রাত পোহালেই বড় পর্দায় অভিষেক
বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

অপেক্ষার পালা শেষে আগামীকাল বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে মেহজাবীন চৌধুরীর। ২০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে মেহজাবীন অভিনীত ‘প্রিয় মালতী’। নিজের প্রথম সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত এখন অভিনেত্রী। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রিয় মালতী টিমের সঙ্গে ঘুরছেন তিনি। গতকাল তাঁরা গিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে পোস্টার লাগিয়ে পড়েছেন সমালোচনার মুখে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সিনেমা নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি নিজেই দেয়ালে পোস্টার লাগান মেহজাবীন। একপর্যায়ে টিএসসির ডাসের দেয়ালে ২০১৬ সালে আলোচিত হত্যাকাণ্ডের শিকার কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর গ্রাফিতির ওপর সিনেমার একটি পোস্টার লাগিয়ে দেন মেহজাবীন। বিষয়টি নজরে এলে সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনেত্রী। এমন ঘটনার জন্য মেহজাবীনকে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি নিজে গিয়ে পোস্টার সরানোর আহ্বান জানান ঢাবির শিক্ষার্থীরা। পরে, সন্ধ্যায় গিয়ে তনুর গ্রাফিতির ওপর লাগানো পোস্টারটি তুলে ফেলেন মেহজাবীন এবং ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
ফেসবুকে মেহজাবীন লেখেন, ‘প্রিয় মালতী চলচ্চিত্রের প্রচারণার জন্য টিএসসিতে গিয়েছিলাম। অনেক দর্শক আমাদের সঙ্গে যোগ দেন চলচ্চিত্রের। তাড়াহুড়ো থাকায় ভুলবশত ও অনাকাঙ্ক্ষিত অব্যবস্থাপনায় একটি পোস্টার শহীদ তনুর গ্রাফিতির ওপরে লাগানো হয়ে যায় । যা হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল। আমরা তৎক্ষণাৎ সেই পোস্টার সরিয়ে ফেলেছি এবং দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেছি। আমাদের চলচ্চিত্র, আমরা এবং আমাদের সংগ্রামের মূল লক্ষ্যই ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই। আমাদের অনিচ্ছাকৃত অব্যাবস্থপনাটুকু ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।’
সত্য ঘটনার অনুপ্রেরণায় ‘প্রিয় মালতী’ বানিয়েছেন শঙ্খ দাশগুপ্ত। সিনেমায় মেহজাবীনের নাম মালতী রানী দাশ। পলাশ কুমার দাশের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। আর দশটা নিম্নমধ্যবিত্ত দম্পতির মতো সংসারজীবনের ছোট ছোট স্বপ্ন বুনছিল তারা। বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে নৌকায় ভাসতে ভাসতে কেক কাটা, সন্ধ্যায় একটু ঘোরাঘুরি, মালতীকে অবাক করে দিয়ে পলাশের উপহার দেওয়া, স্বামী-স্ত্রীর খুনসুটি—সবই চলছিল সুন্দর ছন্দে। পলাশ যেখানে কাজ করত, সেই মার্কেটে আগুন লাগে একদিন। সেই আগুনের তাপে পোড়ে মালতীর সংসার।

প্রিয় মালতী নিয়ে মেহজাবীন বলেন, ‘অভিনয়ের ক্ষেত্রে সব সময় ভিন্নধর্মী চরিত্রের সন্ধানে থাকি আমি। চেষ্টা করি নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে। প্রিয় মালতী এমন একটি সিনেমা, যেখানে ভালো একটি গল্প আছে, চরিত্রটি আমার জন্য নতুন এবং একটি বার্তা আছে, যেটা এই সময়ে সবাইকে দেওয়া উচিত।’

নির্মাতা শঙ্খ দাশগুপ্ত বলেন, ‘মালতীর সমস্যা ও সংগ্রাম শুধু তার একার নয়, এগুলো দেশের মানুষের সমস্যা ও সংগ্রাম। মালতী চরিত্রটি একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর। বিশৃঙ্খল এই শহরে তার লড়াই করতে হয় শ্বশুরবাড়ি, সমাজ ও ধর্মীয় রীতিনীতির বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি প্রশ্ন করতে চেয়েছি, একজন মানুষের অস্তিত্ব কি ডেথ সার্টিফিকেট ও ময়নাতদন্ত রিপোর্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে? সিনেমায় প্রসঙ্গগুলো আছে।’
সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, মোমেনা চৌধুরী, সমু চৌধুরী প্রমুখ।

অপেক্ষার পালা শেষে আগামীকাল বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে মেহজাবীন চৌধুরীর। ২০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে মেহজাবীন অভিনীত ‘প্রিয় মালতী’। নিজের প্রথম সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত এখন অভিনেত্রী। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রিয় মালতী টিমের সঙ্গে ঘুরছেন তিনি। গতকাল তাঁরা গিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে পোস্টার লাগিয়ে পড়েছেন সমালোচনার মুখে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সিনেমা নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি নিজেই দেয়ালে পোস্টার লাগান মেহজাবীন। একপর্যায়ে টিএসসির ডাসের দেয়ালে ২০১৬ সালে আলোচিত হত্যাকাণ্ডের শিকার কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর গ্রাফিতির ওপর সিনেমার একটি পোস্টার লাগিয়ে দেন মেহজাবীন। বিষয়টি নজরে এলে সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনেত্রী। এমন ঘটনার জন্য মেহজাবীনকে ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি নিজে গিয়ে পোস্টার সরানোর আহ্বান জানান ঢাবির শিক্ষার্থীরা। পরে, সন্ধ্যায় গিয়ে তনুর গ্রাফিতির ওপর লাগানো পোস্টারটি তুলে ফেলেন মেহজাবীন এবং ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
ফেসবুকে মেহজাবীন লেখেন, ‘প্রিয় মালতী চলচ্চিত্রের প্রচারণার জন্য টিএসসিতে গিয়েছিলাম। অনেক দর্শক আমাদের সঙ্গে যোগ দেন চলচ্চিত্রের। তাড়াহুড়ো থাকায় ভুলবশত ও অনাকাঙ্ক্ষিত অব্যবস্থাপনায় একটি পোস্টার শহীদ তনুর গ্রাফিতির ওপরে লাগানো হয়ে যায় । যা হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল। আমরা তৎক্ষণাৎ সেই পোস্টার সরিয়ে ফেলেছি এবং দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেছি। আমাদের চলচ্চিত্র, আমরা এবং আমাদের সংগ্রামের মূল লক্ষ্যই ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই। আমাদের অনিচ্ছাকৃত অব্যাবস্থপনাটুকু ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।’
সত্য ঘটনার অনুপ্রেরণায় ‘প্রিয় মালতী’ বানিয়েছেন শঙ্খ দাশগুপ্ত। সিনেমায় মেহজাবীনের নাম মালতী রানী দাশ। পলাশ কুমার দাশের সঙ্গে বিয়ে হয় তার। আর দশটা নিম্নমধ্যবিত্ত দম্পতির মতো সংসারজীবনের ছোট ছোট স্বপ্ন বুনছিল তারা। বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে নৌকায় ভাসতে ভাসতে কেক কাটা, সন্ধ্যায় একটু ঘোরাঘুরি, মালতীকে অবাক করে দিয়ে পলাশের উপহার দেওয়া, স্বামী-স্ত্রীর খুনসুটি—সবই চলছিল সুন্দর ছন্দে। পলাশ যেখানে কাজ করত, সেই মার্কেটে আগুন লাগে একদিন। সেই আগুনের তাপে পোড়ে মালতীর সংসার।

প্রিয় মালতী নিয়ে মেহজাবীন বলেন, ‘অভিনয়ের ক্ষেত্রে সব সময় ভিন্নধর্মী চরিত্রের সন্ধানে থাকি আমি। চেষ্টা করি নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে। প্রিয় মালতী এমন একটি সিনেমা, যেখানে ভালো একটি গল্প আছে, চরিত্রটি আমার জন্য নতুন এবং একটি বার্তা আছে, যেটা এই সময়ে সবাইকে দেওয়া উচিত।’

নির্মাতা শঙ্খ দাশগুপ্ত বলেন, ‘মালতীর সমস্যা ও সংগ্রাম শুধু তার একার নয়, এগুলো দেশের মানুষের সমস্যা ও সংগ্রাম। মালতী চরিত্রটি একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর। বিশৃঙ্খল এই শহরে তার লড়াই করতে হয় শ্বশুরবাড়ি, সমাজ ও ধর্মীয় রীতিনীতির বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি প্রশ্ন করতে চেয়েছি, একজন মানুষের অস্তিত্ব কি ডেথ সার্টিফিকেট ও ময়নাতদন্ত রিপোর্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে? সিনেমায় প্রসঙ্গগুলো আছে।’
সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, মোমেনা চৌধুরী, সমু চৌধুরী প্রমুখ।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
২ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৩ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৩ ঘণ্টা আগে