
‘অন্যায় অবিচার’ সিনেমায় মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন রোজিনা। ১৯৮৫ সালের ঘটনা সেটা। প্রায় চার দশক পর আবারও মিঠুনের সঙ্গে দেখা যাবে বাংলাদেশের কোনো অভিনেত্রীকে। নির্মাতা মানস মুকুল পাল তাঁর পরবর্তী সিনেমায় মিঠুনের বিপরীতে আফসানা মিমির কথা ভাবছেন।
তবে এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি। কেবল আছে আলোচনার পর্যায়ে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে নির্মাতা মানস মুকুল জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেই আফসানা মিমির সঙ্গে কথা বলার জন্য বাংলাদেশে আসবেন তিনি। সিনেমাটি তৈরি হচ্ছে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে। তবে কোন উপন্যাস, সেটা খোলাসা করেননি নির্মাতা। জানাননি সিনেমার নামও।
নতুন এই সিনেমার বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয় আফসানা মিমির সঙ্গে। শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন মিমি, তাই কল রিসিভ করতে পারেননি। পরে হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ পাঠিয়ে জানান, শুটিংয়ে ব্যস্ত আছেন, বিষয়টি নিয়ে পরে কথা বলবেন। তবে এ সিনেমায় তাঁর অভিনয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেননি আফসানা মিমি।
পরে আফসানা মিমি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মানস মুকুল পাল আমাকে একটা গল্প শুনিয়েছেন। বলেছেন, মিঠুন চক্রবর্তীর সাথে কাজটা করতে চান আমাকে নিয়ে। বাকিটা সময়ের অপেক্ষা। এর বেশি কিছু বলার নেই এখন। তবে আমি যতটুকু জানি, এটা হুমায়ূন আহমেদের গল্প নিয়ে নয়।’
নির্মাতা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে সিনেমাটির কিছু অংশের শুটিং করার ইচ্ছা আছে তাঁর। তাই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করেছেন। মানস মুকুল বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের যে উপন্যাস নিয়ে চিত্রনাট্য লেখার কথা ভাবছি, সেখানে ঢাকা, কিশোরগঞ্জসহ অন্যান্য জায়গার কথা উল্লেখ আছে। সেই জায়গাগুলো নিজে গিয়ে দেখে এলে সেই উপলব্ধি আমার থাকবে, তাতে চিত্রনাট্য লেখার কাজও সহজ হবে।’
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর, ভিসা জটিলতার কারণে দেশের একাধিক শিল্পী ওপার বাংলার কাজ ফিরিয়েছেন। একই অবস্থা টালিউড শিল্পীদেরও। তবে মানস এ বিষয়ে চিন্তিত নন। কারণ, সিনেমার শুটিং শুরু হতে এখনো বেশ সময় রয়েছে তাঁর হাতে। মানস বলেন, ‘আমি মাত্র চিত্রনাট্য লেখার কাজ শুরু করব। এই সিনেমার আগে তিনটি সিনেমা পাইপলাইনে আছে। এরপর শুরু হবে এর শুটিং। এতদিনে সবঠিক হয়ে যাবে বলেই প্রত্যাশা করছি।’
২০১৬ সালে মুক্তি পেয়েছিল মানস মুকুলের প্রথম সিনেমা ‘সহজ পাঠের গপ্পো’। প্রথম সিনেমাতেই প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন নির্মাতা। এরপর বিপ্লবী দীনেশ গুপ্তর জীবনকাহিনি নিয়ে আরেকটি সিনেমার কাজ শুরু করেন।
অন্যদিকে, চলতি মাসেই ভিয়েতনামের সপ্তম হ্যানয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রজেক্ট মার্কেট বিভাগে সেরা হয়েছে আফসানা মিমির নতুন প্রজেক্ট ‘রেড লাইটস ব্লু অ্যাঞ্জেলস’, বাংলা নাম ‘লাল বাতির নীল পরিরা’। তানভীর হোসেনের প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করবেন মিমি। ২০২৬ সালে সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা।

‘অন্যায় অবিচার’ সিনেমায় মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন রোজিনা। ১৯৮৫ সালের ঘটনা সেটা। প্রায় চার দশক পর আবারও মিঠুনের সঙ্গে দেখা যাবে বাংলাদেশের কোনো অভিনেত্রীকে। নির্মাতা মানস মুকুল পাল তাঁর পরবর্তী সিনেমায় মিঠুনের বিপরীতে আফসানা মিমির কথা ভাবছেন।
তবে এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি। কেবল আছে আলোচনার পর্যায়ে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে নির্মাতা মানস মুকুল জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেই আফসানা মিমির সঙ্গে কথা বলার জন্য বাংলাদেশে আসবেন তিনি। সিনেমাটি তৈরি হচ্ছে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে। তবে কোন উপন্যাস, সেটা খোলাসা করেননি নির্মাতা। জানাননি সিনেমার নামও।
নতুন এই সিনেমার বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হয় আফসানা মিমির সঙ্গে। শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন মিমি, তাই কল রিসিভ করতে পারেননি। পরে হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ পাঠিয়ে জানান, শুটিংয়ে ব্যস্ত আছেন, বিষয়টি নিয়ে পরে কথা বলবেন। তবে এ সিনেমায় তাঁর অভিনয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেননি আফসানা মিমি।
পরে আফসানা মিমি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মানস মুকুল পাল আমাকে একটা গল্প শুনিয়েছেন। বলেছেন, মিঠুন চক্রবর্তীর সাথে কাজটা করতে চান আমাকে নিয়ে। বাকিটা সময়ের অপেক্ষা। এর বেশি কিছু বলার নেই এখন। তবে আমি যতটুকু জানি, এটা হুমায়ূন আহমেদের গল্প নিয়ে নয়।’
নির্মাতা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে সিনেমাটির কিছু অংশের শুটিং করার ইচ্ছা আছে তাঁর। তাই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করেছেন। মানস মুকুল বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদের যে উপন্যাস নিয়ে চিত্রনাট্য লেখার কথা ভাবছি, সেখানে ঢাকা, কিশোরগঞ্জসহ অন্যান্য জায়গার কথা উল্লেখ আছে। সেই জায়গাগুলো নিজে গিয়ে দেখে এলে সেই উপলব্ধি আমার থাকবে, তাতে চিত্রনাট্য লেখার কাজও সহজ হবে।’
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর, ভিসা জটিলতার কারণে দেশের একাধিক শিল্পী ওপার বাংলার কাজ ফিরিয়েছেন। একই অবস্থা টালিউড শিল্পীদেরও। তবে মানস এ বিষয়ে চিন্তিত নন। কারণ, সিনেমার শুটিং শুরু হতে এখনো বেশ সময় রয়েছে তাঁর হাতে। মানস বলেন, ‘আমি মাত্র চিত্রনাট্য লেখার কাজ শুরু করব। এই সিনেমার আগে তিনটি সিনেমা পাইপলাইনে আছে। এরপর শুরু হবে এর শুটিং। এতদিনে সবঠিক হয়ে যাবে বলেই প্রত্যাশা করছি।’
২০১৬ সালে মুক্তি পেয়েছিল মানস মুকুলের প্রথম সিনেমা ‘সহজ পাঠের গপ্পো’। প্রথম সিনেমাতেই প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন নির্মাতা। এরপর বিপ্লবী দীনেশ গুপ্তর জীবনকাহিনি নিয়ে আরেকটি সিনেমার কাজ শুরু করেন।
অন্যদিকে, চলতি মাসেই ভিয়েতনামের সপ্তম হ্যানয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রজেক্ট মার্কেট বিভাগে সেরা হয়েছে আফসানা মিমির নতুন প্রজেক্ট ‘রেড লাইটস ব্লু অ্যাঞ্জেলস’, বাংলা নাম ‘লাল বাতির নীল পরিরা’। তানভীর হোসেনের প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করবেন মিমি। ২০২৬ সালে সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা।

কয়েকজন তরুণ নাট্যকর্মী নতুন ধারার থিয়েটার নির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে গঠন করেছেন ‘থেসপিয়ানস দ্য ঢাকা’ নামের নতুন নাট্যদল। এ মাসেই ঢাকার মঞ্চে যাত্রা শুরু করবে দলটি। থেসপিয়ানস দ্য ঢাকার প্রথম প্রযোজনার নাম ‘দ্য সি অব সাইলেন্স’। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় রয়েছেন তাজউদ্দিন তাজু।
১০ ঘণ্টা আগে
ফজলু নামের পেনশন অফিসের তৃতীয় শ্রেণির এক অসৎ কর্মচারী এবং তার পরিণতির গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছিল নাটক ‘কাঁটা’। ২০২৪ সালে প্রচারিত হয়েছিল বঙ্গতে। এবার আসছে নাটকটির সিকুয়েল। ১৫ জানুয়ারি বঙ্গতে মুক্তি পাবে রিয়াদ মাহমুদ রচিত ও পরিচালিত ‘কাঁটা ২’।
১০ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১০ ঘণ্টা আগে
শুরু হয়ে গেছে হলিউডের পুরস্কারের মৌসুম। বছরভর যাঁদের অভিনয় মুগ্ধ করেছে দর্শকদের, এবার তাঁদের পুরস্কৃত করার পালা। গত সপ্তাহে ক্রিটিকস চয়েসের পর গতকাল অনুষ্ঠিত হলো ৮৩তম গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস।
১০ ঘণ্টা আগে