
উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। এ বছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে ৩১০৭ জন ছাত্রছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাসের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০০০ জন।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫০১ জন ছাত্রছাত্রী। পাসের হার শতভাগ। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯৫২ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩৮১ জন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দেয়, পাসের হার শতভাগ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন। মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২২৫ জন ছাত্রছাত্রী, পাসের হার শতভাগ। মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন।
এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিতভাবে ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত রাখার বিষয়ে মাইলস্টোন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম বলেন, প্রত্যেক শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকেরা এই সাফল্যের প্রকৃত দাবিদার। মাইলস্টোন কলেজ প্রশাসনের সঠিক তদারকি, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টা ও কঠোর পরিশ্রম, ছাত্রছাত্রীদের একাগ্রতা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় প্রতিবছর ছাত্রছাত্রীরা প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারছে।
মোহাম্মদ জিয়াউল আলম আরও বলেন, আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য গুণগতমানের শিক্ষা প্রদান নিশ্চিত করি। নিয়মিত শ্রেণিকক্ষ শিক্ষা ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হয়। এটা ভালো ফলাফল অর্জনের প্রধান নিয়ামক।
উত্তীর্ণ সকল ছাত্রছাত্রীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যৎ জীবনে আরও সফল হন এবং দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করেন।

উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। এ বছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে ৩১০৭ জন ছাত্রছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাসের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০০০ জন।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫০১ জন ছাত্রছাত্রী। পাসের হার শতভাগ। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯৫২ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩৮১ জন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দেয়, পাসের হার শতভাগ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন। মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২২৫ জন ছাত্রছাত্রী, পাসের হার শতভাগ। মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন।
এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিতভাবে ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত রাখার বিষয়ে মাইলস্টোন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম বলেন, প্রত্যেক শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকেরা এই সাফল্যের প্রকৃত দাবিদার। মাইলস্টোন কলেজ প্রশাসনের সঠিক তদারকি, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টা ও কঠোর পরিশ্রম, ছাত্রছাত্রীদের একাগ্রতা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় প্রতিবছর ছাত্রছাত্রীরা প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারছে।
মোহাম্মদ জিয়াউল আলম আরও বলেন, আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য গুণগতমানের শিক্ষা প্রদান নিশ্চিত করি। নিয়মিত শ্রেণিকক্ষ শিক্ষা ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হয়। এটা ভালো ফলাফল অর্জনের প্রধান নিয়ামক।
উত্তীর্ণ সকল ছাত্রছাত্রীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যৎ জীবনে আরও সফল হন এবং দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করেন।

উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। এ বছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে ৩১০৭ জন ছাত্রছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাসের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০০০ জন।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫০১ জন ছাত্রছাত্রী। পাসের হার শতভাগ। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯৫২ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩৮১ জন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দেয়, পাসের হার শতভাগ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন। মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২২৫ জন ছাত্রছাত্রী, পাসের হার শতভাগ। মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন।
এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিতভাবে ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত রাখার বিষয়ে মাইলস্টোন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম বলেন, প্রত্যেক শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকেরা এই সাফল্যের প্রকৃত দাবিদার। মাইলস্টোন কলেজ প্রশাসনের সঠিক তদারকি, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টা ও কঠোর পরিশ্রম, ছাত্রছাত্রীদের একাগ্রতা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় প্রতিবছর ছাত্রছাত্রীরা প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারছে।
মোহাম্মদ জিয়াউল আলম আরও বলেন, আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য গুণগতমানের শিক্ষা প্রদান নিশ্চিত করি। নিয়মিত শ্রেণিকক্ষ শিক্ষা ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হয়। এটা ভালো ফলাফল অর্জনের প্রধান নিয়ামক।
উত্তীর্ণ সকল ছাত্রছাত্রীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যৎ জীবনে আরও সফল হন এবং দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করেন।

উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। এ বছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে ৩১০৭ জন ছাত্রছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাসের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০০০ জন।
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫০১ জন ছাত্রছাত্রী। পাসের হার শতভাগ। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯৫২ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩৮১ জন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দেয়, পাসের হার শতভাগ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন। মানবিক বিভাগ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২২৫ জন ছাত্রছাত্রী, পাসের হার শতভাগ। মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন।
এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিতভাবে ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত রাখার বিষয়ে মাইলস্টোন কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম বলেন, প্রত্যেক শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকেরা এই সাফল্যের প্রকৃত দাবিদার। মাইলস্টোন কলেজ প্রশাসনের সঠিক তদারকি, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টা ও কঠোর পরিশ্রম, ছাত্রছাত্রীদের একাগ্রতা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় প্রতিবছর ছাত্রছাত্রীরা প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করতে পারছে।
মোহাম্মদ জিয়াউল আলম আরও বলেন, আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য গুণগতমানের শিক্ষা প্রদান নিশ্চিত করি। নিয়মিত শ্রেণিকক্ষ শিক্ষা ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হয়। এটা ভালো ফলাফল অর্জনের প্রধান নিয়ামক।
উত্তীর্ণ সকল ছাত্রছাত্রীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যৎ জীবনে আরও সফল হন এবং দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করেন।

নগদবিহীন আর্থিক ব্যবস্থার প্রসার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) লিড ব্যাংক হিসেবে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরমা ট্যালেন্ট সেকশনে ‘বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হোয়াট ইফ’ (What If)। সিনেমাটির নির্মাতা তানহা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
১১ ঘণ্টা আগে
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
১৫ ঘণ্টা আগে
একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
১ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

নগদবিহীন আর্থিক ব্যবস্থার প্রসার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) লিড ব্যাংক হিসেবে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক (পিএসডি-১) আ ন ম মঈনুল কবীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহী কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) আমজাদ হোসেন খাঁন, একই কার্যালয়ের পরিচালক রথীন কুমার পাল এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ অপারেটিং অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
সেমিনারের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’-এর লক্ষ্য, কার্যক্রম ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার কেবল সময় ও খরচ সাশ্রয়ই করে না, বরং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে। তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মধ্য দিয়ে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে।
সভাপতির বক্তব্যে আ ন ম মঈনুল কবীর বলেন, নগদবিহীন লেনদেন ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের আর্থিক খাতে গতি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে। বাংলা কিউআরসহ আধুনিক পেমেন্ট সিস্টেম সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার বিস্তার গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারার অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করবে এবং একটি স্মার্ট ও টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
ইউসিবির ডিএমডি ও সিওও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ইউসিবি গ্রাহকদের জন্য নিরাপদ, দ্রুত ও সহজ ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, ক্যাশলেস বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুর্নীতি কমবে, রাজস্ব আহরণ বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।’
সেমিনার শেষে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংকের স্থাপিত বুথে অংশগ্রহণকারীদের বাংলা কিউআর কোড ব্যবহারসহ ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতির ব্যবহারিক ধারণা দেওয়া হয়।
এই দিনব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে নগদবিহীন লেনদেন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’-এর গুরুত্ব নতুনভাবে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে ইউসিবিসহ বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নগদবিহীন আর্থিক ব্যবস্থার প্রসার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) লিড ব্যাংক হিসেবে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক (পিএসডি-১) আ ন ম মঈনুল কবীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহী কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক (গ্রেড-১) আমজাদ হোসেন খাঁন, একই কার্যালয়ের পরিচালক রথীন কুমার পাল এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ অপারেটিং অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
সেমিনারের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’-এর লক্ষ্য, কার্যক্রম ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার কেবল সময় ও খরচ সাশ্রয়ই করে না, বরং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে। তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মধ্য দিয়ে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বাস্তবায়ন আরও সহজ হবে।
সভাপতির বক্তব্যে আ ন ম মঈনুল কবীর বলেন, নগদবিহীন লেনদেন ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের আর্থিক খাতে গতি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে। বাংলা কিউআরসহ আধুনিক পেমেন্ট সিস্টেম সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার বিস্তার গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারার অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করবে এবং একটি স্মার্ট ও টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
ইউসিবির ডিএমডি ও সিওও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ইউসিবি গ্রাহকদের জন্য নিরাপদ, দ্রুত ও সহজ ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, ক্যাশলেস বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুর্নীতি কমবে, রাজস্ব আহরণ বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।’
সেমিনার শেষে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংকের স্থাপিত বুথে অংশগ্রহণকারীদের বাংলা কিউআর কোড ব্যবহারসহ ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতির ব্যবহারিক ধারণা দেওয়া হয়।
এই দিনব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে নগদবিহীন লেনদেন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’-এর গুরুত্ব নতুনভাবে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে ইউসিবিসহ বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। এ বছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে ৩১০৭ জন ছাত্রছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাসের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে
১৬ অক্টোবর ২০২৪
২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরমা ট্যালেন্ট সেকশনে ‘বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হোয়াট ইফ’ (What If)। সিনেমাটির নির্মাতা তানহা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
১১ ঘণ্টা আগে
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
১৫ ঘণ্টা আগে
একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
১ দিন আগেঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
জবি প্রতিনিধি

২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরমা ট্যালেন্ট সেকশনে ‘বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হোয়াট ইফ’ (What If)। সিনেমাটির নির্মাতা তানহা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে সেরা চলচ্চিত্রসহ বিভিন্ন বিভাগের পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
তানহা তাবাসসুম বলেন, ‘এটা আমার বানানো প্রথম সিনেমা। আমাদের পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াতের সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় এবং কীভাবে তা মোকাবিলা করা যায়, সেই ধারণার ওপরই সিনেমাটি তৈরি। এটি আমার কাছে অনেক বড় এক প্রাপ্তি। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ, যাঁরা আমাকে সব সময় সমর্থন করেছেন।’
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন হাসান আল সাবিত, তাসনিম শুচি, কাব্য রাহা, আলভী আবীব ও সাইন আহমেদ পবন। চলচ্চিত্রটির চিফ অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলেন আরিফুর রহমান এবং ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলেন রুদ্র ব্যানার্জি। এ ছাড়া কালার গ্রেডিং করেছেন মুরসালিন, সাউন্ড মিক্সিং ও ডিজাইনের দায়িত্বে ছিলেন সৈকত সিনহা এবং ভোকাল আর্টিস্ট হিসেবে ছিলেন জান্নাতুল তোশা। চলচ্চিত্রটির এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার ছিলেন আলভী আবীব এবং ক্রিয়েটিভ প্রডিউসার ছিলেন শাহ সাকিব সোবহান।
উল্লেখ্য, ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ স্লোগানে ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ১৮ জানুয়ারি সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এশিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই উৎসবে বিশ্বের ৯১টি দেশের ২৪৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরমা ট্যালেন্ট সেকশনে ‘বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হোয়াট ইফ’ (What If)। সিনেমাটির নির্মাতা তানহা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে সেরা চলচ্চিত্রসহ বিভিন্ন বিভাগের পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
তানহা তাবাসসুম বলেন, ‘এটা আমার বানানো প্রথম সিনেমা। আমাদের পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াতের সময় বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় এবং কীভাবে তা মোকাবিলা করা যায়, সেই ধারণার ওপরই সিনেমাটি তৈরি। এটি আমার কাছে অনেক বড় এক প্রাপ্তি। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ, যাঁরা আমাকে সব সময় সমর্থন করেছেন।’
স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন হাসান আল সাবিত, তাসনিম শুচি, কাব্য রাহা, আলভী আবীব ও সাইন আহমেদ পবন। চলচ্চিত্রটির চিফ অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলেন আরিফুর রহমান এবং ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলেন রুদ্র ব্যানার্জি। এ ছাড়া কালার গ্রেডিং করেছেন মুরসালিন, সাউন্ড মিক্সিং ও ডিজাইনের দায়িত্বে ছিলেন সৈকত সিনহা এবং ভোকাল আর্টিস্ট হিসেবে ছিলেন জান্নাতুল তোশা। চলচ্চিত্রটির এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার ছিলেন আলভী আবীব এবং ক্রিয়েটিভ প্রডিউসার ছিলেন শাহ সাকিব সোবহান।
উল্লেখ্য, ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’ স্লোগানে ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ১৮ জানুয়ারি সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এশিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই উৎসবে বিশ্বের ৯১টি দেশের ২৪৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। এ বছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে ৩১০৭ জন ছাত্রছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাসের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে
১৬ অক্টোবর ২০২৪
নগদবিহীন আর্থিক ব্যবস্থার প্রসার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) লিড ব্যাংক হিসেবে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
১৫ ঘণ্টা আগে
একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
১ দিন আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে ঘোষিত কর্মসূচিতে পরিবর্তন এনেছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের একাংশ। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ না করে তারা ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনেই মঞ্চ তৈরি করছে।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা কলেজের মূল ফটকের বাম পাশে অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণকাজ চলছে। মঞ্চের পাশেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঞ্চের চারপাশে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানোর কার্যক্রমও চলমান। একই সঙ্গে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকলেও যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষের চলাচলেও তেমন কোনো ভোগান্তি দেখা যায়নি।
ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব ব্লক কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে। একই সঙ্গে সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপনের পরিকল্পনাও পরিবর্তন করা হয়েছে। জনজীবনে ভোগান্তি না ঘটিয়ে শান্তিপূর্ণ ও সৃজনশীল কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা তুলে ধরাই তাদের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের সামনে একটি প্রধান মঞ্চ তৈরি করবে। যেখানে অবস্থান করে গান, কবিতা এবং আলোচনা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদ ও সাধারণ জনগণের কাছে ঢাকেবি অধ্যাদেশ জারির গুরুত্ব তুলে ধরা হবে। এই মঞ্চে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। পাশাপাশি কবি নজরুল কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজ শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে একটি মঞ্চ তৈরি করবেন।
এ ছাড়া তিতুমীর কলেজের সামনে শিক্ষার্থীরা পৃথক একটি মঞ্চ স্থাপন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন এবং সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ কলেজের সামনে মঞ্চ তৈরি করে কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এসব কর্মসূচি আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বলে জানান শিক্ষার্থীদের এই সমন্বয়ক।

আব্দুর রহমান বলেন, ২২ জানুয়ারির মধ্যে যদি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি না হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা কঠোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে যমুনা ভবন ঘেরাও করবেন।
এর আগে সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে শিক্ষার্থীরা আজ সোমবার থেকে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
প্রসঙ্গত, রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে অধ্যাদেশের খসড়া ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে ঘোষিত কর্মসূচিতে পরিবর্তন এনেছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের একাংশ। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ না করে তারা ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনেই মঞ্চ তৈরি করছে।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা কলেজের মূল ফটকের বাম পাশে অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণকাজ চলছে। মঞ্চের পাশেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঞ্চের চারপাশে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানোর কার্যক্রমও চলমান। একই সঙ্গে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকলেও যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষের চলাচলেও তেমন কোনো ভোগান্তি দেখা যায়নি।
ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব ব্লক কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে। একই সঙ্গে সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপনের পরিকল্পনাও পরিবর্তন করা হয়েছে। জনজীবনে ভোগান্তি না ঘটিয়ে শান্তিপূর্ণ ও সৃজনশীল কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা তুলে ধরাই তাদের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের সামনে একটি প্রধান মঞ্চ তৈরি করবে। যেখানে অবস্থান করে গান, কবিতা এবং আলোচনা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদ ও সাধারণ জনগণের কাছে ঢাকেবি অধ্যাদেশ জারির গুরুত্ব তুলে ধরা হবে। এই মঞ্চে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। পাশাপাশি কবি নজরুল কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজ শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে একটি মঞ্চ তৈরি করবেন।
এ ছাড়া তিতুমীর কলেজের সামনে শিক্ষার্থীরা পৃথক একটি মঞ্চ স্থাপন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন এবং সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ কলেজের সামনে মঞ্চ তৈরি করে কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এসব কর্মসূচি আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বলে জানান শিক্ষার্থীদের এই সমন্বয়ক।

আব্দুর রহমান বলেন, ২২ জানুয়ারির মধ্যে যদি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি না হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা কঠোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে যমুনা ভবন ঘেরাও করবেন।
এর আগে সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে শিক্ষার্থীরা আজ সোমবার থেকে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
প্রসঙ্গত, রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে অধ্যাদেশের খসড়া ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। এ বছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে ৩১০৭ জন ছাত্রছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাসের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে
১৬ অক্টোবর ২০২৪
নগদবিহীন আর্থিক ব্যবস্থার প্রসার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) লিড ব্যাংক হিসেবে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরমা ট্যালেন্ট সেকশনে ‘বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হোয়াট ইফ’ (What If)। সিনেমাটির নির্মাতা তানহা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
১১ ঘণ্টা আগে
একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
১ দিন আগেশিক্ষা ডেস্ক

একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। উচ্চশিক্ষা, ক্যারিয়ারের উন্নয়ন কিংবা ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে মেলবন্ধন—সবখানেই ইংরেজি এক অপরিহার্য চাবিকাঠি।
দেশের বাস্তবতায় অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘ ১২ বছর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভের পরও ইংরেজিতে সাবলীলভাবে কথা বলতে বা লিখতে গিয়ে হোঁচট খান। এর প্রধান কারণ সম্ভবত আমাদের শেখার পদ্ধতির ত্রুটি। আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, ভাষা শেখা কোনো মুখস্থ বিদ্যার বিষয় নয়, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যা সঠিক কৌশলের ওপর নির্ভরশীল। চলুন নতুন একটি ভাষা, বিশেষ করে ইংরেজি শেখার ৮টি কার্যকর ধাপ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
সুনির্দিষ্ট এবং অর্জনযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ
যেকোনো কাজের সাফল্যের প্রথম ধাপ হলো লক্ষ্য স্থির করা। ‘আমি ইংরেজি শিখতে চাই—এটি একটি অস্পষ্ট লক্ষ্য। এর পরিবর্তে লক্ষ্যটি হওয়া উচিত সুনির্দিষ্ট। যেমন ‘আগামী তিন মাসে আমি ইংরেজিতে একটি সাধারণ প্রেজেন্টেশন দিতে পারব।’ দ্য মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিক্ষার্থী ছোট ছোট এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে ভাষা শেখা শুরু করে, তাদের সফলতার হার অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। এ ক্ষেত্রে লক্ষ্যগুলো হতে হবে পরিমাপযোগ্য এবং বাস্তবসম্মত।
ভাষার আবহে নিজেকে ডুবিয়ে রাখা
একটি শিশু যখন তার মাতৃভাষা শেখে, সে ব্যাকরণ পড়ে শেখে না; বরং সে সারাক্ষণ ওই ভাষার পরিবেশে থাকে। ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রেও এই ‘ইমার্শন’ পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকর। আপনার চারপাশের পরিবেশকে যতটা সম্ভব ইংরেজিঘেঁষা করে তুলুন। আপনার ফোনের সেটিংস পরিবর্তন করে ইংরেজি করে নিন, ইংরেজি পডকাস্ট শুনুন এবং সাবটাইটেলসহ ইংরেজি সিনেমা দেখুন। এতে করে আপনার মস্তিষ্ক অবচেতনভাবেই ইংরেজি শব্দের উচ্চারণ এবং বাক্যের গঠনবিন্যাস আয়ত্ত করতে শুরু করবে। একে ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘ইনপুট হাইপোথিসিস’।
মুখস্থ নয়, শব্দ শিখুন প্রসঙ্গের সঙ্গে
অভিধান খুলে একের পর এক শব্দ মুখস্থ করা ভাষা শেখার সবচেয়ে নীরস এবং অকার্যকর পদ্ধতি। বিচ্ছিন্নভাবে শব্দ শিখলে তা দ্রুত ভুলে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকে। এর পরিবর্তে একটি শব্দকে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যের মধ্যে রেখে শেখার চেষ্টা করুন। যেমন: ‘Precipitation’ শব্দটি শুধু মুখস্থ না করে এটি দিয়ে একটি বাক্য তৈরি করুন—The forecast predicts heavy precipitation for tomorrow. যখন আপনি প্রসঙ্গের সঙ্গে শব্দ শিখবেন, তখন আপনার মস্তিষ্ক সহজেই বুঝতে পারবে শব্দটি কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার করতে হবে।
প্রথম দিন থেকেই কথা বলার সাহস করুন
আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের ইংরেজিভীতি কাজ করে ভুল করার ভয়ে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ভাষা হচ্ছে যোগাযোগের মাধ্যম, নিখুঁত হওয়ার পরীক্ষা নয়। প্রথম দিন থেকেই ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে কথা বলার চেষ্টা করুন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের সঙ্গে কথা বলুন অথবা এমন কোনো বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন, যিনি আপনাকে উৎসাহ দেবেন। গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক মিথস্ক্রিয়া বা কথা বলার মাধ্যমে ভাষা শেখার প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়। আপনি যত বেশি ভুল করবেন, আপনার মস্তিষ্ক তত বেশি সংশোধনের সুযোগ পাবে।
ব্যাকরণের বেড়াজাল থেকে মুক্তি
ব্যাকরণ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে শুরুতেই ব্যাকরণের জটিল নিয়মে ডুবে যাওয়া ভাষা শেখার গতিকে মন্থর করে দেয়। কথা বলার সময় যদি আপনি প্রতি মুহূর্তে চিন্তা করেন ‘Past Perfect’ হবে, নাকি ‘past participle’—তবে আপনি কখনোই সাবলীল হতে পারবেন না। প্রথমে বাক্য গঠন এবং ভাব বিনিময়ে গুরুত্ব দিন। ব্যাকরণ নিজে থেকেই অভ্যাসের মাধ্যমে চলে আসবে। অনেকটা সাইকেল চালানোর মতো; আগে ভারসাম্য বজায় রাখা শিখুন, তারপর মেকানিকস বুঝুন।
প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার
বর্তমান যুগ এআই এবং অ্যাপের যুগ। ডুলিংগো (Duolingo), মেমরাইজ (Memrise) বা বাবেলের (Babbel) মতো অ্যাপগুলো গেমের ছলে ভাষা শেখায়। এ ছাড়া চ্যাটজিপিটির মতো এআই টুল ব্যবহার করে আপনি আপনার লেখা সংশোধন করে নিতে পারেন। এআই প্রযুক্তির সঙ্গে ইংরেজিতে চ্যাট করে নিজের দক্ষতাকে ঝালিয়ে নিতে পারেন। ইউটিউবে অসংখ্য ফ্রি রিসোর্স রয়েছে, যা আপনাকে উচ্চারণ এবং বাচনভঙ্গি ঠিক করতে সাহায্য করবে।
কনসিস্ট্যান্সি বা নিয়মিত চর্চা
সপ্তাহে এক দিন ৫ ঘণ্টা পড়ার চেয়ে প্রতিদিন ১৫ মিনিট করে পড়া অনেক বেশি কার্যকর। ভাষা শেখা একটি পেশি তৈরির মতো; একে নিয়মিত ব্যায়ামের মধ্যে রাখতে হয়। প্রতিদিন অন্তত একটি অনুচ্ছেদ ইংরেজিতে পড়ুন বা একটি ছোট ডায়েরি লিখুন, যেখানে সারা দিনের কাজের বিবরণ থাকবে ইংরেজিতে। এ ছোট পদক্ষেপগুলোই দীর্ঘ মেয়াদে বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
নতুন ভাষায় চিন্তা করার অভ্যাস করুন
অধিকাংশ মানুষ যে ভুলটি করেন তা হলো, প্রথমে বাংলা চিন্তা করেন এবং তারপর সেটি ইংরেজিতে অনুবাদ করার চেষ্টা করেন। এটি কথা বলার গতি কমিয়ে দেয়। এর বদলে সরাসরি ইংরেজিতে চিন্তা করার চেষ্টা করুন। আপনার ঘরের ছোট ছোট জিনিসের নাম মনে মনে ইংরেজিতে নিন। কোনো পরিকল্পনা করার সময় মনে মনে তা ইংরেজিতে সাজান। যখন আপনি ইংরেজিতে চিন্তা করা শুরু করবেন, তখন অনুবাদ করার বাধাটি দূর হয়ে যাবে। আপনার কথা বলা অনেক বেশি প্রাকৃতিক শোনাবে।
সূত্র: দ্য মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ জার্নাল

একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। উচ্চশিক্ষা, ক্যারিয়ারের উন্নয়ন কিংবা ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে মেলবন্ধন—সবখানেই ইংরেজি এক অপরিহার্য চাবিকাঠি।
দেশের বাস্তবতায় অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘ ১২ বছর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভের পরও ইংরেজিতে সাবলীলভাবে কথা বলতে বা লিখতে গিয়ে হোঁচট খান। এর প্রধান কারণ সম্ভবত আমাদের শেখার পদ্ধতির ত্রুটি। আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, ভাষা শেখা কোনো মুখস্থ বিদ্যার বিষয় নয়, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যা সঠিক কৌশলের ওপর নির্ভরশীল। চলুন নতুন একটি ভাষা, বিশেষ করে ইংরেজি শেখার ৮টি কার্যকর ধাপ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
সুনির্দিষ্ট এবং অর্জনযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ
যেকোনো কাজের সাফল্যের প্রথম ধাপ হলো লক্ষ্য স্থির করা। ‘আমি ইংরেজি শিখতে চাই—এটি একটি অস্পষ্ট লক্ষ্য। এর পরিবর্তে লক্ষ্যটি হওয়া উচিত সুনির্দিষ্ট। যেমন ‘আগামী তিন মাসে আমি ইংরেজিতে একটি সাধারণ প্রেজেন্টেশন দিতে পারব।’ দ্য মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিক্ষার্থী ছোট ছোট এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে ভাষা শেখা শুরু করে, তাদের সফলতার হার অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। এ ক্ষেত্রে লক্ষ্যগুলো হতে হবে পরিমাপযোগ্য এবং বাস্তবসম্মত।
ভাষার আবহে নিজেকে ডুবিয়ে রাখা
একটি শিশু যখন তার মাতৃভাষা শেখে, সে ব্যাকরণ পড়ে শেখে না; বরং সে সারাক্ষণ ওই ভাষার পরিবেশে থাকে। ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রেও এই ‘ইমার্শন’ পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকর। আপনার চারপাশের পরিবেশকে যতটা সম্ভব ইংরেজিঘেঁষা করে তুলুন। আপনার ফোনের সেটিংস পরিবর্তন করে ইংরেজি করে নিন, ইংরেজি পডকাস্ট শুনুন এবং সাবটাইটেলসহ ইংরেজি সিনেমা দেখুন। এতে করে আপনার মস্তিষ্ক অবচেতনভাবেই ইংরেজি শব্দের উচ্চারণ এবং বাক্যের গঠনবিন্যাস আয়ত্ত করতে শুরু করবে। একে ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘ইনপুট হাইপোথিসিস’।
মুখস্থ নয়, শব্দ শিখুন প্রসঙ্গের সঙ্গে
অভিধান খুলে একের পর এক শব্দ মুখস্থ করা ভাষা শেখার সবচেয়ে নীরস এবং অকার্যকর পদ্ধতি। বিচ্ছিন্নভাবে শব্দ শিখলে তা দ্রুত ভুলে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকে। এর পরিবর্তে একটি শব্দকে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্যের মধ্যে রেখে শেখার চেষ্টা করুন। যেমন: ‘Precipitation’ শব্দটি শুধু মুখস্থ না করে এটি দিয়ে একটি বাক্য তৈরি করুন—The forecast predicts heavy precipitation for tomorrow. যখন আপনি প্রসঙ্গের সঙ্গে শব্দ শিখবেন, তখন আপনার মস্তিষ্ক সহজেই বুঝতে পারবে শব্দটি কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার করতে হবে।
প্রথম দিন থেকেই কথা বলার সাহস করুন
আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের ইংরেজিভীতি কাজ করে ভুল করার ভয়ে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ভাষা হচ্ছে যোগাযোগের মাধ্যম, নিখুঁত হওয়ার পরীক্ষা নয়। প্রথম দিন থেকেই ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে কথা বলার চেষ্টা করুন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের সঙ্গে কথা বলুন অথবা এমন কোনো বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন, যিনি আপনাকে উৎসাহ দেবেন। গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক মিথস্ক্রিয়া বা কথা বলার মাধ্যমে ভাষা শেখার প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়। আপনি যত বেশি ভুল করবেন, আপনার মস্তিষ্ক তত বেশি সংশোধনের সুযোগ পাবে।
ব্যাকরণের বেড়াজাল থেকে মুক্তি
ব্যাকরণ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, তবে শুরুতেই ব্যাকরণের জটিল নিয়মে ডুবে যাওয়া ভাষা শেখার গতিকে মন্থর করে দেয়। কথা বলার সময় যদি আপনি প্রতি মুহূর্তে চিন্তা করেন ‘Past Perfect’ হবে, নাকি ‘past participle’—তবে আপনি কখনোই সাবলীল হতে পারবেন না। প্রথমে বাক্য গঠন এবং ভাব বিনিময়ে গুরুত্ব দিন। ব্যাকরণ নিজে থেকেই অভ্যাসের মাধ্যমে চলে আসবে। অনেকটা সাইকেল চালানোর মতো; আগে ভারসাম্য বজায় রাখা শিখুন, তারপর মেকানিকস বুঝুন।
প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার
বর্তমান যুগ এআই এবং অ্যাপের যুগ। ডুলিংগো (Duolingo), মেমরাইজ (Memrise) বা বাবেলের (Babbel) মতো অ্যাপগুলো গেমের ছলে ভাষা শেখায়। এ ছাড়া চ্যাটজিপিটির মতো এআই টুল ব্যবহার করে আপনি আপনার লেখা সংশোধন করে নিতে পারেন। এআই প্রযুক্তির সঙ্গে ইংরেজিতে চ্যাট করে নিজের দক্ষতাকে ঝালিয়ে নিতে পারেন। ইউটিউবে অসংখ্য ফ্রি রিসোর্স রয়েছে, যা আপনাকে উচ্চারণ এবং বাচনভঙ্গি ঠিক করতে সাহায্য করবে।
কনসিস্ট্যান্সি বা নিয়মিত চর্চা
সপ্তাহে এক দিন ৫ ঘণ্টা পড়ার চেয়ে প্রতিদিন ১৫ মিনিট করে পড়া অনেক বেশি কার্যকর। ভাষা শেখা একটি পেশি তৈরির মতো; একে নিয়মিত ব্যায়ামের মধ্যে রাখতে হয়। প্রতিদিন অন্তত একটি অনুচ্ছেদ ইংরেজিতে পড়ুন বা একটি ছোট ডায়েরি লিখুন, যেখানে সারা দিনের কাজের বিবরণ থাকবে ইংরেজিতে। এ ছোট পদক্ষেপগুলোই দীর্ঘ মেয়াদে বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
নতুন ভাষায় চিন্তা করার অভ্যাস করুন
অধিকাংশ মানুষ যে ভুলটি করেন তা হলো, প্রথমে বাংলা চিন্তা করেন এবং তারপর সেটি ইংরেজিতে অনুবাদ করার চেষ্টা করেন। এটি কথা বলার গতি কমিয়ে দেয়। এর বদলে সরাসরি ইংরেজিতে চিন্তা করার চেষ্টা করুন। আপনার ঘরের ছোট ছোট জিনিসের নাম মনে মনে ইংরেজিতে নিন। কোনো পরিকল্পনা করার সময় মনে মনে তা ইংরেজিতে সাজান। যখন আপনি ইংরেজিতে চিন্তা করা শুরু করবেন, তখন অনুবাদ করার বাধাটি দূর হয়ে যাবে। আপনার কথা বলা অনেক বেশি প্রাকৃতিক শোনাবে।
সূত্র: দ্য মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ জার্নাল

উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফলে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। এ বছর মাইলস্টোন কলেজ থেকে বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে ৩১০৭ জন ছাত্রছাত্রী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাসের হার শতভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে
১৬ অক্টোবর ২০২৪
নগদবিহীন আর্থিক ব্যবস্থার প্রসার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) লিড ব্যাংক হিসেবে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরমা ট্যালেন্ট সেকশনে ‘বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হোয়াট ইফ’ (What If)। সিনেমাটির নির্মাতা তানহা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
১১ ঘণ্টা আগে
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
১৫ ঘণ্টা আগে