
বলিউডের সঙ্গে অন্ধকার দুনিয়ার যোগাযোগ অনেক পুরোনো। অনেক তারকার নাম জড়িয়েছে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সঙ্গে। আমির খানও একবার অপরাধ জগতের লোকজনের কাছ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। বেশ ভয় পেলেও তাদের ডাকে সাড়া দেননি অভিনেতা। কী হয়েছিল তারপর? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওই সময়ের কথা জানিয়েছেন আমির।
১৯৮৮ সালে ‘কেয়ামত সে কেয়ামত’ সিনেমা দিয়ে আমিরের সাফল্যের শুরু। এরপর আরও বেশ কিছু সফল সিনেমার কল্যাণে আমিরের নামডাক ততদিনে ছড়িয়ে পড়েছে। দুবাইয়ের আন্ডারওয়ার্ল্ডের লোকজনও তাকে চিনে ফেলেছে। ১৯৯০ সালের দিকে তাদের কাছ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন আমির।
মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিশেষ পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল আমিরকে। আন্ডারওয়ার্ল্ডের লোকেরা একাধিকবার দেখা করে আমিরকে সেই অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য রাজি করানোর চেষ্টা করেছিল।
সম্প্রতি দ্য লালানটপের সঙ্গে কথোপকথনে আমিরকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি কখনও আন্ডারওয়ার্ল্ড থেকে হুমকি পেয়েছেন কিনা। আমির খান জানান, হুমকি তিনি পাননি, তবে একবার আন্ডারওয়ার্ল্ডের পার্টির আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন।
ওই সময়ের ঘটনা জানিয়ে আমির খান বলেন, ‘আমি শারজাহ কিংবা দুবাইয়ে একটি পার্টিতে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। কিছু লোক শুটিং চলাকালীন আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল, ওরা আন্ডারওয়ার্ল্ডের লোক ছিল। আমি তাদের আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।’
আমির জানিয়েছেন, তাঁরা দাউদ ইব্রাহিমের লোক ছিল কিনা, তা তিনি জানতেন না। আমন্ত্রণ পেয়ে আমির বলেছিলেন, ‘আপনারা যদি আমাকে জোর করে নিয়ে যেতে পারেন, ঠিক আছে। তা না হলে, আমি নিজের ইচ্ছায় যাব না।’
আমির রাজি না হওয়ায় তাঁকে নানা রকমের প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল। একবার নয়, একাধিকবার আমিরের সঙ্গে দেখা করেছিল তারা। একপর্যায়ে তাদের সুর পাল্টে যায়। আমিরকে কড়া ভাষায় বলা হয়, ‘আপনাকে আসতেই হবে। কারণ ঘোষণা হয়ে গেছে—আপনি আসছেন, এখন সম্মানের প্রশ্ন। এটাই আপনাকে শেষবারের মতো প্রস্তাব দিচ্ছি।’
শুনে আমির বলেছিলেন, ‘এক মাস ধরে আপনারা আমাকে বলে চলেছেন। আর আমি প্রথম থেকেই বলছি, আমি যাব না। আপনারা ক্ষমতাশালী। আপনারা এর জন্য আমাকে মারধর করতেই পারেন। আমার হাত-পা বেঁধে নিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু আমি স্বেচ্ছায় যাব না।’
এরপর আমিরের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছিল তারা। কিন্তু এ ঘটনা ভীষণ ভয় পাইয়ে দিয়েছিল আমিরকে। পরিবারের জন্য আতঙ্কে থাকতেন।

সম্মাননা পেলেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিদের মায়েরা। বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে এই সম্মাননা দেওয়া হলো তাঁদের।
৩ ঘণ্টা আগে
এবার বিষয়টি কেবল আইনি লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই। রূপ নিয়েছে মিডিয়া ট্রায়ালে। পুরোনো সেই রহস্য আজও তাড়া করে ফিরছে জর্জকুট্টির পরিবারকে।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ অনুষ্ঠানে বিজয়ের বাবা এস এ চন্দ্রশেখর এবং মা শোভা উপস্থিত থাকলেও স্ত্রী সংগীতার অনুপস্থিতি সবার নজর কাড়ে। দীর্ঘ ২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর গত ফেব্রুয়ারি মাসে চেঙ্গলপাট্টু পারিবারিক আদালতে বিজয়ের বিরুদ্ধে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেন সংগীতা। আগামী ১৫ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
মাকে ভালোবাসতে দিনক্ষণ লাগে না। প্রতিটি মানুষ ভালোবাসে তাঁর মাকে। জীবনের কর্মব্যস্ততায় হয়তো মুখ ফুটে বলা হয় না সে কথা। যখন বিশেষ কোনো দিন সামনে এসে দাঁড়ায়, মায়ের জন্য আকুল হয়ে ওঠে প্রাণ। আজ বিশ্ব মা দিবসে তারকারাও বললেন মায়ের কথা। স্মৃতিতে আর ভালোবাসায় আবেগতাড়িত হলেন মায়ের কথা বলে।
১৪ ঘণ্টা আগে