
দশ বছর পর টালিউডে পরিচালনায় ফিরছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। বলিউডে ‘পিংক’, ‘লস্ট’, ‘কড়ক সিং’-এর পর বাংলায় মা-মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে অনিরুদ্ধর আগামী ছবি ‘ডিয়ার মা’। সিনেমাটির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করবেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবিতে তাঁর স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করছেন চন্দন রায় সান্যাল। একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে।
২০১৪ সালে দেবকে নিয়ে শেষ বাংলা ছবি ‘বুনোহাঁস’ করেছিলেন অনিরুদ্ধ। বলিউডে সফল নির্মাতার হঠাৎ টালিউডে ফেরার ইচ্ছে নিয়ে আনন্দ বাজারকে বলেন, ‘কিছু কিছু গল্প থাকে, যেগুলো নিজের ভাষায় বলতে ইচ্ছে করে। ‘‘ডিয়ার মা’’ তেমনই একটা কাহিনি। হিন্দিতে ছবি করলেও, বাংলা সব সময়েই মনের কাছাকাছি ছিল। আমি আগামী দিনেও হিন্দি, বাংলা দুই ভাষাতেই কাজ করব।’
নিউক্লিয়ার পরিবারে বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যকার বন্ধনের এক অন্য রূপ উঠে আসবে সিনেমাটিতে। পরিচালকের কথায়, ‘রক্তের সম্পর্কের চেয়েও ভালোবাসার সম্পর্ক বেশি জোরালো হয়। মেয়েকে বড় করার মধ্য দিয়ে মায়ের জীবনের একটা উত্তরণ হয়, সে পরিপূর্ণ হয়। আমরা কাছের মানুষের ওপর অধিকার বোধ জাহির করি। আসলে কারও ওপর অধিকার ফলানো যায় না। মানবিক সম্পর্কের সূক্ষ্ম কিছু মোচড় উঠে আসবে এখানে।’
ছবিতে বাচ্চা মেয়েটির নাম ঝিমলি, যার দু’টি বয়স দেখানো হবে—পাঁচ এবং বারো। শুধু মা-মেয়ে নয়, স্বামী-স্ত্রী, একজন শিক্ষক, গৃহ সহায়িকা এ রকম নানা সম্পর্কের আলাদা রূপ উঠে আসবে ছবিতে। কাহিনিতে থ্রিলারের ছোঁয়াও আছে।
‘টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই তো মানুষ চেনা যায়। থ্রিলার উপাদান কাহিনির অন্য দিক তুলে ধরবে,’ মন্তব্য পরিচালকের।
ছবিতে মায়ের চরিত্রটি করছেন জয়া আহসান। তাঁর কথায়, ‘এই গল্পটা আগে কখনো বলা হয়নি। তাই এটা পর্দায় বলা খুব জরুরি ছিল। এ ধরনের চরিত্রও আমি আগে করিনি। টোনিদা (অনিরুদ্ধ) সংবেদনশীল ভাবে গল্প বলেন, যেটা আমার খুব ভালো লাগে।’
অনিরুদ্ধর ‘অপরাজিতা তুমি’তে অভিনয় করেছিলেন পদ্মপ্রিয়া। তামিল-মালয়ালম ছবির পরিচিত মুখ তিনি। এই ছবিতে ফের দেখা যাবে তাঁকে। একজন শিক্ষকের চরিত্রে রয়েছেন ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়। গৃহ সহায়িকার চরিত্র করছেন অনুভা ফতেপুরিয়া, যাকে সম্প্রতি ‘তেরি বাতো মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’ ছবিতে শাহিদ কাপুরের মায়ের চরিত্রে দেখা গেছে। তিনি থিয়েটারও করেন। তবে অনুভা এই প্রথম বাংলা ছবি করছেন।
অনিরুদ্ধর ছবির অভিনেতা নির্বাচনের মধ্যে বৈচিত্র্য আছে। বাংলাদেশের অভিনেত্রী হলেও, জয়া টালিউডের নিয়মিত মুখ। এর আগে পরিচালকের ‘কড়ক সিং’ দিয়ে বলিউডে ডেবিউ করেছিলেন।
পরিচালকের সঙ্গে ’ডিয়ার মা’-এর গল্প লিখেছেন শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য। মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হবে শুটিং। তবে তার আগে অভিনেতাদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করছেন পরিচালক। জানালেন, জয়া ও চন্দন দু’জনেই ওয়ার্কশপের জন্য আপাতত কলকাতায় রয়েছেন।

দশ বছর পর টালিউডে পরিচালনায় ফিরছেন অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। বলিউডে ‘পিংক’, ‘লস্ট’, ‘কড়ক সিং’-এর পর বাংলায় মা-মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে অনিরুদ্ধর আগামী ছবি ‘ডিয়ার মা’। সিনেমাটির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করবেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবিতে তাঁর স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করছেন চন্দন রায় সান্যাল। একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে।
২০১৪ সালে দেবকে নিয়ে শেষ বাংলা ছবি ‘বুনোহাঁস’ করেছিলেন অনিরুদ্ধ। বলিউডে সফল নির্মাতার হঠাৎ টালিউডে ফেরার ইচ্ছে নিয়ে আনন্দ বাজারকে বলেন, ‘কিছু কিছু গল্প থাকে, যেগুলো নিজের ভাষায় বলতে ইচ্ছে করে। ‘‘ডিয়ার মা’’ তেমনই একটা কাহিনি। হিন্দিতে ছবি করলেও, বাংলা সব সময়েই মনের কাছাকাছি ছিল। আমি আগামী দিনেও হিন্দি, বাংলা দুই ভাষাতেই কাজ করব।’
নিউক্লিয়ার পরিবারে বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যকার বন্ধনের এক অন্য রূপ উঠে আসবে সিনেমাটিতে। পরিচালকের কথায়, ‘রক্তের সম্পর্কের চেয়েও ভালোবাসার সম্পর্ক বেশি জোরালো হয়। মেয়েকে বড় করার মধ্য দিয়ে মায়ের জীবনের একটা উত্তরণ হয়, সে পরিপূর্ণ হয়। আমরা কাছের মানুষের ওপর অধিকার বোধ জাহির করি। আসলে কারও ওপর অধিকার ফলানো যায় না। মানবিক সম্পর্কের সূক্ষ্ম কিছু মোচড় উঠে আসবে এখানে।’
ছবিতে বাচ্চা মেয়েটির নাম ঝিমলি, যার দু’টি বয়স দেখানো হবে—পাঁচ এবং বারো। শুধু মা-মেয়ে নয়, স্বামী-স্ত্রী, একজন শিক্ষক, গৃহ সহায়িকা এ রকম নানা সম্পর্কের আলাদা রূপ উঠে আসবে ছবিতে। কাহিনিতে থ্রিলারের ছোঁয়াও আছে।
‘টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই তো মানুষ চেনা যায়। থ্রিলার উপাদান কাহিনির অন্য দিক তুলে ধরবে,’ মন্তব্য পরিচালকের।
ছবিতে মায়ের চরিত্রটি করছেন জয়া আহসান। তাঁর কথায়, ‘এই গল্পটা আগে কখনো বলা হয়নি। তাই এটা পর্দায় বলা খুব জরুরি ছিল। এ ধরনের চরিত্রও আমি আগে করিনি। টোনিদা (অনিরুদ্ধ) সংবেদনশীল ভাবে গল্প বলেন, যেটা আমার খুব ভালো লাগে।’
অনিরুদ্ধর ‘অপরাজিতা তুমি’তে অভিনয় করেছিলেন পদ্মপ্রিয়া। তামিল-মালয়ালম ছবির পরিচিত মুখ তিনি। এই ছবিতে ফের দেখা যাবে তাঁকে। একজন শিক্ষকের চরিত্রে রয়েছেন ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়। গৃহ সহায়িকার চরিত্র করছেন অনুভা ফতেপুরিয়া, যাকে সম্প্রতি ‘তেরি বাতো মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’ ছবিতে শাহিদ কাপুরের মায়ের চরিত্রে দেখা গেছে। তিনি থিয়েটারও করেন। তবে অনুভা এই প্রথম বাংলা ছবি করছেন।
অনিরুদ্ধর ছবির অভিনেতা নির্বাচনের মধ্যে বৈচিত্র্য আছে। বাংলাদেশের অভিনেত্রী হলেও, জয়া টালিউডের নিয়মিত মুখ। এর আগে পরিচালকের ‘কড়ক সিং’ দিয়ে বলিউডে ডেবিউ করেছিলেন।
পরিচালকের সঙ্গে ’ডিয়ার মা’-এর গল্প লিখেছেন শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য। মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু হবে শুটিং। তবে তার আগে অভিনেতাদের নিয়ে ওয়ার্কশপ করছেন পরিচালক। জানালেন, জয়া ও চন্দন দু’জনেই ওয়ার্কশপের জন্য আপাতত কলকাতায় রয়েছেন।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
২ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৩ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৩ ঘণ্টা আগে