বাকৃবি সংবাদদাতা

দেশের কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হবে ২৫ নভেম্বর। আবেদন চলবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং প্রবেশপত্র তোলা যাবে ২৭ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষার আগপর্যন্ত। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা (ট্রানজেকশন ফি ছাড়া)। ৩ জানুয়ারি বেলা ২টায় এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার কৃষিগুচ্ছের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন ৩ হাজার ৭০১টি। গত বছরের তুলনায় আসন কমেছে ১৬২টি। গত বছর আসনসংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৮৬৩টি। এবার কৃষি গুচ্ছের দায়িত্বে থাকবে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)। গতকাল রোববার (২৩ নভেম্বর) গাকৃবির রেজিস্ট্রার ও কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ মৃধার স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক ভর্তি-ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়।
মোট আসনের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১ হাজার ৬টি, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৫১০টি, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৭০৫টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৫২টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় ২৭৫টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৩১টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৫০টি, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৯০টি ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮২টি আসন রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের যোগ্যতায় বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ২০২১/২০২২/২০২৩ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০২৪/২০২৫ সালে এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় যাঁরা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, গণিত বিষয়সহ উত্তীর্ণ হয়েছেন, কেবল তাঁরাই আবেদন করতে পারবেন। ২০২৪ সালে এসএসসি/সমমান মানোন্নয়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় উভয় ক্ষেত্রে প্রতিটির চতুর্থ বিষয় ছাড়া ন্যূনতম জিপিএ ৪ এবং সর্বমোট জিপিএ ৮ দশমিক ৫০ থাকতে হবে।
O এবং A লেভেল পাস করা প্রার্থীর ক্ষেত্রে লেভেল পরীক্ষার অন্তত ৫টি বিষয়ে এবং A লেভেল পরীক্ষায় বিজ্ঞানের অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় পরীক্ষায় প্রতিটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৪ এবং সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৮ দশমিক ৫০ থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে A ও B গ্রেডের জন্য যথাক্রমে ৫ ও ৪ জিপিএ গণনা করা হবে।
শুধু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মুক্তিযোদ্ধা কোটায় এবং প্রকৃত উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী/পার্বত্য অঞ্চলের অ-উপজাতি প্রার্থীরা উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী/পার্বত্য অঞ্চলের অ-উপজাতি কোটায় এবং প্রতিবন্ধীরা প্রতিবন্ধী কোটায় আবেদন করতে পারবে।
কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটার প্রার্থীদেরকে পিতা-মাতার অনুকূলে সরকার কর্তৃক স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্রের সফট কপি এবং (উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী/পার্বত্য অঞ্চলের অ-উপজাতি প্রার্থীদের স্ব স্ব জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রদত্ত জেলার স্থায়ী বাসিন্দা-সম্পর্কিত প্রত্যয়নপত্রের সফট কপি অনলাইনে আপলোড করতে হবে। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রমাণক হিসেবে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রাপ্ত প্রত্যয়ন কপি জমা দিতে হবে।
২০২৪ সালের এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী ইংরেজিতে ১০, প্রাণিবিজ্ঞানে ১৫, উদ্ভিদবিজ্ঞানে ১৫, পদার্থবিজ্ঞানে ২০, রসায়নে ২০ ও গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ (এক) নম্বর প্রদান করা হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে।
সারা দেশে পরীক্ষাকেন্দ্র ৯টি। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ; গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর; শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা; পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী; চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম; সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট; খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রামে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
মোট ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল প্রস্তুত করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সঙ্গে এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের (চতুর্থ বিষয় ব্যতীত) ভিত্তিতে ২৫ এবং এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের (চতুর্থ বিষয় ব্যতীত) ভিত্তিতে ২৫ নম্বর যোগ করে ফল প্রস্তুত করে মেধা ও অপেক্ষমাণ তালিকা তৈরি করা হবে।
ভর্তি-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য https: //acas. edu. bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইটের ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন ও ভর্তি-সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে ই-মেইলে support@acas. edu. bd তে যোগাযোগ করতে হবে।

দেশের কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু হবে ২৫ নভেম্বর। আবেদন চলবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং প্রবেশপত্র তোলা যাবে ২৭ ডিসেম্বর থেকে পরীক্ষার আগপর্যন্ত। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা (ট্রানজেকশন ফি ছাড়া)। ৩ জানুয়ারি বেলা ২টায় এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার কৃষিগুচ্ছের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন ৩ হাজার ৭০১টি। গত বছরের তুলনায় আসন কমেছে ১৬২টি। গত বছর আসনসংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৮৬৩টি। এবার কৃষি গুচ্ছের দায়িত্বে থাকবে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)। গতকাল রোববার (২৩ নভেম্বর) গাকৃবির রেজিস্ট্রার ও কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ মৃধার স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক ভর্তি-ইচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়।
মোট আসনের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১ হাজার ৬টি, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৫১০টি, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৭০৫টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৫২টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় ২৭৫টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৩১টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৫০টি, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৯০টি ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮২টি আসন রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের যোগ্যতায় বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ২০২১/২০২২/২০২৩ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০২৪/২০২৫ সালে এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় যাঁরা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, গণিত বিষয়সহ উত্তীর্ণ হয়েছেন, কেবল তাঁরাই আবেদন করতে পারবেন। ২০২৪ সালে এসএসসি/সমমান মানোন্নয়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় উভয় ক্ষেত্রে প্রতিটির চতুর্থ বিষয় ছাড়া ন্যূনতম জিপিএ ৪ এবং সর্বমোট জিপিএ ৮ দশমিক ৫০ থাকতে হবে।
O এবং A লেভেল পাস করা প্রার্থীর ক্ষেত্রে লেভেল পরীক্ষার অন্তত ৫টি বিষয়ে এবং A লেভেল পরীক্ষায় বিজ্ঞানের অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় পরীক্ষায় প্রতিটিতে ন্যূনতম জিপিএ ৪ এবং সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৮ দশমিক ৫০ থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে A ও B গ্রেডের জন্য যথাক্রমে ৫ ও ৪ জিপিএ গণনা করা হবে।
শুধু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মুক্তিযোদ্ধা কোটায় এবং প্রকৃত উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী/পার্বত্য অঞ্চলের অ-উপজাতি প্রার্থীরা উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী/পার্বত্য অঞ্চলের অ-উপজাতি কোটায় এবং প্রতিবন্ধীরা প্রতিবন্ধী কোটায় আবেদন করতে পারবে।
কোটায় আবেদনের ক্ষেত্রে, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটার প্রার্থীদেরকে পিতা-মাতার অনুকূলে সরকার কর্তৃক স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্রের সফট কপি এবং (উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী/পার্বত্য অঞ্চলের অ-উপজাতি প্রার্থীদের স্ব স্ব জেলা প্রশাসক কর্তৃক প্রদত্ত জেলার স্থায়ী বাসিন্দা-সম্পর্কিত প্রত্যয়নপত্রের সফট কপি অনলাইনে আপলোড করতে হবে। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রমাণক হিসেবে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রাপ্ত প্রত্যয়ন কপি জমা দিতে হবে।
২০২৪ সালের এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী ইংরেজিতে ১০, প্রাণিবিজ্ঞানে ১৫, উদ্ভিদবিজ্ঞানে ১৫, পদার্থবিজ্ঞানে ২০, রসায়নে ২০ ও গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ (এক) নম্বর প্রদান করা হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে।
সারা দেশে পরীক্ষাকেন্দ্র ৯টি। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ; গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর; শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা; পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী; চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম; সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট; খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রামে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
মোট ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল প্রস্তুত করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সঙ্গে এসএসসি/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের (চতুর্থ বিষয় ব্যতীত) ভিত্তিতে ২৫ এবং এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের (চতুর্থ বিষয় ব্যতীত) ভিত্তিতে ২৫ নম্বর যোগ করে ফল প্রস্তুত করে মেধা ও অপেক্ষমাণ তালিকা তৈরি করা হবে।
ভর্তি-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য https: //acas. edu. bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইটের ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন ও ভর্তি-সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে ই-মেইলে support@acas. edu. bd তে যোগাযোগ করতে হবে।

বিশ্বায়নের এ সময়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা অনেক তরুণের স্বপ্ন। বিদেশে উচ্চশিক্ষায় ভালো স্কলারশিপ, উচ্চ আইইএলটিএস বা জিআরই স্কোর—সবই যেন সাফল্যের নিশ্চয়তা বলে মনে হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শুধু নম্বর আর সনদ দিয়েই বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেকে প্রমাণ করা যায় না।
৭ ঘণ্টা আগে
এ বছর দেশের সরকারি আলিয়া ও বেসরকারি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসাগুলোতে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া মোট ৭০ দিন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর এসব মাদ্রাসায় সাপ্তাহিক ছুটি বাদে ছুটি ছিল ৫৯ দিন। সে হিসাবে চলতি বছর মাদ্রাসায় ছুটি বাড়ল ১১ দিন।
২০ ঘণ্টা আগে
এতে বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৫ জানুয়ারির নির্দেশনার আলোকে বোর্ডের আওতাধীন সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডির বর্তমান সভাপতিরা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
২১ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেছেন, মানুষের অন্তর্নিহিত প্রতিভা, সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব গুণ ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশই প্রকৃত শিক্ষার মূল লক্ষ্য। শিক্ষাজীবন যেন আনন্দময়, বাস্তবমুখী ও জীবনঘনিষ্ঠ হয়, সে দায়িত্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও সমাজের সব অংশীজনের।
২১ ঘণ্টা আগে