সোহানুর রহমান, জবি

তিনবার স্থগিতের পর আজ মঙ্গলবার ভোট গ্রহণ হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদের। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাস- জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৩৯টি ভোটকেন্দ্রের ১৭৮ বুথে (কক্ষ) আজ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। ভোট গণনা হবে ৬টি মেশিনে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়া সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
জকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদে চারটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এগুলো হলো ছাত্রদল-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশক্তি-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট-সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল। হল সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে তিনটি প্যানেল। ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান’, ছাত্রদল-সমর্থিত ‘অপরাজিতার অগ্রযাত্রা’, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট-সমর্থিত ‘রোকেয়া পর্ষদ’। প্যানেলের বাইরেও একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
পরপর তিনবার নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন প্রার্থী।
ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘নির্বাচন বারবার স্থগিত হওয়ায় জকসুর আগের নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতির জন্য প্রশাসনের অবহেলা দায়ী। আমরা চাই একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টসহ নয়টি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী ইভান তাহসীব বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হলে অংশগ্রহণ আরও বেশি হতো। সময়মতো নির্বাচন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমেছে। তিনি জানান, ৬ জানুয়ারির ভোটকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিলে জকসু নির্বাচন ব্যর্থ করার অপচেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হবে।
ছাত্রদল-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ভোটের আমেজ অনেক কমে গেছে। শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে আসবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় আছি। আমাদের সবার মধ্যেই নির্বাচন হওয়া নিয়ে একটা শঙ্কা কাজ করছে।’
নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে মোতায়েন রয়েছেন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্যরা। পাশাপাশি বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও রেঞ্জার ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবকেরা শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন শেষ করতে পারব।’
নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. কানিজ ফাতেমা কাকলি বলেন, মঙ্গলবারের (আজ) মধ্যেই ভোট গ্রহণ ও ফল প্রকাশ সম্পন্ন করার প্রস্তুতি রয়েছে।
জগন্নাথ কলেজ থাকাকালে সর্বশেষ শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৭ সালে। ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘদিন আইনি কাঠামোর অভাবে শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন হয়নি। গত বছরের ২ জানুয়ারি জকসুর খসড়া নীতিমালা অনুমোদন পায়। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করে এবং ২৭ নভেম্বর নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে। ২৭ অক্টোবর অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। চূড়ান্ত বিধিমালা অনুমোদনের পর ৫ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়। এতে ২২ নভেম্বর ভোট গ্রহণ, গণনা ও ফল প্রকাশের দিন নির্ধারণ করা হয়।
পরে ভূমিকম্প আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্যানেলের দাবির মুখে ২৩ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত ক্যাম্পাসে ছুটি ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ৩০ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইন ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ পরিস্থিতিতে ৪ ডিসেম্বর সংশোধিত তফসিল ঘোষণা করে ভোটের নতুন তারিখ ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়। তবে নির্ধারিত দিনেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করলে ভোটের দিন সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। একই দিন নির্বাচন কমিশন নতুন করে ৬ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা করে।

তিনবার স্থগিতের পর আজ মঙ্গলবার ভোট গ্রহণ হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদের। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাস- জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ৩৯টি ভোটকেন্দ্রের ১৭৮ বুথে (কক্ষ) আজ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। ভোট গণনা হবে ৬টি মেশিনে। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়া সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
জকসু নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সংসদে চারটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এগুলো হলো ছাত্রদল-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ছাত্রশক্তি-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট-সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল। হল সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে তিনটি প্যানেল। ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান’, ছাত্রদল-সমর্থিত ‘অপরাজিতার অগ্রযাত্রা’, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট-সমর্থিত ‘রোকেয়া পর্ষদ’। প্যানেলের বাইরেও একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
পরপর তিনবার নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন প্রার্থী।
ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘নির্বাচন বারবার স্থগিত হওয়ায় জকসুর আগের নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতির জন্য প্রশাসনের অবহেলা দায়ী। আমরা চাই একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টসহ নয়টি রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী ইভান তাহসীব বলেন, ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হলে অংশগ্রহণ আরও বেশি হতো। সময়মতো নির্বাচন না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমেছে। তিনি জানান, ৬ জানুয়ারির ভোটকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিলে জকসু নির্বাচন ব্যর্থ করার অপচেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হবে।
ছাত্রদল-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ভোটের আমেজ অনেক কমে গেছে। শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে আসবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় আছি। আমাদের সবার মধ্যেই নির্বাচন হওয়া নিয়ে একটা শঙ্কা কাজ করছে।’
নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে মোতায়েন রয়েছেন পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্যরা। পাশাপাশি বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও রেঞ্জার ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবকেরা শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন শেষ করতে পারব।’
নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. কানিজ ফাতেমা কাকলি বলেন, মঙ্গলবারের (আজ) মধ্যেই ভোট গ্রহণ ও ফল প্রকাশ সম্পন্ন করার প্রস্তুতি রয়েছে।
জগন্নাথ কলেজ থাকাকালে সর্বশেষ শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৭ সালে। ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘদিন আইনি কাঠামোর অভাবে শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন হয়নি। গত বছরের ২ জানুয়ারি জকসুর খসড়া নীতিমালা অনুমোদন পায়। পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করে এবং ২৭ নভেম্বর নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে। ২৭ অক্টোবর অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। চূড়ান্ত বিধিমালা অনুমোদনের পর ৫ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়। এতে ২২ নভেম্বর ভোট গ্রহণ, গণনা ও ফল প্রকাশের দিন নির্ধারণ করা হয়।
পরে ভূমিকম্প আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন প্যানেলের দাবির মুখে ২৩ থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত ক্যাম্পাসে ছুটি ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ৩০ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইন ক্লাস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ পরিস্থিতিতে ৪ ডিসেম্বর সংশোধিত তফসিল ঘোষণা করে ভোটের নতুন তারিখ ৩০ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়। তবে নির্ধারিত দিনেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করলে ভোটের দিন সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। একই দিন নির্বাচন কমিশন নতুন করে ৬ জানুয়ারি ভোটের তারিখ ঘোষণা করে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে ৫২ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে সংগীত বিভাগে শিবিরের সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভরাডুবি। জিএস ও এজিএস পদে ভোট পড়েনি একটিও। ৪ ভোট পড়েছে ভিপি পদে।
১ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও ভিপি পদে ব্যবধান কমেই চলেছে। সকাল থেকেই ফলাফলে দেখা
২ ঘণ্টা আগে
আটটি কেন্দ্রের ফলাফলে ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম ৮১০ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল-সমর্থিত ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৮০৪ ভোট।
৮ ঘণ্টা আগে