বাসায় থেকে গেলাম। রাত যখন গভীর হচ্ছিল, সারা শহরে গুলির আওয়াজ বাড়ছিল। টের পাচ্ছিলাম, গ্রিন রোডের ওই বাড়ির সামনে দিয়ে ট্যাংক যাচ্ছে। একটা সময় ট্যাংক দিয়ে বেশ কিছু ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো। আমরা ধরেই নিয়েছিলাম, যেকোনো সময় যেকোনো কিছু ঘটতে পারে। হয়তো মৃত্যুও হতে পারে। অন্ধকার আকাশ তখন আলোকিত হয়ে গেছে পাকিস্তানি সেনাদের গুলির ঝলকানিতে। আকাশে তখন হাওয়াই বাতির মতো গুলি ছুড়ছিল ওরা। জানতে পারলাম, ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসসহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ওরা হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। সারা রাত ধরেই গুলির শব্দ। কখন থামবে তার কোনো ইয়াত্তা পেলাম না।
আমরা ধরে নিয়েছিলাম হয়তো ফজরের আজানের সময় গুলি করবে না, বা তারপর থামবে। কিন্তু কিসের কী! তখনো চলছিল ধ্বংসযজ্ঞ। পরের দিনও বের হতে পারলাম না। সারা শহরে কারফিউ ছিল। ২৭ তারিখ বের হয়ে দেখি লাশ আর লাশ। মানুষ ছুটছে এলোমেলোভাবে। আমার বোনের বাসা ছিল গুলিস্তানের পাশে। তার বাসায় যেতে এসব দৃশ্য সহ্য করতে পারছিলাম না। একটা কসাইখানায় দেখি গরুও মেরে ফেলেছে। সেই রাতের কথা ভাবলে আজও গা শিউরে ওঠে।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৪ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৪ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৪ ঘণ্টা আগে