
সিনেমাজগতে অনেক অভিনয়শিল্পীই পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করে জীবনটা পার করে দেন। তবে অভিনয়গুণে সব বাধা ডিঙিয়ে নিজেকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে প্রতিষ্ঠা করার নজিরও আছে। এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। ২৭ বছরের অভিনয় ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় চরিত্রে দর্শকদের সামনে আসছেন তিনি।
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় সৃষ্ট জনপ্রিয় চরিত্র টেনিদাকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন সায়ন্তন ঘোষাল। আর টেনিদা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাঞ্চন মল্লিক। শুধু তা-ই নয়, সিনেমার পোস্টার ফেঁসেও রয়েছেন কাঞ্চন। ‘ঝাউবাংলো রহস্য’ গল্প অবলম্বনে সিনেমাটির নাম ‘টেনিদা অ্যান্ড কোম্পানি’। আজ পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি।
ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে কাঞ্চন মল্লিক বলেন, ‘এর আগে কোনো সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা হয়নি। আমি বলছি না আমি এই সিনেমার নায়ক। কিন্তু টেনিদাকে নিয়ে আবার সিনেমা তৈরি হয়েছে, নতুন সিনেমায় আমি টেনিদার চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেলাম, এটা যে কত বড় পাওনা, সেটা বলে বোঝানো যাবে না। ২৭ বছর সময় লাগল কোনো সিনেমার পোস্টারের মূল চরিত্রের মুখ হতে।’
নিজের চরিত্র নিয়ে কাঞ্চন মল্লিক বলেন, ‘টেনিদা এমন একটা চরিত্র, যে ভালো ক্রিকেট খেলে, ফুটবল বোঝে। নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। একই সঙ্গে মিথ্যে বলতেও সে ওস্তাদ। চেষ্টা করেছি এই চরিত্রের প্রতিটা দিক ফুটিয়ে তুলতে। পরিচালকের সঙ্গে শুটিং শুরুর বেশ আগে থেকেই চরিত্রটি নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম।’
টেনিদার চরিত্রে কাঞ্চনের পাশাপাশি ক্যাবলার ভূমিকায় দেখা যাবে গৌরব চক্রবর্তীকে। প্যালার চরিত্রে সৌমেন্দ্র ভট্টাচার্য এবং হাবুলের ভূমিকায় রয়েছেন সৌরভ সাহা।
এর আগে ‘চার মূর্তি’ সিনেমায় টেনিদার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন কিংবদন্তি চিন্ময় রায়। পরবর্তী সময়ে চিন্ময় রায়ের পরিচালনায় টেনিদা হয়েছিলেন শুভাশিস মুখোপাধ্যায়।

সিনেমাজগতে অনেক অভিনয়শিল্পীই পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করে জীবনটা পার করে দেন। তবে অভিনয়গুণে সব বাধা ডিঙিয়ে নিজেকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে প্রতিষ্ঠা করার নজিরও আছে। এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক। ২৭ বছরের অভিনয় ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় চরিত্রে দর্শকদের সামনে আসছেন তিনি।
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় সৃষ্ট জনপ্রিয় চরিত্র টেনিদাকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন সায়ন্তন ঘোষাল। আর টেনিদা চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাঞ্চন মল্লিক। শুধু তা-ই নয়, সিনেমার পোস্টার ফেঁসেও রয়েছেন কাঞ্চন। ‘ঝাউবাংলো রহস্য’ গল্প অবলম্বনে সিনেমাটির নাম ‘টেনিদা অ্যান্ড কোম্পানি’। আজ পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি।
ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে কাঞ্চন মল্লিক বলেন, ‘এর আগে কোনো সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা হয়নি। আমি বলছি না আমি এই সিনেমার নায়ক। কিন্তু টেনিদাকে নিয়ে আবার সিনেমা তৈরি হয়েছে, নতুন সিনেমায় আমি টেনিদার চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেলাম, এটা যে কত বড় পাওনা, সেটা বলে বোঝানো যাবে না। ২৭ বছর সময় লাগল কোনো সিনেমার পোস্টারের মূল চরিত্রের মুখ হতে।’
নিজের চরিত্র নিয়ে কাঞ্চন মল্লিক বলেন, ‘টেনিদা এমন একটা চরিত্র, যে ভালো ক্রিকেট খেলে, ফুটবল বোঝে। নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। একই সঙ্গে মিথ্যে বলতেও সে ওস্তাদ। চেষ্টা করেছি এই চরিত্রের প্রতিটা দিক ফুটিয়ে তুলতে। পরিচালকের সঙ্গে শুটিং শুরুর বেশ আগে থেকেই চরিত্রটি নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম।’
টেনিদার চরিত্রে কাঞ্চনের পাশাপাশি ক্যাবলার ভূমিকায় দেখা যাবে গৌরব চক্রবর্তীকে। প্যালার চরিত্রে সৌমেন্দ্র ভট্টাচার্য এবং হাবুলের ভূমিকায় রয়েছেন সৌরভ সাহা।
এর আগে ‘চার মূর্তি’ সিনেমায় টেনিদার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন কিংবদন্তি চিন্ময় রায়। পরবর্তী সময়ে চিন্ময় রায়ের পরিচালনায় টেনিদা হয়েছিলেন শুভাশিস মুখোপাধ্যায়।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৩ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৩ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৩ ঘণ্টা আগে