Ajker Patrika

ওপেনিং উইকএন্ডে ৯২৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে রেকর্ড গড়ল স্পাইডার-ম্যান

বিনোদন ডেস্ক
ওপেনিং উইকএন্ডে ৯২৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে রেকর্ড গড়ল স্পাইডার-ম্যান
‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ সিনেমার দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

বক্স অফিসে নজিরবিহীন ইতিহাস গড়ল টম হল্যান্ড অভিনীত ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। রোববার পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে সিনেমাটি আয় করেছে ৯২৭ মিলিয়ন ডলার। ওপেনিং উইকএন্ড বা মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তে এটিই বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড। এই তালিকায় প্রথম অবস্থানটি এখনো ধরে রেখেছে ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’।

উল্লেখ্য, হলিউডে কোনো সিনেমা মুক্তির পর প্রথম তিন দিনের (সাধারণত শুক্রবার থেকে রোববার) আয়কে ‘ওপেনিং উইকএন্ড’ বলা হয়। একটি সিনেমা বাণিজ্যিকভাবে কতটা সফল হতে যাচ্ছে, তা পরিমাপের জন্য এই প্রথম তিন দিনের আয়কেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি মনে করা হয়।

২২৫ মিলিয়ন ডলার বাজেটের স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে ওপেনিং উইকএন্ডে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকেই তুলে নিয়েছে ৩৫৫ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে আরও ৫৭২ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী ৯২৭ মিলিয়ন ডলার আয় নিয়ে দ্রুতই এটি বিলিয়ন ডলার ক্লাবের দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সুপারহিরো ঘরানার সিনেমার প্রতি দর্শকদের কিছুটা অনাগ্রহ দেখা গেলেও স্পাইডার-ম্যানের এই পর্ব ব্যতিক্রমী উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।

আন্তর্জাতিকভাবে সিনেমাটি ৩১ জুলাই মুক্তি পেলেও বেশ কিছু দেশে প্রিভিউ শো হিসেবে প্রদর্শন শুরু হয় ৩০ জুলাই থেকে। মুক্তির আগের দিন কেবল এই প্রিভিউ শো থেকেই এসেছে ৭২ মিলিয়ন ডলার।

নতুন এই রেকর্ডের মাধ্যমে বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা চারটি ওপেনিং উইকএন্ড আয়ের সবকটিই এখন মার্ভেলের দখলে। শীর্ষে আছে অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম (১ দশমিক ২২ বিলিয়ন), দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে (৯২৭ মিলিয়ন), তালিকায় তৃতীয় স্থানে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’ (৬৪০ মিলিয়ন) এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে স্পাইডার-ম্যান সিরিজেরই আগের সিনেমা ‘নো ওয়ে হোম’ (৬০০ মিলিয়ন ডলার)।

স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডের গল্পে দেখা যায়, পুরো বিশ্ব যখন পিটার পার্কারকে ভুলে গেছে, তখন সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়া পিটার নিজের চরম নিঃসঙ্গতার সঙ্গে লড়াই করে শহরকে রক্ষা করছে।

বিনোদন গবেষণা প্রতিষ্ঠান এনঅ্যাক্ট ইনসাইটের সিইও গ্রেগ ডার্কিন রয়টার্সকে জানান, মহামারী-পরবর্তী সময়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যে মানসিক স্বাস্থ্য, একা হয়ে যাওয়া ও বন্ধুত্বের সংকট তৈরি হয়েছে, সিনেমাটিতে পিটারের নিঃসঙ্গতা ও ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প ঠিক সেই জায়গাটিতেই নাড়া দিতে পেরেছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত