
আবারও ভারতীয় ওয়েব সিরিজে নাম লেখাচ্ছেন আরিফিন শুভ। এবার তাঁকে দেখা যাবে সৌমিক সেনের নতুন সিরিজে। এতে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করবেন টালিউড অভিনেত্রী সৌরসেনী মৈত্র। ইতিমধ্যে দুই অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা শেষ করেছেন নির্মাতা। তবে সিরিজটির নাম এখনো জানা যায়নি।
সৌমিক সেন সর্বশেষ যুক্ত ছিলেন গত বছর মুক্তি পাওয়া জনপ্রিয় হিন্দি সিরিজ ‘জুবিলি’র সঙ্গে। বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানের সঙ্গে যৌথভাবে সিরিজটির চিত্রনাট্য লিখেছিলেন সৌমিক। প্রেক্ষাপট ছিল চল্লিশের দশকের শেষের দিকের মুম্বাই শহর ও বলিউডের শুরুর দিকের ঘটনা। জুবিলির মতো নতুন এ সিরিজেও সৌমিক পর্দায় তুলে ধরবেন পুরোনো প্রেক্ষাপট। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, সিরিজটি নির্মিত হবে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গল্পে।
তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে এখনই সিরিজটি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি নন নির্মাতা সৌমিক। আরিফিন শুভও মন্তব্য করতে চাননি। তবে এতে অভিনয়ের খবরটি অস্বীকার করেননি শুভ। জানালেন, সময় হলে সব জানাবেন। সিরিজটির প্রযোজনার দায়িত্বে থাকছেন অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়। শোনা যাচ্ছে, শিগগিরই শুরু হবে শুটিং।
এর আগে ভারতের দুটি ওয়েব কনটেন্টের কাজ শেষ করেছেন আরিফিন শুভ। অরিন্দম শীলের ওয়েব সিনেমা ‘১৯ এপ্রিল’ ও রাহুল মুখার্জির সিরিজ ‘লহু’তে দেখা যাবে তাঁকে। ১৯ এপ্রিলের কাহিনি সত্তর দশকের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে। গল্পে দেখা যাবে, শহরের এক অভিজাত পরিবার। যারা শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত। সেই পরিবারের গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। শুভ ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন অঙ্কিতা চক্রবর্তী, সৌরসেনী মৈত্র, ইন্দ্রাশিস রায় প্রমুখ।
অন্যদিকে পাহাড়ি অঞ্চলের গল্পে নির্মিত হয়েছে লহু। শুভর বিপরীতে আছেন সোহিনী সরকার। আরও আছেন রাজনন্দিনী পাল, সৌম্য মুখোপাধ্যায়, শ্যামল চক্রবর্তী, অনুজয় চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এ ছাড়া দেশে মুক্তির অপেক্ষায় শুভ অভিনীত দুটি সিনেমা—মিঠু খানের ‘নীলচক্র’ ও রায়হান রাফীর ‘নূর’।

আবারও ভারতীয় ওয়েব সিরিজে নাম লেখাচ্ছেন আরিফিন শুভ। এবার তাঁকে দেখা যাবে সৌমিক সেনের নতুন সিরিজে। এতে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করবেন টালিউড অভিনেত্রী সৌরসেনী মৈত্র। ইতিমধ্যে দুই অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা শেষ করেছেন নির্মাতা। তবে সিরিজটির নাম এখনো জানা যায়নি।
সৌমিক সেন সর্বশেষ যুক্ত ছিলেন গত বছর মুক্তি পাওয়া জনপ্রিয় হিন্দি সিরিজ ‘জুবিলি’র সঙ্গে। বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানের সঙ্গে যৌথভাবে সিরিজটির চিত্রনাট্য লিখেছিলেন সৌমিক। প্রেক্ষাপট ছিল চল্লিশের দশকের শেষের দিকের মুম্বাই শহর ও বলিউডের শুরুর দিকের ঘটনা। জুবিলির মতো নতুন এ সিরিজেও সৌমিক পর্দায় তুলে ধরবেন পুরোনো প্রেক্ষাপট। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, সিরিজটি নির্মিত হবে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গল্পে।
তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে এখনই সিরিজটি নিয়ে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি নন নির্মাতা সৌমিক। আরিফিন শুভও মন্তব্য করতে চাননি। তবে এতে অভিনয়ের খবরটি অস্বীকার করেননি শুভ। জানালেন, সময় হলে সব জানাবেন। সিরিজটির প্রযোজনার দায়িত্বে থাকছেন অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়। শোনা যাচ্ছে, শিগগিরই শুরু হবে শুটিং।
এর আগে ভারতের দুটি ওয়েব কনটেন্টের কাজ শেষ করেছেন আরিফিন শুভ। অরিন্দম শীলের ওয়েব সিনেমা ‘১৯ এপ্রিল’ ও রাহুল মুখার্জির সিরিজ ‘লহু’তে দেখা যাবে তাঁকে। ১৯ এপ্রিলের কাহিনি সত্তর দশকের একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে। গল্পে দেখা যাবে, শহরের এক অভিজাত পরিবার। যারা শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত। সেই পরিবারের গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। শুভ ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন অঙ্কিতা চক্রবর্তী, সৌরসেনী মৈত্র, ইন্দ্রাশিস রায় প্রমুখ।
অন্যদিকে পাহাড়ি অঞ্চলের গল্পে নির্মিত হয়েছে লহু। শুভর বিপরীতে আছেন সোহিনী সরকার। আরও আছেন রাজনন্দিনী পাল, সৌম্য মুখোপাধ্যায়, শ্যামল চক্রবর্তী, অনুজয় চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এ ছাড়া দেশে মুক্তির অপেক্ষায় শুভ অভিনীত দুটি সিনেমা—মিঠু খানের ‘নীলচক্র’ ও রায়হান রাফীর ‘নূর’।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১ ঘণ্টা আগে