আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (এআইইউবি) কম্পিউটার ক্লাব (এসিসি) ও অফিস অব স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের সহযোগিতায় চার দিনব্যাপী ‘এআইইউবি সাইবার গেমিং ফেস্ট ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৯ থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়োজিত এই উৎসবে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিস নাদিয়া আনোয়ার, উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহমান।
অনলাইন ও অন-ক্যাম্পাস পর্বের সমন্বয়ে আয়োজিত এই উৎসবে এআইইউবি ক্যাম্পাস একটি প্রাণবন্ত গেমিং অঙ্গনে রূপ নেয়। অনলাইন বাছাইপর্বে ৫১টি দল অংশ নেয়। সেখান থেকে ১৬টি দল চূড়ান্ত পর্বে লড়ে। চার ম্যাচের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে ‘ব্ল্যাকবিয়ার্ড পাইরেটস’ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
এই বিভাগে ‘লোয়ার-ব্র্যাকেট’ থেকে উঠে এসে গ্র্যান্ড ফাইনালে ‘ন্যাক্সার ই-স্পোর্টস’কে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে ‘অলস্টারস’ দল।
‘মোবাইল লিজেন্ডস ব্যাং ব্যাং’ (MLBB) বিভাগে ‘ভাইপার স্ট্রাইকার্স’, ‘এফসি ২৫’ বিভাগে নিও এবং ‘ই-ফুটবল’ একক বিভাগে শাওন শান্ত ও দলীয় বিভাগে পিএনজি বট চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
বিজয়ীদের মাঝে নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়। এছাড়া এআইইউবি ফটোগ্রাফি ক্লাব, ই-স্পোর্টস ক্লাব ও পারফর্মিং আর্টস ক্লাবকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। তিনজনকে সেরা ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়।
বক্তারা প্রতিযোগিতামূলক গেমিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা এই আয়োজনের পেশাদার ব্যবস্থাপনা ও ব্যাপক প্রসারের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এবারের আয়োজনে ইকুইপমেন্ট স্পন্সর ছিল কিয়ানস কালেক্টিবলস, টেক স্পন্সর এমএসআই এবং বেসিক স্পন্সর হিসেবে ছিল সিটি ব্যাংক। এছাড়া ইন্টারনেট পার্টনার হিসেবে ছিল লিঙ্ক থ্রি। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল ডেইলি সান, দৈনিক যুগান্তর ও ডিবিসি নিউজ এবং ম্যাগাজিন পার্টনার ছিল কিশোর আলো।
উদ্বোধনী ও বিভিন্ন পর্বে আরও উপস্থিত ছিলেন এআইইউবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মঞ্জুর এইচ খানসহ অফিস অব স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাস করেছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। সর্বশেষ ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এবার অকৃতকার্য হয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী।
৯ ঘণ্টা আগে
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফল হয়েছে এ বছর। শিক্ষা বোর্ডগুলোর গড় পাসের হার, ফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫; দুটিই এবার কমেছে। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা মোট পরীক্ষার্থীর এক-তৃতীয়াংশের বেশি।
৯ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগঞ্জের চতড়া ইউনিয়নের কুমারপুর উচ্চবিদ্যালয়। গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় ৫৪ জনের মধ্যে ২৯ জন পাস করেছিল এখান থেকে। এক বছরের ব্যবধানে সেই বিদ্যালয়ের ১৮ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। অথচ বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৯ জন শিক্ষক ও ৬ জন কর্মচারী রয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সংবাদ সম্মেলনে আজকের পত্রিকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি বলেন, ‘আজ এ বিষয়ে কোনো কথা বলব না, শুধু এসএসসির ফল নিয়ে প্রশ্ন করুন।’
১১ ঘণ্টা আগে