
প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটি উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু ব্যবসাসফল ছবি। উত্তম-সুচিত্রা জুটির পর প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণাই বাংলা সিনেমায় সবচেয়ে চর্চিত অনস্ক্রিন জুটি। দুজনের অনস্ক্রিন রসায়নের পাশাপাশি অফস্ক্রিন কেমিস্ট্রি নিয়েও একটা সময় ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কম চর্চা হয়নি। আজ (শনিবার) প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ৬১তম জন্মদিন। তাঁর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
পুরোনো একটি ছবি শেয়ার করে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত লিখেছেন, ‘সবচেয়ে সুন্দর মানুষটাকে জানাই জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। তোমার সঙ্গে কাজ মানেই যেন খোলা হাওয়ার অনুভূতি। তোমার সঙ্গ পাওয়াটা হলো জীবনের সম্পদ। চলো আবার আমরা একসঙ্গে ভাগ করে নিই সাফল্য। তৈরি করি অনেক মধুর স্মৃতি। শুভ জন্মদিন! আজকের দিনটা তোমার কাটুক হাসি আর ভালোবাসায়।’
একসঙ্গে ৪৯টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণা, যার মধ্যে ৪৭টি মুক্তি পেয়েছে ২০০০ সালের মধ্যে।
প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার প্রেম ছিল—এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে এনেছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। এ ব্যাপারে ঋতুপর্ণা একবার জানিয়েছিলেন, ‘২৪ ঘণ্টা একটা মানুষের সঙ্গে থাকলে, কাজ করলে, একটা ভালোবাসা, নির্ভরতা তো তৈরি হয়। তবে কি এই ভালোবাসা প্রেম নয়? এই উত্তর আমি দেব না, এই প্রশ্নের উত্তর রহস্যই থাক।’
মনোমালিন্যের জেরে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেননি প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা। ১৫ বছর পর শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় পরিচালিত ছবি ‘প্রাক্তন’-এ কামব্যাক করেন এই সুপারহিট জুটি। সেই সিনেমাও ব্লকবাস্টার। পরে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দৃষ্টিকোণ’ ছবিতেও দেখা গেছে তাঁদের।
এই মুহূর্তে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ব্যস্ত নিজের পুজোয় রিলিজ ‘দশম অবতার’-এর প্রচারে। এই ছবিতে আবারও একবার সৃজিতের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন প্রসেনজিৎ। এতে আরও অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, যিশু সেনগুপ্ত ও অনির্বাণ ভট্টাচার্য। অন্যদিকে বক্স অফিসে সদ্যই মুক্তি পেয়েছে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর ‘এ বিউটিফুল লাইফ’।

প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটি উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু ব্যবসাসফল ছবি। উত্তম-সুচিত্রা জুটির পর প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণাই বাংলা সিনেমায় সবচেয়ে চর্চিত অনস্ক্রিন জুটি। দুজনের অনস্ক্রিন রসায়নের পাশাপাশি অফস্ক্রিন কেমিস্ট্রি নিয়েও একটা সময় ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কম চর্চা হয়নি। আজ (শনিবার) প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ৬১তম জন্মদিন। তাঁর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
পুরোনো একটি ছবি শেয়ার করে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত লিখেছেন, ‘সবচেয়ে সুন্দর মানুষটাকে জানাই জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। তোমার সঙ্গে কাজ মানেই যেন খোলা হাওয়ার অনুভূতি। তোমার সঙ্গ পাওয়াটা হলো জীবনের সম্পদ। চলো আবার আমরা একসঙ্গে ভাগ করে নিই সাফল্য। তৈরি করি অনেক মধুর স্মৃতি। শুভ জন্মদিন! আজকের দিনটা তোমার কাটুক হাসি আর ভালোবাসায়।’
একসঙ্গে ৪৯টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণা, যার মধ্যে ৪৭টি মুক্তি পেয়েছে ২০০০ সালের মধ্যে।
প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার প্রেম ছিল—এমন অভিযোগ প্রকাশ্যে এনেছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। এ ব্যাপারে ঋতুপর্ণা একবার জানিয়েছিলেন, ‘২৪ ঘণ্টা একটা মানুষের সঙ্গে থাকলে, কাজ করলে, একটা ভালোবাসা, নির্ভরতা তো তৈরি হয়। তবে কি এই ভালোবাসা প্রেম নয়? এই উত্তর আমি দেব না, এই প্রশ্নের উত্তর রহস্যই থাক।’
মনোমালিন্যের জেরে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেননি প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা। ১৫ বছর পর শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় পরিচালিত ছবি ‘প্রাক্তন’-এ কামব্যাক করেন এই সুপারহিট জুটি। সেই সিনেমাও ব্লকবাস্টার। পরে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দৃষ্টিকোণ’ ছবিতেও দেখা গেছে তাঁদের।
এই মুহূর্তে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ব্যস্ত নিজের পুজোয় রিলিজ ‘দশম অবতার’-এর প্রচারে। এই ছবিতে আবারও একবার সৃজিতের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন প্রসেনজিৎ। এতে আরও অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, যিশু সেনগুপ্ত ও অনির্বাণ ভট্টাচার্য। অন্যদিকে বক্স অফিসে সদ্যই মুক্তি পেয়েছে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর ‘এ বিউটিফুল লাইফ’।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের মোবাইল গেম ও অ্যাপ্লিকেশনের দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প থেকে তৈরি হয়েছিল অ্যানিমেশন সিনেমা ‘মুজিব ভাই’ ও সিরিজ ‘খোকা’।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৪ ঘণ্টা আগে
নানা বাধা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ২০২৫ সালে ইউসিবি রেকর্ড সাফল্য অর্জন করেছে, যা ব্যাংকটির ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই অর্জন উদ্যাপনের মাধ্যমে গ্রাহক, স্টেকহোল্ডার ও শিল্প-সহযোগীদের কৃতজ্ঞতা জানাতে ৯ জানুয়ারি ইউসিবি আয়োজন করে জমকালো এক অনুষ্ঠান।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রেক্ষাগৃহে ততটা সুবিধা করতে পারেনি ইমরান হাশমি ও ইয়ামি গৌতম অভিনীত ‘হক’। গত ৭ নভেম্বর মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি সমালোচকদের বিস্তর প্রশংসা পেয়েছিল। কিন্তু সাধারণ দর্শকদের সাড়া সেভাবে পাননি নির্মাতা সুপর্ণ ভার্মা। সেই ব্যর্থতা মাথায় নিয়েই ২ জানুয়ারি নেটফ্লিক্সে আসে হক।
৫ ঘণ্টা আগে