রাবি প্রতিনিধি

ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি ও ভিডিওর গোপনীয়তা রক্ষায় সুরক্ষা নীতি প্রণয়নসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের নারী প্রার্থীরা। আজ শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এসব দাবি জানান।
দাবিগুলোর মধ্যে অনলাইন আচরণবিধি ও তথ্য যাচাইপ্রক্রিয়া প্রণয়ন; অপরাধ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা স্পষ্ট করে অফিশিয়াল সুরক্ষা নীতি প্রণয়ন; ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলো, সিসিটিভি ও নিরাপত্তা টহল বাড়িয়ে নারীবান্ধব অবকাঠামো ও সুরক্ষা নিশ্চিত; সাইবার সেফটি ও জেন্ডার রেসপন্স সেল গঠন; বট বা ফেক আইডি নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল বা স্বীকৃত গ্রুপ–পেজে সদস্যদের অ্যাকসেস যাচাই করা।
এ ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি ও ভিডিওর গোপনীয়তা সুরক্ষা নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল লিটারেসি ও সেফটি প্রশিক্ষণ চালু এবং প্রতিটি বিভাগ, হল ও প্রশাসনিক ইউনিটের জন্য ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া পেজ বা গ্রুপ খোলার দাবি জানান তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাকসুর কেন্দ্রীয় সংসদে ভিপি পদপ্রার্থী তাসিন খান। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়া পরিবেশে বিভ্রান্তিকর তথ্য, গুজব, চরিত্রহনন, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও নারী শিক্ষার্থীদের ছবি-ভিডিও অনুমতি ছাড়া ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এসব বিষয়ে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। বরং ভোটার তালিকায় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর প্রকাশের মতো পদক্ষেপে নিরাপত্তাহীনতা আরও বেড়েছে।
তাসিন আরও বলেন, ‘ইতিপূর্বে জুলাই-৩৬ হলে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথাই ধরা যাক। সেখানেও একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। তিনি একটি বড় ছাত্রসংগঠনের সদস্য হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নয়, বরং তাঁর সংগঠন ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু আমরা চেয়েছিলাম প্রশাসনের পক্ষ থেকেই এ ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে নারীবিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী সামসাদ জাহান, সহ-নারীবিষয়ক সম্পাদক নাদিয়া হক, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সহকারী সম্পাদক পদপ্রার্থী লুবনা শারমিন, জুলাই-৩৬ হল ভিপি পদপ্রার্থী হুমাইরা, তাপসী রাবেয়া হল ভিপি পদপ্রার্থী আফিয়া খাতুন, জুলাই-৩৬ হলের বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক পদপ্রার্থী সু-প্রভা ইসলাম এবং একই হলের জিএস পদপ্রার্থী মহিমা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি ও ভিডিওর গোপনীয়তা রক্ষায় সুরক্ষা নীতি প্রণয়নসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের নারী প্রার্থীরা। আজ শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এসব দাবি জানান।
দাবিগুলোর মধ্যে অনলাইন আচরণবিধি ও তথ্য যাচাইপ্রক্রিয়া প্রণয়ন; অপরাধ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা স্পষ্ট করে অফিশিয়াল সুরক্ষা নীতি প্রণয়ন; ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত আলো, সিসিটিভি ও নিরাপত্তা টহল বাড়িয়ে নারীবান্ধব অবকাঠামো ও সুরক্ষা নিশ্চিত; সাইবার সেফটি ও জেন্ডার রেসপন্স সেল গঠন; বট বা ফেক আইডি নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল বা স্বীকৃত গ্রুপ–পেজে সদস্যদের অ্যাকসেস যাচাই করা।
এ ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি ও ভিডিওর গোপনীয়তা সুরক্ষা নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল লিটারেসি ও সেফটি প্রশিক্ষণ চালু এবং প্রতিটি বিভাগ, হল ও প্রশাসনিক ইউনিটের জন্য ভেরিফায়েড সোশ্যাল মিডিয়া পেজ বা গ্রুপ খোলার দাবি জানান তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাকসুর কেন্দ্রীয় সংসদে ভিপি পদপ্রার্থী তাসিন খান। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়া পরিবেশে বিভ্রান্তিকর তথ্য, গুজব, চরিত্রহনন, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও নারী শিক্ষার্থীদের ছবি-ভিডিও অনুমতি ছাড়া ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এসব বিষয়ে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। বরং ভোটার তালিকায় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ফোন নম্বর প্রকাশের মতো পদক্ষেপে নিরাপত্তাহীনতা আরও বেড়েছে।
তাসিন আরও বলেন, ‘ইতিপূর্বে জুলাই-৩৬ হলে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথাই ধরা যাক। সেখানেও একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। তিনি একটি বড় ছাত্রসংগঠনের সদস্য হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নয়, বরং তাঁর সংগঠন ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু আমরা চেয়েছিলাম প্রশাসনের পক্ষ থেকেই এ ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে নারীবিষয়ক সম্পাদক পদপ্রার্থী সামসাদ জাহান, সহ-নারীবিষয়ক সম্পাদক নাদিয়া হক, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সহকারী সম্পাদক পদপ্রার্থী লুবনা শারমিন, জুলাই-৩৬ হল ভিপি পদপ্রার্থী হুমাইরা, তাপসী রাবেয়া হল ভিপি পদপ্রার্থী আফিয়া খাতুন, জুলাই-৩৬ হলের বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক পদপ্রার্থী সু-প্রভা ইসলাম এবং একই হলের জিএস পদপ্রার্থী মহিমা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন বারবার স্থগিত হওয়ায় ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় পর জকসু নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন হতাশায় রূপ নিয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য আজ রোববার নিশ্চিত করেন এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এখন প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাজ শেষে শিগগির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের নির্বাচনী পরীক্ষা আগামী ফেব্রুয়ারিতে শুরু হবে। পরীক্ষার ফল ১০ মার্চের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে ভোটের দিন ক্যাম্পাসে কাউকে (শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অন্য যে কেউ) ব্যক্তিগত গাড়ি না আনার অনুরোধ করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে