
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এ ‘বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পে বায়োইকুইভ্যালেন্স স্টাডির সম্ভাবনা’ শীর্ষক একটি সেমিনার আয়োজিত হয়েছে। গত ২০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির ফ্যাকাল্টি অব হেলথ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস-এর ফার্মেসি বিভাগের উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
এআইইউবির প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু মিয়া আকন্দ তুহিন সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সেমিনারে দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল ও বায়োমেডিক্যাল গবেষণা খাতের বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা বায়োইকুইভ্যালেন্স স্টাডির গুরুত্ব, বিশেষ করে ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, চিকিৎসাগত নির্ভরযোগ্যতা এবং বিধিবদ্ধ মানদণ্ড অনুসরণের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন এআইইউবির ফার্মেসি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সিদ্দিকুল ইসলাম। কি-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ওষুধের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধিতে বায়োইকুইভ্যালেন্স স্টাডির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার ওয়াসিম হায়দার বায়োইকুইভ্যালেন্স স্টাডি পরিচালনার ক্ষেত্রে শিল্প খাতের কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ এবং উন্নত ল্যাবরেটরি সুবিধা ও দক্ষ মানবসম্পদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রধান ও কুয়েস্ট বাংলাদেশ বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. আবু সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক দেশের গবেষণা অঙ্গনে বায়োইকুইভ্যালেন্স স্টাডি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা এবং একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি সহযোগিতার মাধ্যমে ওষুধ উদ্ভাবনে এর ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন এআইইউবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহমান। তিনি বক্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্প-অ্যাকাডেমিয়া অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল অগ্রযাত্রায় এআইইউবির অব্যাহত ভূমিকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

দেশের মাত্র ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানি পানের সুযোগ পান। অর্থাৎ ৬০ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানি পানের সুযোগবঞ্চিত। অনেক ক্ষেত্রে পানিতে ই. কোলাইয়ের মতো ক্ষতিকর জীবাণুর উপস্থিতিও রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ববি হাজ্জাজ বলেছেন, একজন শিক্ষার্থী ইংরেজি মাধ্যম, বাংলা মাধ্যম কিংবা অন্য কোনো ধারায় পড়ুক তার মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতার ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন মানদণ্ড থাকা জরুরি। ভালো ও তুলনামূলক কম ভালো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য থাকবে। তবে কারিকুলাম ও শিক্ষার মৌলিক মানে বড় ধরনের বৈষম্য থাকা উচিত নয়।
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেলে ভর্তি-ইচ্ছুকদের প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। হাতে আর বেশি সময় নেই। আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে অনেকের সামনে খুলে যাবে কাঙ্ক্ষিত মেডিকেল কলেজের দরজা। এই অল্প সময়ে শুধু পড়লেই হবে না, প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, কৌশলী প্রস্তুতি ও নিয়মিত অনুশীলন।
১৭ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকা ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নতুন করে আরও দু-তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
১ দিন আগে